প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি বাসভবন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় না উঠে রাজধানীর গুলশানে নিজের ব্যক্তিগত বাসায় থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে গুলশানের বাসায় থাকতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তাই দেশে ফেরার পর থেকেই তিনি পরিবারসহ ওই বাসাতেই অবস্থান করছেন। বাসাটি তার পছন্দ অনুযায়ী প্রস্তুত করা হয়েছে।
যদিও বসবাসের জন্য যমুনায় উঠছেন না, তবে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান সেখানে আয়োজন করা হবে। ইতোমধ্যে কূটনীতিক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সম্মানে দু’টি ইফতার অনুষ্ঠান এই ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া ঈদের দিনও প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান যমুনাতেই হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, প্রায় ১৭ বছর বিদেশে থাকার পর ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। এরপর থেকেই গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসায় তিনি বসবাস করছেন। একই এলাকার ‘ফিরোজা’ নামের বাড়িতে একসময় অবস্থান করতেন তার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর তৎকালীন সরকার গুলশানের এই বাড়িটি খালেদা জিয়াকে বরাদ্দ দেয়। পরবর্তীতে বাড়িটির মালিকানাসংক্রান্ত কাগজপত্র তার হাতে হস্তান্তর করা হয়।
এর আগে সংসদ নির্বাচনের পর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, যমুনা সংস্কার শেষে সেটিকে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। সেই অনুযায়ী ভবনটি প্রস্তুতও করা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেখানে না উঠে নিজ বাসাতেই থাকার সিদ্ধান্ত নিলেন প্রধানমন্ত্রী।

