Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, মার্চ 12, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ফেলানী হত্যার ১৫ বছর, এখনও বিচারের অপেক্ষায় পরিবার
    বাংলাদেশ

    ফেলানী হত্যার ১৫ বছর, এখনও বিচারের অপেক্ষায় পরিবার

    এফ. আর. ইমরানজানুয়ারি 7, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    প্রতীকি ছবি: সংগৃহীত
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    আজ ৭ জানুয়ারি, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে কিশোরী ফেলানীর হত্যার ১৫ বছর পূর্ণ হলো। ২০১১ সালের এই দিনে ১৪ বছর বয়সী ফেলানী ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে নিহত হন। সে সময় কাঁটাতারে ঝুলে থাকে তার মৃতদেহ সাড়ে চার ঘণ্টা। ঘটনায় বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সংগঠন ও গণমাধ্যমের তীব্র সমালোচনা হয়, তবে বিএসএফের বিশেষ কোর্ট অভিযুক্ত অমিয় ঘোষকে দুই দফায় খালাস দেয়।

    ফেলানীর পরিবার ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টে পুনর্বিচারের জন্য রিট আবেদন করলেও ১৫ বছর পেরিয়ে গেলেও বিচার এখনো সম্পন্ন হয়নি। ফেলানীর মা জাহানারা বেগম বলেন, “আমার মেয়েকে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ১৫ বছর পার হলেও বিচার পাইনি। এখনও বিচারের অপেক্ষায় আছি।”

    ফেলানীর বাবা নূরুল ইসলাম বলেন, “মেয়ের হত্যাকারীর বিচার না হওয়ায় আমরা হতাশ। সুপ্রিম কোর্টে রিটের শুনানি বারবার পিছিয়ে গেছে। মরার আগে আমি বিচার দেখতে চাই। আমার মেয়ে ফেলানীর বিচার হলে সীমান্তে মানুষ মারা কমত।”

    নিহত ফেলানীর ছবি নিয়ে বাবা নুর ইসলাম ও মা জাহানারা বেগম। ছবি: সংগৃহীত

    কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা ইউনিয়নের কলোনিটারী গ্রামের নূরুল ইসলাম পরিবার ভারতের বঙ্গাইগাঁওয়ে থাকতেন। ফেলানী বিয়ের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে আসার সময় ৭ জানুয়ারি ভোর ৬টায় কাঁটাতার পেরোতে গিয়ে বিএসএফের গুলিতে আহত হন। তার দেহ সকাল পৌনে ৭টা থেকে সাড়ে চার ঘণ্টা কাঁটাতারে ঝুলে ছিল।

    ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট ভারতের কোচবিহারের জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্টে হত্যার বিচার শুরু হয়। ৬ সেপ্টেম্বর অমিয় ঘোষকে খালাস দেওয়া হয়। পরে পুনর্বিচারের দাবি জানানো হলে ২০১৫ সালের ২ জুলাই একই আদালত ফের খালাস দেয়। এরপর ভারতের মানবাধিকার সংগঠন মাসুম ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই রিট পিটিশন করে সুপ্রিম কোর্টে। শুনানি ২০১৬, ২০১৭, ২০১৮ সালে বিভিন্ন কারণে পিছিয়ে যায়। ২০২০ সালের ১৮ মার্চ শুনানির দিন ধার্য থাকলেও করোনা ও অন্যান্য কারণে আজ পর্যন্ত বিচার সম্পন্ন হয়নি।

    বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সালমা আলী বলেন, “মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে।”

    কুড়িগ্রামের আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট ফখরুল ইসলাম বলেন, “ফেলানীর হত্যার বিচার ভারতের আন্তরিকতার অভাবে না হচ্ছে। বিচার শেষ হলে সীমান্ত হত্যা অনেক কমত। ভারতের উচিত দ্রুত বিচার সম্পন্ন করা।”

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    জাতীয় শোক দিবসসহ কয়েকটি রাষ্ট্রীয় দিবস বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল

    মার্চ 12, 2026
    বাংলাদেশ

    জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হতে ইউরোপের সমর্থন চায় ঢাকা

    মার্চ 12, 2026
    বাংলাদেশ

    বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের চুক্তি প্রক্রিয়া বৈধ: আপিল বিভাগ

    মার্চ 12, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.