আজ ১৫ জুলাই (মঙ্গলবার) বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য- ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল দক্ষতার মাধ্যমে যুবদের ক্ষমতায়ন’- উন্নত ভবিষ্যৎ গঠনে তরুণদের প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতায় প্রস্তুত করার ওপর জোর দিচ্ছে। ২০১৪ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৫ জুলাইকে বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর থেকে দিবসটি প্রতিবছর উদযাপিত হয়ে আসছে। এর মূল লক্ষ্য হলো বিশ্বব্যাপী তরুণ সমাজকে কর্মসংস্থান, শোভন কাজ ও উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনে উদ্বুদ্ধ করা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান বিশ্বের দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি, অটোমেশন ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (এআই) যুগে যুব সমাজকে কেবল প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নয়, বরং বাস্তবমুখী, বাজারচাহিদাসম্পন্ন ও প্রযুক্তিভিত্তিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ দিতে হবে।
বাংলাদেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে যুবদের জনসম্পদে পরিণত করা ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়া-কে সামনে রেখে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশে-বিদেশে শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী কারিগরি প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের জন্য কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।
জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ) সরকারি-বেসরকারি অংশীদারদের সঙ্গে একত্রে একটি কার্যকর ‘স্কিলস ইকোসিস্টেম’ গঠনের জন্য কাজ করছে। এর মাধ্যমে যুবসমাজকে শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতামূলক করতে প্রশিক্ষণ, মূল্যায়ন ও সনদায়ন প্রক্রিয়া ঢেলে সাজানো হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার জন্য এখন সময়োপযোগী কারিগরি ও প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা অনিবার্য। এজন্য দ্রুত ও বাস্তবধর্মী উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

