দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশের হাইকমিশনসহ ভারতের বিভিন্ন উপ-হাইকমিশনে ভিসা সেবায় বড় ধরনের সীমাবদ্ধতা আনা হয়েছে। কলকাতা, মুম্বাই ও চেন্নাইয়ের বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনও এবার এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কেবল ব্যবসায়িক ও কর্মসংস্থান ভিসা ছাড়া অন্য সব ধরনের ভিসা ইস্যু স্থগিত রাখা হয়েছে। এর ফলে পর্যটক ভিসাসহ অন্যান্য সব ভিসা সেবা বন্ধ রয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, কলকাতার উপ-হাইকমিশনে কনস্যুলার সেবাও সীমিত করা হয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, নিরাপত্তা বিষয়ক কারণ এবং দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এই পদক্ষেপের পেছনে মূল কারণ।
এর আগে, ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন, ত্রিপুরার আগরতলায় সহকারী হাইকমিশন এবং শিলিগুড়ির ভিসা সেন্টার থেকেও ভিসা প্রদান ও কনস্যুলার সেবা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। এরপর থেকে আসামের গোহাতিতেও কনস্যুলার সেবা বন্ধ রয়েছে। ফলে বর্তমানে ভারত থেকে বাংলাদেশের ভিসা ইস্যু সীমিত হয়ে গেছে।
কলকাতা উপ-হাইকমিশনের এক কর্মকর্তা জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ভারত থেকে শুধুমাত্র ব্যবসায়িক ও কর্মসংস্থান ভিসা চালু রয়েছে।
অন্যদিকে, ভারতের মুম্বাইতে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের সামনে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএইচপি) বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে। বুধবার প্রায় দেড় শতাধিক ভিএইচপি নেতাকর্মী মিশনের ৩০ মিটারের মধ্যে চলে এসে বাংলাদেশ বিরোধী স্লোগান দেয়। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি হয়।
উল্লেখ্য, নিরাপত্তার কারণে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে ভারত বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা সীমিত করেছে।

