Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, মার্চ 15, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ৭ এপ্রিলেই শুরু রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং
    বাংলাদেশ

    ৭ এপ্রিলেই শুরু রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং

    এফ. আর. ইমরানমার্চ 15, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। ছবি: সংগৃহীত
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    এম এস রহমান, পাবনা প্রতিনিধি—

    দেশের সবচেয়ে বৃহৎ প্রকল্প পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-১-এ আগামী ৭ এপ্রিল জ্বালানি লোডিং শুরু হতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে দেশের প্রথম এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে।

    বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মতে, রুশ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান আনুষ্ঠানিকভাবে এই সময়সূচি সম্পর্কে সরকারকে অবহিত করেছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইউনিট-১-এর সব প্রস্তুতিমূলক কাজ আগামী ২৭ মার্চের মধ্যে শেষ হবে। এরপর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির কমিশনিং করবে।

    বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব আনোয়ার হোসেন শনিবার গণমাধ্যমকে বলেন, “রুশ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান গত সপ্তাহে সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে যে ইউনিট-১-এ আগামী ৭ এপ্রিল থেকে জ্বালানি লোডিং শুরু হবে। আশা করা যায়, জুলাইয়ের মধ্যে উৎপাদন শুরু করে জাতীয় গ্রিডে অন্তত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি যদি এই সময়সূচি ধরে এগোয়, তাহলে ডিসেম্বরের মধ্যে ইউনিটটি পূর্ণ এক হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারবে।”

    সচিব আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, “সফরের সময় প্রকল্প কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পরিদর্শনসহ সব কাজ ২৭ মার্চের মধ্যে শেষ করা হবে। প্রয়োজনীয় কাজ শেষ হলে ইউনিট-১ জ্বালানি লোডিংয়ের জন্য কমিশনিং লাইসেন্স পাবে।”

    এর আগে গত ৮ মার্চ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদের নেতৃত্বে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা রূপপুর প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং সন্তোষ প্রকাশ করেন।

    সরকারি সফরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম সংশ্লিষ্টদের আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা প্রোটোকল কঠোরভাবে মেনে দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন।

    তিনি বলেন, “রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই কেন্দ্র দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে।”

    পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। ছবি: সংগৃহীত

    এদিকে প্রকল্প ও এনপিসিবিএল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইউনিট-১ দ্রুত চালু করতে তারা ২৪ ঘণ্টা কাজ করছেন।

    এনপিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহেদুল হাসান বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে প্রায় দুই হাজার পরীক্ষা সম্পন্ন করেছি। এর ওপর ভিত্তি করে আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন তৈরির জন্য পরিদর্শন চলছে। গত সপ্তাহ পর্যন্ত এক হাজার ৬৫০টি পরিদর্শন শেষ হয়েছে এবং আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বাকি কাজ শেষ হবে বলে আশা করছি।”

    তিনি বলেন, পরিদর্শনে ছোটখাটো কিছু ত্রুটি ধরা পড়লেও বড় কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। ছোটখাটো যেসব সমস্যা পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলো সঙ্গে সঙ্গেই সমাধান করা হচ্ছে।

    বাংলাদেশ অ্যাটমিক এনার্জি রেগুলেটরি অথরিটি (বিএইআরএ) পরিদর্শন প্রক্রিয়াটি তদারকি করছে। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানদণ্ড নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়ের ঠিক আগে কমিশনিং লাইসেন্স দেওয়া হবে।

    সচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, “সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী হলে জুলাইয়ের মধ্যে ইউনিটটির মোট সক্ষমতার ৩০ শতাংশ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা যাবে এবং ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো এক হাজার ২০০ মেগাওয়াট উৎপাদনে পৌঁছানো সম্ভব হবে।”

    ইউনিট-২ এক বছর পর চালু হওয়ার কথা রয়েছে। ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দুটি ইউনিট থেকে মোট দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে ইউনিট-১-এর কমিশনিং চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ইউনিট-২-এর কাজ ৭০ শতাংশের বেশি সম্পন্ন হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর থেকে দুটি ভিভিইআর-১২০০ মডেলের রিয়্যাক্টর সমৃদ্ধ ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্পের মোট খরচের ৮১ শতাংশ ইতোমধ্যে ব্যয় হয়েছে।

    প্রকল্পটির কমিশনিং ২০২২ সালে হওয়ার কথা থাকলেও সব মিলিয়ে তিন বছর দেরি হয়েছে। একইসঙ্গে গত বছর বাংলাদেশ ও রাশিয়া উভয় ইউনিটের কাজ শেষ করতে ২০২৭ সাল পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    পহেলা বৈশাখে দেশের কৃষকদের হাতে বিতরণ হবে ‘কৃষক কার্ড’

    মার্চ 15, 2026
    বাংলাদেশ

    ঢাকায় আত্মীয়স্বজন না থাকলে অর্থ-স্বর্ণালংকার থানায়ও রাখা যাবে: ডিএমপি

    মার্চ 15, 2026
    বাংলাদেশ

    আশুলিয়া হত্যা মামলার ৫৯১ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

    মার্চ 15, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.