দৈনিক দিনকালের সিটি এডিটর এবং বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আলী মামুদ (৭০) মারা গেছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের শৌচাগার থেকে তাঁকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
জাতীয় প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য আলী মামুদকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধারের পর তাঁর স্ত্রী জেসমিন আরার সঙ্গে কথা হয়। তিনি জানান, গতকাল সোমবার বাসা থেকে বেরিয়ে আলী মামুদ তাঁকে বলেন, তিনি প্রথমে প্রেসক্লাবে যাবেন, এরপর কর্মস্থল দৈনিক দিনকালে যাবেন। তবে এরপর থেকে তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
দিবাগত রাত ১২টার পরও আলী মামুদ বাসায় ফিরে না আসায় জেসমিন আরা দিনকাল কার্যালয়ে ফোন করেন। তখন তিনি জানতে পারেন, আলী মামুদ ওই দিন অফিসে যাননি। পরে আজ সকালে তিনি বড় ছেলেকে নিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে গিয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে সন্দেহ হলে প্রেসক্লাবের শৌচাগারে গিয়ে তাঁকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।
জেসমিন আরা জানান, আলী মামুদের আগে বাইপাস সার্জারি হয়েছিল। এর আগে তিনি দুবার শৌচাগারে পড়ে গিয়েছিলেন। এ কারণে তিনি সব সময় উদ্বিগ্ন থাকতেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করার পর কথা হয় তাঁর বড় ছেলে আমির আবদুল্লাহ তানভীরের সঙ্গে। তিনি জানান, চিকিৎসকেরা বলেছেন, তাঁর বাবা হাসপাতালে আনার আগেই মারা গিয়েছিলেন।
আলী মামুদ তিন সন্তানের জনক। তাঁর দুই ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন এবং তাঁর মেয়ে কলেজে অধ্যয়নরত।

