Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, মে 20, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home»আন্তর্জাতিক»রাশিয়ার গ্যাস, চীনের হিসাব: ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-২’ নিয়ে কেন এত আলোচনা
    আন্তর্জাতিক

    রাশিয়ার গ্যাস, চীনের হিসাব: ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-২’ নিয়ে কেন এত আলোচনা

    নিউজ ডেস্কমে 20, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বেইজিং সফর ঘিরে আবারও আলোচনায় এসেছে বহুল আলোচিত গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-২’। ১৯ মে ২০২৬ তারিখে পুতিনের চীন সফরকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠছে—বহু বছর ধরে ঝুলে থাকা এই প্রকল্প কি এবার চূড়ান্ত রূপ পাবে, নাকি আবারও আলোচনা ও দরকষাকষির পর্যায়েই আটকে থাকবে?

    এই পাইপলাইন শুধু একটি জ্বালানি অবকাঠামো প্রকল্প নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে রাশিয়ার অর্থনৈতিক চাপ, চীনের জ্বালানি নিরাপত্তা, ইউরোপের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্কের ভাঙন এবং বিশ্ব রাজনীতির নতুন ভারসাম্য। তাই ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-২’ নিয়ে আগ্রহ কেবল মস্কো বা বেইজিংয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও ভূরাজনীতির পর্যবেক্ষকরাও এ প্রকল্পের দিকে গভীর নজর রাখছেন।

    চীন বর্তমানে রাশিয়ার জ্বালানি পণ্যের অন্যতম বড় ক্রেতা। একই সঙ্গে চীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল ও গ্যাস আমদানিকারক দেশ। ফলে রাশিয়ার কাছে চীনের বাজার এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ২০২২ সালে ইউক্রেনে হামলার পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে ইউরোপের বড় অংশের গ্যাস বাজার হারিয়েছে রাশিয়া। সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে মস্কোর সামনে চীনের বাজার এখন সবচেয়ে বড় বিকল্প।

    ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-২’ প্রকল্পের মূল পরিকল্পনা হলো উত্তর সাইবেরিয়ার আর্কটিক অঞ্চলের ইয়ামাল গ্যাসক্ষেত্র থেকে মঙ্গোলিয়া হয়ে চীনে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করা। প্রস্তাবিত পাইপলাইনটির দৈর্ঘ্য ২ হাজার ৬০০ কিলোমিটার। এর মাধ্যমে বছরে ৫ হাজার কোটি ঘনমিটার গ্যাস চীনে পাঠানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই পরিমাণ গ্যাস ২০২৫ সালে চীনের সম্ভাব্য মোট গ্যাস ব্যবহারের প্রায় ১২ শতাংশের সমান।

    এই সংখ্যাটিই প্রকল্পটির গুরুত্ব বোঝানোর জন্য যথেষ্ট। কারণ বছরে ৫ হাজার কোটি ঘনমিটার গ্যাস সরবরাহ শুধু বাণিজ্যিক চুক্তি নয়; এটি দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নির্ভরতা, কৌশলগত সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যের সঙ্গে যুক্ত। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান গ্যাজপ্রম এই পাইপলাইন নির্মাণ করবে। প্রতিষ্ঠানটি ২০২০ সালে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু করে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ৩০ বছরের জন্য আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক গ্যাস সরবরাহ স্মারক সইয়ের ঘোষণা দেওয়া হয়।

    তবে স্মারক সই হলেও চুক্তি এখনো পুরোপুরি চূড়ান্ত হয়নি। এখানেই প্রকল্পটির সবচেয়ে বড় জট। পাইপলাইন নির্মাণ, গ্যাস সরবরাহের পরিমাণ, দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতি—এসব বিষয়ে মোটামুটি সমঝোতার পরিবেশ তৈরি হলেও গ্যাসের দাম নিয়ে মতবিরোধ রয়ে গেছে। রাশিয়া চাইছে, ইউরোপে যে ধরনের বাজারভিত্তিক সূত্রে গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হতো, চীনের ক্ষেত্রেও তেমন ব্যবস্থা থাকুক। কিন্তু চীন এই জায়গায় খুব সতর্ক। বেইজিং কোনোভাবেই এমন চুক্তিতে যেতে চাইছে না, যেখানে ভবিষ্যতে তার দরকষাকষির ক্ষমতা কমে যায়।

    রাশিয়ার অবস্থান বোঝা কঠিন নয়। ইউরোপের বাজার হারানোর পর মস্কোর জন্য নতুন বড় ক্রেতা প্রয়োজন। ইয়ামাল গ্যাসক্ষেত্র থেকে আগে ইউরোপে গ্যাস পাঠানো হতো। এখন সেই গ্যাস চীনে পাঠানোর পথ তৈরি করতে পারলে রাশিয়ার জন্য তা হবে বড় অর্থনৈতিক স্বস্তি। একই সঙ্গে এটি রাজনৈতিক বার্তাও দেবে—পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাশিয়া একঘরে নয়, তার বড় জ্বালানি ক্রেতা আছে।

    অন্যদিকে চীন এই প্রকল্পকে দেখছে নিজের কৌশলগত সুবিধার দৃষ্টিতে। চীনের জন্য রুশ গ্যাস গুরুত্বপূর্ণ হলেও বেইজিং কোনো একক উৎসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হতে চায় না। বর্তমানে চীন মধ্য এশিয়া ও মিয়ানমার থেকেও পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস আমদানি করে। ২০২৫ সালে পাইপলাইনের মাধ্যমে চীন প্রায় ৫ কোটি ৯৪ লাখ টন গ্যাস আমদানি করেছে। অর্থাৎ রাশিয়ার গ্যাস চীনের জন্য প্রয়োজনীয়, কিন্তু অপরিহার্য নয়—এই বাস্তবতাই বেইজিংকে দরকষাকষিতে শক্ত অবস্থান দিয়েছে।

    এ কারণেই অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, এই চুক্তিতে রাশিয়ার আগ্রহ বেশি, চীনের তাড়াহুড়া কম। চীন জানে, ইউক্রেন যুদ্ধের পর রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানির পথ সীমিত হয়ে গেছে। সেই সুযোগে বেইজিং দাম, শর্ত ও সরবরাহের নিশ্চয়তা নিয়ে কঠোর অবস্থান নিতে পারছে। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চীন ছাড়মূল্যে রুশ তেল কেনা বাড়িয়েছে। চীনের শুল্ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে রাশিয়া থেকে ২৩০ কোটি ডলারের গ্যাস আমদানি করেছে চীন, যা ২০২২ সালের তুলনায় তিনগুণ বেশি।

    তবে ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-২’ বুঝতে হলে এর আগের প্রকল্প ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-১’-এর কথাও দেখতে হবে। ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-১’ পাইপলাইন চালু হয় ২০১৯ সালে। প্রায় চার হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাইপলাইনের মাধ্যমে পূর্ব সাইবেরিয়া থেকে উত্তর-পূর্ব চীনে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। প্রথমে এর বার্ষিক সক্ষমতা ছিল প্রায় তিন হাজার ৪০০ কোটি ঘনমিটার। গত বছর তা বাড়িয়ে চার হাজার ৮০০ কোটি ঘনমিটার করা হয়।

    নতুন পাইপলাইনটি আগেরটির পরিপূরক হলেও দুটির চরিত্র আলাদা। ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-১’ মূলত পূর্ব সাইবেরিয়ার নতুন গ্যাসক্ষেত্রকে চীনের সঙ্গে যুক্ত করেছে। কিন্তু ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-২’ এমন গ্যাসক্ষেত্রকে চীনের সঙ্গে যুক্ত করবে, যেখান থেকে আগে ইউরোপে গ্যাস সরবরাহ করা হতো। এই পার্থক্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এতে বোঝা যায়, রাশিয়া তার ইউরোপমুখী জ্বালানি অবকাঠামোর একটি অংশ এশিয়ামুখী করতে চাইছে।

    এখানে ভূরাজনীতির মাত্রাটিও বড়। রাশিয়া চীনের সঙ্গে জ্বালানি সম্পর্ক গভীর করে পশ্চিমা চাপের জবাব দিতে চাইছে। আর চীন রাশিয়ার কাছ থেকে সুবিধাজনক দামে দীর্ঘমেয়াদি গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে চাইছে, কিন্তু এমনভাবে যাতে তার কৌশলগত স্বাধীনতা বজায় থাকে। তাই সম্পর্ক যতই ঘনিষ্ঠ হোক, চুক্তির টেবিলে দুই দেশই নিজেদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

    গত বছর সেপ্টেম্বরে দুই দেশ নতুন গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণে সমঝোতা স্মারক সই করলেও অনেক বিষয় এখনো অস্পষ্ট রয়ে গেছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন দাম। এর বাইরে নির্মাণ ব্যয়, অর্থায়ন, সরবরাহের শর্ত এবং দীর্ঘমেয়াদি ক্রয় প্রতিশ্রুতিও গুরুত্বপূর্ণ। চীন প্রকাশ্যে খুব কম কথা বলছে। এমনকি গত বছর চুক্তি সইয়ের পর চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-২’-এর উল্লেখ না থাকাও অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

    এই নীরবতা আসলে চীনের কৌশল। বেইজিং সাধারণত বড় জ্বালানি চুক্তিতে ধীরে এগোয়। তারা আগে নিজের সুবিধা নিশ্চিত করে, তারপর দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতি দেয়। প্রথম পাইপলাইন বাস্তবায়নেও প্রায় ২০ বছর সময় লেগেছিল। তখনও দাম নিয়ে দীর্ঘ দরকষাকষি হয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত চীন বেশ সুবিধাজনক অবস্থান পায়। দ্বিতীয় পাইপলাইনের ক্ষেত্রেও চীন একই ধরনের সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করবে—এমন ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

    বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি অবশ্য এই প্রকল্পে নতুন গতি এনে দিতে পারে। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালি ঘিরে অনিশ্চয়তার কারণে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। চীনের জন্য সমুদ্রপথে জ্বালানি আমদানির ঝুঁকি সবসময়ই একটি কৌশলগত উদ্বেগ। সে তুলনায় স্থলপথে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ নিরাপদ ও পূর্বানুমানযোগ্য হতে পারে। এই কারণে ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-২’ চীনের জ্বালানি নিরাপত্তার হিসাবেও গুরুত্ব পেতে পারে।

    তবে এখানে চীনের আরেকটি হিসাব আছে। পাইপলাইন গ্যাস একবার চালু হলে তা দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক তৈরি করে। সরবরাহকারী ও ক্রেতা—দুই পক্ষই পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। চীন একদিকে রাশিয়ার গ্যাস নিতে চায়, অন্যদিকে অতিরিক্ত নির্ভরতা তৈরি করতে চায় না। কারণ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আজকের বন্ধু আগামী দিনের চাপের উৎসও হতে পারে। তাই বেইজিং রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করলেও নিজের বিকল্পগুলো খোলা রাখতে চায়।

    রাশিয়ার জন্য বিষয়টি অনেক বেশি জরুরি। ইউরোপীয় বাজার হারানো শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতি নয়, এটি রাশিয়ার জ্বালানি কূটনীতির বড় ধাক্কা। ইউরোপ বহু বছর ধরে রাশিয়ার গ্যাসের প্রধান বাজার ছিল। সেই বাজার সংকুচিত হওয়ার পর মস্কো বাধ্য হয়ে এশিয়ার দিকে বেশি মনোযোগ দিয়েছে। চীন সেখানে সবচেয়ে বড় সম্ভাব্য ক্রেতা। তাই ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-২’ মস্কোর কাছে শুধু একটি পাইপলাইন নয়; এটি ভবিষ্যৎ জ্বালানি রপ্তানির নতুন ভিত্তি।

    পুতিনের এবারের ২৫তম বেইজিং সফর তাই বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। ক্রেমলিন জানিয়েছে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে প্রস্তাবিত গ্যাস পাইপলাইন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। কিন্তু আলোচনা মানেই চূড়ান্ত চুক্তি নয়। বিশ্লেষকদের মধ্যে এ নিয়ে মতভেদ আছে। কেউ মনে করছেন, পূর্ণাঙ্গ চুক্তির সম্ভাবনা এবার অনেক বেশি। আবার কেউ বলছেন, রাজনৈতিক সমর্থন মিললেও দাম ও শর্তের জটিলতায় চূড়ান্ত চুক্তি আরও পিছিয়ে যেতে পারে।

    বাস্তবতা হলো, রাশিয়া যত দ্রুত চুক্তি চায়, চীন ততটা তাড়াহুড়া করছে না। চীনের হাতে বিকল্প আছে, রাশিয়ার হাতে চাপ বেশি। এই অসমতা দরকষাকষির শক্তির ভারসাম্য নির্ধারণ করছে। তবে বৈশ্বিক জ্বালানি অস্থিরতা, মধ্যপ্রাচ্যের ঝুঁকি এবং সমুদ্রপথের নিরাপত্তা প্রশ্ন চীনকে নতুন করে ভাবাতে পারে। ফলে প্রকল্পটি একেবারে থেমে থাকবে—এমনটাও বলা কঠিন।

    এই পাইপলাইন বাস্তবায়িত হলে রাশিয়া ও চীনের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা আরও বাড়বে। রাশিয়া পাবে দীর্ঘমেয়াদি ক্রেতা, চীন পাবে স্থলপথে বড় গ্যাস সরবরাহের আরেকটি উৎস। একই সঙ্গে পশ্চিমা বিশ্বকে রাশিয়া দেখাতে পারবে যে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তার বড় বাজার রয়েছে। অন্যদিকে চীনও তার জ্বালানি আমদানির উৎস আরও বৈচিত্র্যময় করতে পারবে।

    তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থাকবে মূল্য। গ্যাসের দাম কীভাবে নির্ধারিত হবে, চীন কতটা ছাড় পাবে, সরবরাহের শর্ত কতটা নমনীয় হবে এবং নির্মাণ ব্যয়ের দায় কে কতটা নেবে—এসব প্রশ্নের উত্তর না পাওয়া পর্যন্ত প্রকল্পটি পুরোপুরি নিশ্চিত বলা যাবে না।

    সব মিলিয়ে ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-২’ এখন শুধু জ্বালানি চুক্তি নয়; এটি রাশিয়া-চীন সম্পর্কের শক্তি, সীমাবদ্ধতা এবং পারস্পরিক প্রয়োজনের একটি বড় পরীক্ষা। পুতিনের বেইজিং সফরে হয়তো এই প্রকল্প নতুন গতি পেতে পারে। তবে চীন যেভাবে হিসাবি কূটনীতি চালায়, তাতে চুক্তি চূড়ান্ত হলেও সেটি হবে বেইজিংয়ের সুবিধাজনক শর্তেই—এমন সম্ভাবনাই বেশি।

    শেষ কথা হলো, সাইবেরিয়ার গ্যাস চীনে যাবে কি না, সেটি শুধু পাইপলাইন বসানোর প্রশ্ন নয়। এটি নির্ধারণ করবে আগামী দিনে রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানির পথ কতটা বদলাবে, চীন কতটা রুশ জ্বালানির ওপর নির্ভর করবে এবং পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও মস্কো কতটা নতুন অর্থনৈতিক শ্বাস নেওয়ার সুযোগ পাবে। তাই ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-২’ প্রকল্পের ভবিষ্যৎ শুধু দুই দেশের নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি রাজনীতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    বোনাস সংকটে স্যামসাংয়ে ৪৮ হাজার কর্মীর ১৮ দিনের ধর্মঘটের আশঙ্কা

    মে 20, 2026
    আন্তর্জাতিক

    যে কারণে সৌদি আরবে ৮০০০ সেনা ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে পাকিস্তান

    মে 20, 2026
    আন্তর্জাতিক

    বেইজিংয়ে শি-পুতিন বৈঠক, নজর বিশ্ব রাজনীতির

    মে 20, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    অর্থনীতি জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.