Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, মার্চ 14, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » যৌনকর্মীদের মানবাধিকার নিশ্চিত ও আইনি সুরক্ষা জরুরি
    বাংলাদেশ

    যৌনকর্মীদের মানবাধিকার নিশ্চিত ও আইনি সুরক্ষা জরুরি

    এফ. আর. ইমরানজানুয়ারি 31, 2026Updated:জানুয়ারি 31, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ছবি: সমকাল
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দেশে যৌনকর্মীরা প্রতিনিয়ত সহিংসতা, নির্যাতন ও বৈষম্যের মুখে পড়ছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের হাতেও হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। এ অবস্থায় তাদের মানবাধিকার নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে যারা পেশায় যুক্ত আছেন, তাদের আইনি সুরক্ষা দিতে হবে।

    গত ১৯ জানুয়ারি রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সমকালের সভাকক্ষে ‘যৌনকর্মীদের প্রতি সহিংসতা ও আইনি সুরক্ষা’ শিরোনামে গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এই সুপারিশ করেন। সেক্স ওয়ার্কার্স নেটওয়ার্ক (এসডব্লিউএন) ও সমকাল যৌথভাবে এ বৈঠকের আয়োজন করে।

    শাহীন আনাম 
    নির্বাহী পরিচালক, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন

    পুরুষরা গোপনে যৌন পেশাজীবীদের কাছে গেলেও সামাজিকভাবে তাদের মর্যাদা দিতে চান না। বর্তমানে দেশে একটি শক্তিশালী ‘মরাল পুলিশ’ গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে, যারা ধর্মের দোহাই দিয়ে যৌনকর্মীদের ওপর চড়াও হয়ে তাদের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে চায়। এই গোষ্ঠীটি আইনের ঊর্ধ্বে গিয়ে বিচারহীনতার সংস্কৃতি লালন করছে, যা মূলত নারীদের অবদমিত করার একটি সুনির্দিষ্ট নকশা।
    বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে নারীদের জন্য যে এসএমই ঋণ বা ব্যবসার সুযোগ রয়েছে, যৌনকর্মীদের জন্য তার দুয়ার এখনও বন্ধ। কেবল কয়েকটা সেলাই মেশিন দিলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। যারা এই পেশা থেকে স্বেচ্ছায় বেরিয়ে আসতে চান, তাদের জন্য সম্মানজনক বিকল্প জীবিকা নিশ্চিত করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। অন্যদিকে যারা এই পেশায় থাকতে চান, তাদের নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার দিতে হবে।
    ১৮ বছরের ঊর্ধ্বের ব্যক্তিরা যখন স্বেচ্ছায় এই পেশাকে জীবিকা হিসেবে বেছে নেন, তখন তাদের ‘সেক্স ওয়ার্কার’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া আবশ্যক। আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউএনএইডসের নির্দেশনা অনুযায়ী, এই শব্দবন্ধ গ্রহণ করা জরুরি। তবে ১৮ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে একে ‘যৌন শোষণ’ হিসেবে গণ্য করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। নারী সংস্কার কমিশনের রিপোর্টে এই পেশাকে শ্রম আইনের অধীনে আনার যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।
    যৌনকর্মীদের ওপর শারীরিক ও মানসিক সহিংসতা বন্ধ করা না গেলে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত না হলে তা দীর্ঘমেয়াদে জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় সংকট তৈরি করতে পারে।
    যৌনকর্মীর সন্তানদের মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। ভাসমান যৌনকর্মীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, জমির অধিকার এবং মৃত্যুর পর মর্যাদাপূর্ণ সৎকারের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। সংবিধান অনুযায়ী পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে টেনে তোলা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। ভবিষ্যতে যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক, নাগরিক সমাজকে তাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে এই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার আদায়ে কাজ করতে হবে।

    সায়মা খান 
    কান্ট্রি ডিরেক্টর, ইউএনএইডস

    বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পথে থাকায় বৈদেশিক অনুদান কমছে। ফলে যৌনকর্মী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিতে এখন থেকেই নিজস্ব সক্ষমতা ও টেকসই পরিকল্পনার ওপর জোর দিতে হবে।
    আমরা ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা করেছিলাম। কিন্তু নির্বাচনে নারীদের মনোনয়নপ্রাপ্তির হার মাত্র ৪ শতাংশ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিয়ে-সংক্রান্ত আইনের কিছু বিতর্কিত দিক, যা নারীদের মতামতের গুরুত্ব কমিয়ে দিচ্ছে।
    আমরা যখন নারী অধিকারের কথা বলি, তখন কেবল দৃশ্যমান বা মূলধারার নারীদের কথাই ভাবি। কিন্তু এর বাইরে বিশাল জনগোষ্ঠী, যেমন– যৌনকর্মী, ট্রান্সজেন্ডার বা এইচআইভি ঝুঁকিতে নারী রয়েছেন। তারা সম্পূর্ণ আড়ালে থেকে যাচ্ছে। জাতিসংঘ ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’ নীতিতে বিশ্বাসী। এই নীতির বাস্তব প্রতিফলন ঘটাতে হবে। দেশে ‘যৌন’ শব্দটি উচ্চারণ করাকেই যেন পাপ হিসেবে গণ্য করা হয়। এই মানসিকতার কারণে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা নিতে গিয়ে মানুষ বাধার মুখে পড়ে। এই নেতিবাচক ধারণা ভাঙতে চিকিৎসক সমাজের ইতিবাচক ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। যারা আইন প্রয়োগ করেন, তাদের সংবেদনশীল করা অত্যন্ত জরুরি। বিচ্ছিন্নভাবে কাজ করে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করা যাবে না। স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং নিরাপত্তা– সব খাত এক জোট হয়ে বহুমুখী অ্যাপ্রোচে এগোতে হবে।

    নুর নাহার 
    সভানেত্রী, সেক্স ওয়ার্কার্স নেটওয়ার্ক

    ১৯৯০-এর দশকে নারায়ণগঞ্জের কান্দাপাড়া যৌনপল্লি উচ্ছেদের পর যে নির্যাতনের ভয়াবহতা দেখা দিয়েছিল, তা থেকেই যৌনকর্মীদের নিজেদের সুরক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। বর্তমানে সারাদেশে ৩৩টি সিবিও এই নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত, যার মধ্যে ২৯টি যৌনকর্মীদের ও ৫টি তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করছে। ৬৪ জেলায় এই নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করার আশা রয়েছে আমাদের।
    একজন যৌনকর্মী যখন উপার্জন করেন, তখন সেই অর্থে তাঁর ভাই, বাবা, মা ও সন্তান প্রতিপালিত হয়। অথচ পেশার কারণে সেই একই পরিবারের সদস্যদের কাছে তিনি চরম অবহেলার শিকার হন। সমাজ তাঁকে মানুষ হিসেবে গণ্য করে না, প্রশাসন ও বাড়িওয়ালাদের কাছেও পদে পদে লাঞ্ছিত হতে হয়। যৌনকর্মীদের নিজের সন্তানও অনেক সময় মাকে মেনে নিতে পারে না।
    যৌনকর্মীরা পেশা ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করলে সেখানেও বাধা দেওয়া হয়। একজন যৌনকর্মী নিজের কষ্টে জমানো টাকায় কোনো গ্রামে জমি কিনে ঘর বাঁধতে চাইলে স্থানীয়রা তাঁকে বাধা দেয়। বাড়িওয়ালারাও পরিচয় জানলে তাদের উচ্ছেদ করেন। এই চক্রাকার বৈষম্যের কারণে অনেক নারী অনিচ্ছা সত্ত্বেও আবারও এই অন্ধকার পেশায় ফিরে আসতে বাধ্য হন। যৌনকর্মীদের এই আন্দোলন কেবল টিকে থাকার লড়াই নয়, বরং মর্যাদার লড়াই। রাষ্ট্রের সম্পদে তাদেরও অধিকার আছে। তারা দয়া চান না, বরং একজন মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার ন্যূনতম নিরাপত্তা ও আইনি অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

    ফুরকান হোসেন 
    চেয়ারম্যান ও সিইও, রিসার্চ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্টস লিমিটেড

    গবেষণায় দেখা গেছে, জীবনকালে শতভাগ নারী যৌনকর্মী কোনো না কোনোভাবে সহিংসতার শিকার হয়েছেন। গত ১২ মাসে ৫১ দশমিক ৯ শতাংশ শারীরিক সহিংসতা ও ৯১ শতাংশ মৌখিক নির্যাতনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।
    ইউএনএইডস ও এসডব্লিউএনের ২০২৩ সালের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ৯৬ শতাংশ যৌনকর্মী জীবনে অন্তত একবার পুলিশের হয়রানি, নির্যাতন, চাঁদাবাজি বা যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছেন। বাংলাদেশে যৌনকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে আইনগত অস্পষ্টতা ও দ্বন্দ্বপূর্ণ বাস্তবতার মধ্যে বাস করছেন। একদিকে যৌনকর্ম কার্যত সহনীয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, অন্যদিকে জীবিকা নির্বাহের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডগুলো বিভিন্ন আইনে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।
    গবেষণায় দেখা গেছে, ৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ যৌনকর্মী গ্রেপ্তার বা আটক হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৪৯ দশমিক ১ শতাংশ কারাবরণ করেছেন; ২৫ দশমিক ৩ শতাংশ আটক ছিলেন থানায়। এটি সংবিধানের মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সহিংসতা বা পারিশ্রমিক না পাওয়ার ঘটনায় যৌনকর্মীরা পুলিশের কাছে গেলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে সহায়তা পান না। ১০ শতাংশের কম যৌনকর্মী আইনি সহায়তা চেয়েছেন; বাকিরা পুলিশের প্রতিশোধের ভয়ে অভিযোগই করেননি।
    এ ছাড়া ৭৯ দশমিক ৫ শতাংশ যৌনকর্মী জীবনে অন্তত একবার উপার্জিত টাকা দিতে বাধ্য হয়েছেন। যার মধ্যে ১৯ শতাংশের ক্ষেত্রে বাধ্য করেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। ৯৭ দশমিক ৬ শতাংশ যৌনকর্মী নিজেদের মৌলিক মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত মনে করেন। গবেষণায় দেখা গেছে যে, যৌনকর্মীদের মধ্যে যাদের সন্তান রয়েছে এবং এসব সন্তান বিভিন্ন অপবাদ ও বৈষম্যের শিকার হয়ে থাকে। সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটে তাদের অনেকেই স্কুল ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। সরকারি শিশু যত্ন কেন্দ্রে বা আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও এসব শিশুর জায়গা হয় না। ২০১১ সালের নারী উন্নয়ন নীতি কিংবা নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (এনএপিভিএডব্লিউ) কোনোটিতেই যৌনকর্মীদের স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফলে তারা সরকারি সুরক্ষা, সেবা ও ক্ষমতায়ন কর্মসূচির বাইরে থেকে যাচ্ছেন।

    জাহানারা খাতুন
    সদস্য, নারীপক্ষ

    যৌনকর্মকে ‘অপরাধ’ হিসেবে না দেখে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বের নারীদের জন্য এটিকে ‘কাজ’ ও ‘পেশা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং শ্রম আইনে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে যৌনকর্মীদের উচ্ছেদ বন্ধ ও মানবাধিকার রক্ষার উদ্যোগ নিতে হবে। ২০০০ সালের ১৪ মার্চ হাইকোর্ট এক যুগান্তকারী রায় দেন। রায়ে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়– পেশা হিসেবে যৌনকর্ম অবৈধ নয় এবং যৌনকর্মীদের তাদের আবাসস্থল থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা যাবে না এবং এই উচ্ছেদ চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন। ফলে পরবর্তী সময়ে বহু উচ্ছেদ প্রচেষ্টা ঠেকানো সম্ভব হয়েছে।
    যতদিন পর্যন্ত আমরা তাদের অন্য কোনো দক্ষতায় পারদর্শী করতে না পারছি বা বিকল্প কর্মসংস্থান, অর্থাৎ তিনি যেভাবে চান সেটা দিতে না পারছি, ততদিন তাদের এই পেশা ছাড়তে বলার অধিকার আমাদের নেই। নারী হিসেবে সব নারীর অবস্থান এক। একটি বৃহত্তর গোষ্ঠীকে বাদ রেখে বা অস্বীকার করে কখনও কোনো উন্নয়ন সফল হতে পারে না। নারী অধিকার সংস্কার কমিশনের কাছে সংহতি এবং যৌনকর্মীদের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা পেশ করা হয়েছে। মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে– যৌনকর্মকে ‘অপরাধমুক্ত’ ঘোষণা করা এবং শ্রম আইন সংশোধন করে যৌনকর্মীদের শ্রম আইনের আওতায় আনা।

    নিশাত সুলতানা 
    পরিচালক, (ইনফ্লুয়েন্সিং ক্যাম্পেইন অ্যান্ড কমিউনিকেশন), প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ

    ‘যৌন’ কিংবা ‘যৌনতা’ শব্দগুলো অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের সমাজে নিন্দিত ও পাপের সমার্থক। সমাজের এই  দৃষ্টিভঙ্গিকে উপেক্ষা করে বেঁচে থাকার প্রয়োজনে অন্য কোনো উপায় খুঁজে না পেয়ে যারা এই পরিচয়ে জীবন-সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন, তাদের মানসিক শক্তির প্রশংসা করতেই হয়। যৌনকর্মে দুটি পক্ষের (নারী ও পুরুষ) অংশগ্রহণ থাকলেও সামাজিক কলঙ্ক কেবল নারীর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। এই পেশাকে টিকিয়ে রাখতে পুরুষের সম্পৃক্ততার প্রশ্ন কেউ তোলে না। যৌন পেশার সঙ্গে জড়িত বেশির ভাগ নারীই নিরুপায় হয়ে এই পেশায় এসেছেন। যৌনকর্মীদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে ব্যাপক সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক আন্দোলন প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে  মূলধারার গণমাধ্যম এবং পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।
    যৌনপল্লিতে বেড়ে ওঠা শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষায় নজর দেওয়া প্রয়োজন। বিভিন্ন মৌলিক অধিকারবঞ্চিত এবং একই সঙ্গে ভয় কিংবা ট্রমার মধ্যে এসব শিশুর অপরাধপ্রবণ হয়ে বেড়ে ওঠার শঙ্কা অনেক বেশি থাকে।

    হেনা আক্তার
    সভানেত্রী, উল্কা নারী সংঘ, ঢাকা

    আমি যৌনকর্মী, এটা আমার লড়াই। ছোটবেলায় হারিয়ে যাওয়ার পর পাঁচ বছর বয়স থেকে আমি নির্যাতনের শিকার হয়েছি। আজ ৪০ বছর ধরে এই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি। এই দেশে যদি আমার ভোট দেওয়ার অধিকার থাকে, তবে কেন নাগরিক হিসেবে নিরাপত্তা ও ন্যূনতম সম্মানটুকু পাওয়ার অধিকার নেই? যৌনকর্মীরা প্রতিনিয়ত শারীরিক নির্যাতন ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে থাকেন।  আমাকে এক জায়গায় মারধর করা হয়েছে, পিস্তল ঠেকানো হয়েছে। যৌনকর্মীরা রাস্তায় বের হলেই হামলা চালানো হয়, টাকা-পয়সা কেড়ে নেওয়া হয়। পুলিশের কাছে অভিযোগ করলেও তারা যথাযথ সহযোগিতা পান না। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাই যদি আমাদের নিরাপত্তা দিতে না পারে, তবে আমরা  কোথায় যাব? অথচ সংবিধান অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।
    যৌনকর্মকে পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা, নিরাপত্তা এবং উন্নত চিকিৎসার নিশ্চয়তা দিতে হবে।  পরিসংখ্যান অনুযায়ী যৌনকর্মীর সংখ্যা যা বলা হয়, বাস্তবে তা অনেক বেশি। বয়সের কারণে বা সুযোগ পেলে অনেকেই বিকল্প পেশায় যেতে চান। কিন্তু যতক্ষণ তারা এই পেশায় আছেন, ততক্ষণ তাদের সুরক্ষা দিতে হবে।

    সূত্র: সমকাল

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    পোশাক খাতে শৃঙ্খলা আনতে বিজিএমইএর নতুন সিদ্ধান্ত

    মার্চ 13, 2026
    বাংলাদেশ

    উত্তরবঙ্গে এবার সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রার আশা

    মার্চ 13, 2026
    বাংলাদেশ

    তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তরের দাবি

    মার্চ 13, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.