বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের অধীনে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা কাটিয়ে উঠেছে। আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ স্থগিত করায় আগামী ১৮ এপ্রিল নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্টের আগের নির্দেশনা স্থগিত করা হয়। ফলে পরীক্ষা আয়োজনের ক্ষেত্রে আর কোনো আইনি বাধা থাকছে না বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
এর আগে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এই নিয়োগ পরীক্ষা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। বিচারপতি আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই আদেশ দেন। পরে সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।
রিটকারীদের পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১১৪ জন আবেদনকারীর করা আবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্টে বিষয়টি ওঠে। তাদের অভিযোগ ছিল, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর হঠাৎ করে অভিজ্ঞতার শর্ত পরিবর্তন করায় অনেক প্রার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
জানা গেছে, গত ২৯ জানুয়ারি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে আবেদন করতে ১০ থেকে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কিছুদিন পর সংশ্লিষ্ট নীতিমালায় পরিবর্তন এনে অভিজ্ঞতার শর্ত বাড়িয়ে ১৮ বছর করা হয়। এই পরিবর্তন নিয়েই মূল বিরোধের সৃষ্টি হয়। সবশেষে চেম্বার আদালতের হস্তক্ষেপে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্থবিরতা দূর হয়েছে। এখন নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী দেশজুড়ে পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।

