কেন্দ্রীয় ব্যাংকে টানা উত্তেজনার মধ্যে বিদায়ী গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে ‘স্বৈরাচার’ আখ্যা দিয়ে সরব হন একদল কর্মকর্তা। একই দিনে গভর্নরের উপদেষ্টা আহসান উল্লাহকেও জোর করে কার্যালয় ছাড়তে বাধ্য করা হয়।
বিভিন্ন সুবিধা আদায়ের দাবিতে আন্দোলন করে আসা বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার্স ওয়েলফেয়ার কাউন্সিলের মূল দাবি ছিল চুক্তিভিত্তিক সব নিয়োগ বাতিল করা। তিন কর্মকর্তার বদলি ও কারণ দর্শানোর নোটিস প্রত্যাহারের দাবিতে মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে কাউন্সিলের ব্যানারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়। সেখানে গভর্নরের পদত্যাগও দাবি করা হয়।
সমাবেশের প্রায় এক ঘণ্টা পর সংবাদ সম্মেলনে আসেন আহসান এইচ মনসুর। এরই মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় তাকে সরিয়ে নতুন গভর্নর নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করে।
বেলা ২টার দিকে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক ত্যাগ করেন। তার কিছুক্ষণ পর আন্দোলনরত কর্মকর্তারা গভর্নরের উপদেষ্টা আহসান উল্লাহকে জোর করে ব্যাংক থেকে বের করে দেন।
সাবেক নির্বাহী পরিচালক আহসান উল্লাহকে গত বছরের জানুয়ারিতে এক বছরের জন্য গভর্নরের উপদেষ্টা করা হয়। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি পরিচালক পর্ষদের সভায় তার চুক্তির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানো হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নে তিনি গভর্নরকে সহায়তা করছিলেন। তার নেতৃত্বে পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করা হয়।
এ ঘটনার দুই ঘণ্টা পর বিকাল ৪টার দিকে অর্থ মন্ত্রণালয় ব্যবসায়ী মোস্তাকুর রহমানকে নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

