শীত পুরোপুরি বিদায় না নিতেই দিনের বেলায় বাড়তে শুরু করেছে গরমের তাপ। গত কয়েক দিন ধরে রোদের তীব্রতা বেশ স্পষ্ট, বিশেষ করে দুপুরের পর বাইরে বের হলে গরম বেশি অনুভূত হচ্ছে।
বসন্তকালে সাধারণত বৃষ্টিপাত কম হলেও এবার ভিন্ন ইঙ্গিত দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটির পূর্বাভাস বলছে, আগামী দু-এক দিনের মধ্যে ঢাকাসহ তিন বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
তবে এ বৃষ্টি খুব বেশি স্বস্তি নাও দিতে পারে। বরং রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রকাশিত পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বিষুবীয় ভারত মহাসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বিষুবীয় ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে। এটি পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।
এদিকে উপমহাদেশীয় উচ্চ চাপবলয়ের বর্ধিতাংশ ভারতের বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।
শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রোববার সন্ধ্যা ৬টা:
সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকতে পারে, তবে আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সোমবার সন্ধ্যা ৬টা:
আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে, তবে দিন ও রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে।
সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা:
ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বুধবার সন্ধ্যা ৬টা:
একই তিন বিভাগে দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বুধবার সন্ধ্যা ৬টার পর:
সারা দেশে আবারও আংশিক মেঘলা আকাশসহ শুষ্ক আবহাওয়া থাকতে পারে। এরপর রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে।
আজ দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাঙামাটিতে—৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল নীলফামারীর ডিমলায়—১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এ দিন দেশের কোথাও বৃষ্টির খবর পাওয়া যায়নি।
বসন্তের শুরুতেই তাপমাত্রা বাড়ার ইঙ্গিত স্পষ্ট। তবে মাঝপথে বৃষ্টির সম্ভাবনা কিছুটা স্বস্তি এনে দিতে পারে, যদিও তা সাময়িক।
আবহাওয়ার এমন পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য সচেতন থাকা, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং বজ্রপাতের সময় সতর্ক থাকা জরুরি।

