চট্টগ্রাম বন্দরে নিউমুরিং টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা না দেওয়ার দাবিতে আন্দোলনকারী ১৫ কর্মচারীর সরকারি বাসা বরাদ্দ বাতিল করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। আজ রোববার বন্দরের পরিচালক (প্রশাসন) স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, ১৫ কর্মচারীকে ২ ফেব্রুয়ারি জনস্বার্থে মোংলা ও পায়রা বন্দরে বদলি করা হয়েছে। বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদানের জন্য তাদের নিজ নিজ বিভাগের অবমুক্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। তবে কেউ এখনও নতুন কর্মস্থলে যোগ দেননি। তাই তাঁদের বরাদ্দকৃত বাসা বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধানরা।
বদলি হওয়া ১৫ কর্মচারীর মধ্যে রয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর ও মো. ইব্রাহিম খোকন। অন্যরা হলেন মো. ফরিদুর রহমান, মোহাম্মদ শফি উদ্দিন, রাশিদুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. জহিরুল ইসলাম, খন্দকার মাসুদুজ্জামান, মো. হুমায়ুন কবীর (এসএস পেইন্টার), মো. শাকিল রায়হান, মানিক মিঝি, মো. শামসু মিয়া, মো. লিয়াকত আলী, আমিনুর রসুল বুলবুল ও মো. রাব্বানী।
বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ এনসিটি ইজারা না দেওয়া, বন্দর চেয়ারম্যানকে প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবিতে রোববার থেকে ধর্মঘট শুরু করেছে। এর আগে ৩১ জানুয়ারি থেকে তিন দিন ধরে প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করা হয়। এরপর গত মঙ্গলবার লাগাতার কর্মবিরতি শুরু হলেও বৃহস্পতিবার নৌপরিবহন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের পর দুই দিনের জন্য তা স্থগিত করা হয়েছিল।
বন্দর কর্তৃপক্ষ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আর সম্পদ তদন্তের জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানোর পর, বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে আন্দোলন উসকে দেওয়ার অভিযোগ তুলে রোববার থেকে ধর্মঘট পুনরায় শুরু করার ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা।

