Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, ফেব্রু. 27, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » অতিরিক্ত সচিব পদোন্নতি: রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশে হারিয়ে যাওয়া শতাধিক যুগ্ম সচিব
    বাংলাদেশ

    অতিরিক্ত সচিব পদোন্নতি: রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশে হারিয়ে যাওয়া শতাধিক যুগ্ম সচিব

    মনিরুজ্জামানফেব্রুয়ারি 26, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    প্রশাসনে পদোন্নতির ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকার শেষ মুহূর্তে সমালোচনার মুখে পড়েছে। জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশ সচিবালয়ে ২০তম বিসিএস (প্রশাসন) ব্যাচের অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়ার প্রক্রিয়ায় এক পরিকল্পিত অনিয়ম ঘটে। এতে শতাধিক যোগ্য ও মেধাবী কর্মকর্তাই বঞ্চিত হন। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাসী কর্মকর্তাদের মধ্যে ৮৫ জনকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। জানা যায়, একজন হিন্দু কর্মকর্তাকেও এই পদোন্নতির সুযোগ দেওয়া হয়নি।

    পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় তড়িঘড়ি, নিয়মনীতি লঙ্ঘন এবং পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। সংখ্যালঘু কর্মকর্তাদের একচেটিয়াভাবে বঞ্চিত করা হয়। অন্যদিকে, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের মধ্যে অনেককে যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতি সচিবালয়ে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা পুরো প্রক্রিয়া পুনর্বিবেচনার দাবি তুলেছেন।

    অভিযোগ রয়েছে, পদোন্নতির ক্ষেত্রে মেধাকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ব্যাচের মেধা তালিকায় প্রথম, দ্বিতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, অষ্টম, নবম ও দশম স্থান অধিকারী কর্মকর্তারা বঞ্চিত হয়েছেন। মেধা তালিকার প্রথম ৫০ জনের মধ্যে পদোন্নতি পেয়েছেন মাত্র ১৫ জন। পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তারা পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নামও প্রকাশ করেছেন, যা সচিবালয়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।

    সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ২০তম বিসিএস (প্রশাসন) ব্যাচের মোট ২৫৯ জন কর্মকর্তার মধ্যে মাত্র ৮৫ জন পদোন্নতি পেয়েছেন, যা মাত্র ৩২.৮ শতাংশ। এটি আগের ব্যাচগুলোর তুলনায় অনেক কম। উদাহরণস্বরূপ, ১৩তম, ১৫তম, ১৭তম এবং ১৮তম ব্যাচে পদোন্নতির হার ছিল প্রায় ৭৫ শতাংশ বা তার বেশি।

    এই পদোন্নতি বিতর্ক প্রশাসনের ভেতরে এবং বাইরে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শেষ মুহূর্তের তড়িঘড়ি এবং রাজনৈতিক প্রভাব প্রক্রিয়াটিকে বিশ্বাসযোগ্যতা থেকে অনেকটাই দূরে সরিয়ে দিয়েছে। সচিবালয়ে ২০তম বিসিএস (প্রশাসন) ব্যাচের অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি বিতর্ক তীব্র আকার নিয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, এই পদোন্নতি ইতিহাসের ধারাবাহিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং প্রক্রিয়ায় ভিন্নধর্মী বিবেচনার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

    গত সরকারের সময় ২০তম ব্যাচের উপসচিব ও যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তাদের ধারাবাহিকভাবে উপসচিব ও পরে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ২৭ জানুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকার তড়িঘড়ি করে অতিরিক্ত সচিব পদে ২৫৯ জনের মধ্যে মাত্র ৮৫ জনকে পদোন্নতি দিয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় জ্যেষ্ঠতা উপেক্ষা করা হয়েছে এবং মেধাবী ও যোগ্য কর্মকর্তাদের টপকে শেষ পর্যায়ের কিছু কর্মকর্তাকেও পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। মধ্যবর্তী পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক মেধাবী ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের অজ্ঞাত কারণে বঞ্চিত করা হয়েছে, যা নতুন বৈষম্যের জন্ম দিয়েছে।

    প্রশাসনের অভ্যন্তরে কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতির ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠতা, চাকরিজীবনের পারফরম্যান্স এবং বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন (এসিআর) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবুও কিছু কর্মকর্তা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন মেধা তালিকার শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের পদোন্নতি না পাওয়ায়। একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা বিষয় হলো গোয়েন্দা সংস্থার ভেটিং প্রক্রিয়া। পদোন্নতির আগে নিরাপত্তা ও পেশাগত মূল্যায়ন সংযুক্ত এই ধাপ কার্যকর থাকলেও অনেক কর্মকর্তা মনে করছেন, প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও মানদণ্ড আরও স্পষ্ট হলে বিতর্ক কমানো যেত।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তার দাবি, ২০তম ব্যাচকে ঘিরে একটি সুপরিকল্পিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যাচের অযোগ্য কর্মকর্তারা পদোন্নতি নিয়ে অনিশ্চয়তায় থাকলেও একটি স্বার্থান্বেষী পক্ষ তাদের পাশে দাঁড়িয়ে ২৫ লাখ থেকে কোটি টাকার বিনিময়ে পদোন্নতি নিশ্চিত করেছে।

    অভিযোগ রয়েছে, ড. শেখ আব্দুর রশিদ (সাবেক মন্ত্রী পরিষদের সচিব), সিরাজুদ্দীন মিয়া সাথী ও এবিএম আব্দুর সাত্তার গ্রুপের প্রভাবে অর্ধশতাধিক কর্মকর্তাকে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এর পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক এবং প্রতিহিংসামূলক হিসাব-নিকাশ।

    পদোন্নতি বিতর্ক প্রশাসনের ভেতরে এবং বাইরে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। মেধা, জ্যেষ্ঠতা ও স্বচ্ছতার প্রশ্ন সামনে আসায় সচিবালয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শেষ মুহূর্তের তড়িঘড়ি এবং স্বার্থান্বেষী পদক্ষেপ প্রশাসনের বিশ্বাসযোগ্যতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

    অভিযোগকারীরা বলছেন, জামায়াত-সংশ্লিষ্ট ক্যাবিনেট সচিব ড. শেখ আব্দুর রশিদ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তার পরিকল্পনায় ২০তম ব্যাচের ৮৫ জনকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, তাদের মধ্যে অর্ধশতাধিককে জামায়াতপন্থি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, পদোন্নতির মূল পরিকল্পনাকারী একজন যুগ্ম সচিব। তার সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের এক প্রভাবশালী কর্মকর্তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ১০ জন আমলাকে নিয়ে তারা একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গঠন করে, যা শেষ সময়ে পদোন্নতি কার্যকর করে। অভিযোগ অনুযায়ী, পদোন্নতির আশ্বাসে প্রায় ৫০ জন কর্মকর্তা মোটা অঙ্কের অর্থ প্রদান করেন।

    পদোন্নতি তালিকায় রাজনৈতিক প্রভাব স্পষ্ট। কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, জামায়াত-শিবিরের সদস্য সংখ্যা ৫০-এর বেশি, নব্য জামায়াত ও আওয়ামী লীগ সমর্থক ১৩ জনের বেশি, বিএনপি সমর্থক মাত্র ছয় জন, আর নিরপেক্ষ তিন-চারজন। তবে পদোন্নতির জন্য অনেকে নব্য জামায়াত বা শিবির রং ধারণ করেছেন বলে সূত্রের দাবি। এই গ্রুপের ১০–১২ জন কর্মকর্তা ২৫ লাখ থেকে এক কোটি টাকার বিনিময়ে পদোন্নতি নিশ্চিত করেন। তালিকায় অপদার্থ ও অকর্মণ্য কর্মকর্তাদের নামও রয়েছে। কিছু কর্মকর্তার প্রমোশন না হওয়ায় টাকা ফেরত দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

    অভ্যন্তরীণ অভিযোগে বলা হয়েছে, অতীতের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রশাসনে প্রভাব বিস্তারকারী বিশেষ গোষ্ঠীর অনুগত কর্মকর্তারা পদোন্নতি ও পদায়নে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করেছেন। তারা নিজেদের অনুগত কর্মকর্তাদের সুবিধা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ব্যাচের যোগ্য কর্মকর্তাদের পদোন্নতিতে বাধা দিয়েছেন। ফলস্বরূপ, ২০তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেরি হয়েছে। একই সঙ্গে ২৪তম ব্যাচের যোগ্য কর্মকর্তাদের পদোন্নতি রিভিউ করা সম্ভব হয়নি, আর ২১ ও ২২তম ব্যাচের কর্মকর্তারা পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করলেও পদোন্নতি আটকে থাকার কারণে প্রশাসনের ভেতরে হতাশা এবং আলোচনা শুরু হয়েছে।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা শেয়ার বিজকে জানিয়েছেন, পদোন্নতি দেওয়ার ক্ষেত্রে সবসময় দক্ষতা, জ্যেষ্ঠতা, সততা ও পেশাগত পারফরম্যান্স বিবেচনা করা হয়। কিন্তু এবার, তার দাবি অনুযায়ী, টাকা, দলীয় প্রভাব এবং প্রতিহিংসার কারণে অন্য কোনো বিষয় গুরুত্ব পায়নি। সাধারণ কর্মকর্তারা মনে করছেন, প্রশাসনে দলনিরপেক্ষ, দক্ষ ও পেশাদার কর্মকর্তাদের পদোন্নতি নিশ্চিত করা না হলে প্রশাসনের কার্যকারিতা ও জনসেবার মান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রভাব পুনর্মূল্যায়ন করে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা ফেরানো এখন সময়োপযোগী।

    সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও প্রশাসনে দলীয়করণ করা হয়েছিল। দলের লোকজনকে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হতো। যদি সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারও কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের পদোন্নতি দিয়ে থাকে, তবে এটি দুঃখজনক। অবশ্য প্রমাণ দিতে হবে।”

    পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু নাম ও পরিচয়:

    ০১. ড. সৈয়দা নওশিন পর্ণিনী (৬৪৩৭) – আওয়ামী সুবিধাভোগী, অনুমোদনহীনভাবে লিয়েনে থাকা অবস্থায় ডিপি মামলা চলছিল, বর্তমানে বিএনপি সমর্থক।

    ০২. মো. শাহ আলম (৬৪৮৪) – একটি রাজনৈতিক দলের সমর্থক, দুর্নীতির দায়ে ডিপি ছিলেন, নব্য বিএনপি কর্মকর্তা।

    ০৩. মো. আকনুর রহমান, পিএইচডি (৬৬৩১) – প্রকাশ্যে বিএনপি, গোপনে অন্য রাজনৈতিক দলের সমর্থক, আওয়ামী সুবিধাভোগী। স্ত্রী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।

    ০৪. মুহাম্মদ এনাম চৌধুরী (৬৬৩৫) – বিএনপি সমর্থিত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাসাসের সহসভাপতি।

    ০৫. মো. জাহাঙ্গীর আলম (৬৬৩৬) – বর্তমানে পরিপূর্ণ জামায়াত, পূর্বে কেরানীগঞ্জে ইউএনও।

    ০৬. মো. রাহেদ হোসেন (৬৬৪৩) – বিএনপিমনা দাবিদার, অত্যন্ত নেগেটিভ অফিসার।

    ০৭. মো. জহিরুল ইসলাম (৬৬৪৮) – পরিপূর্ণ জামায়াত, পুরো পরিবার জামায়াত সমর্থক, আওয়ামী সুবিধাভোগী। গত ১৫ বছরে কখনও প্রমোশন বঞ্চিত হননি।

    ০৮. ড. মো. মনিরুজ্জামান (৬৬৬১) – পূর্বে বিএনপি সমর্থক, বর্তমানে পরিপূর্ণ জামায়াত। প্রমোশন দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত।

    ০৯. মোহা. আলমগীর হোসেন (৬৬৬৫) – বর্তমানে পরিপূর্ণ জামায়াত, অতীতে দুর্নীতির কারণে প্রমোশন পাননি। আওয়ামী আমলে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ও প্রতিমন্ত্রীর সচিব ছিলেন। বিএনপি দাবিদার, প্রমোশন দুর্নীতির হোতা।

    ১০. আরিফ আহমেদ (৬৬৬৭) – বর্তমানে জামায়াত, অতীতে আওয়ামী সুবিধাভোগী। গত ১৫ বছরে প্রমোশন বঞ্চিত হননি।

    ১১. খোন্দকার আনোয়ার হোসেন (৬৬৭০) – জামায়াত সমর্থক, অতীতে আওয়ামী সুবিধাভোগী।

    ১২. মো. মশিউর রহমান (৬৬৭২) – জামায়াত সমর্থক, আওয়ামী সুবিধাভোগী, উপসচিবের গোয়েন্দা রিপোর্টে জামায়াতপন্থি হওয়ায় প্রথম বার প্রমোশন পাননি।

    ১৩. জামিল আহমেদ (৬৬৭৩) – গোপনে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সমর্থক, আগে আওয়ামী সুবিধাভোগী।

    ১৪. ড. আহমেদ উল্লাহ, এফসিএমএ (৬৬৭৪) – গোপনে রাজনৈতিক দলের সমর্থক।

    ১৫. রাজা মো. আব্দুল হাই (৬৬৭৬) – গোপনে রাজনৈতিক দলের সমর্থক, পরিবার বিএনপিপন্থি, আওয়ামী আমলে প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব।

    ১৬. ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ (৬৬৭৭) – আওয়ামী সুবিধাভোগী, সরাসরি জামায়াত, প্রমোশন দুর্নীতির হোতা।

    ১৭. মো. মোতাহার হোসেন (৬৬৭৯) – পরিপূর্ণ জামায়াত, বর্তমান দুদকের ক্ষমতাধর ডিজি, প্রমোশন পেয়েছেন।

    ১৮. বাবর আলী মীর (৬৬৮০) – পরিপূর্ণ জামায়াত, অতীতে দুর্নীতির অভিযোগে প্রমোশন বঞ্চিত।

    ১৯. ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ (৬৬৮৫) – বিএনপি সমর্থক, পরিবার বিএনপি, প্রমোশন দুর্নীতির হোতা।

    ২০. মো. ইউসুফ আলী (৬৬৯১) – জামায়াত রাজনীতিতে যুক্ত, আওয়ামী সুবিধাভোগী, গত ১৫ বছরে প্রমোশন বঞ্চিত হননি।

    ২১. মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন (৬৬৯২) – পরিপূর্ণ জামায়াত, গত ১৫ বছরে প্রমোশন বঞ্চিত হননি।

    ২২. মো. আবদুল্লাহ হারুন (৬৬৯৩) – পরিপূর্ণ জামায়াত, গত ১৫ বছরে প্রমোশন বঞ্চিত হননি।

    এই পদোন্নতি বিতর্ক প্রশাসনের ভেতরে এবং বাইরে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। কর্মকর্তারা মনে করছেন, শেষ মুহূর্তের তড়িঘড়ি, স্বার্থান্বেষী পদক্ষেপ এবং রাজনৈতিক প্রভাব প্রশাসনের বিশ্বাসযোগ্যতা ও কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

    ২৩. মোহাম্মদ সানাউল হক (৬৭০১) – পরিপূর্ণ জামায়াত, আওয়ামী লীগ সুবিধাভোগী। একবার নিজেই সুপারসিডেড হয়েছিল।

    ২৪. মো. শাওগাতুল আলম (৬৭০২) – পরিপূর্ণ জামায়াত, আওয়ামী সুবিধাভোগী। গত ১৫ বছরে কখনও প্রমোশন বঞ্চিত হননি। আগে বুয়েটের ছাত্রদলের নেতা ছিলেন।

    ২৫. মো. মনিরুজ্জামান মিঞা (৬৭০৩) – প্রকাশ্যে বিএনপি, গোপনে অন্য রাজনৈতিক দলের সমর্থক। প্রমোশন দুর্নীতির মূল কারিগর।

    ২৬. মোহাম্মদ আবুল হাশেম (৬৭০৪) – পরিপূর্ণ জামায়াত, বর্তমানে বিএনপি দাবিদার। গোয়েন্দা রিপোর্টে জামায়াতপন্থি হওয়ায় পদোন্নতি পাননি।

    ২৭. মুঃ জসীম উদ্দিন খান (৬৭০৫) – প্রকাশ্যে বিএনপি সমর্থক, একটি রাজনৈতিক দলের সমর্থক। প্রমোশন দুর্নীতির হোতা।

    ২৮. খোন্দকার মো. নাজমুল হুদা শামিম (৬৭০৬) – পরিপূর্ণ জামায়াত, বর্তমানে বিএনপি দাবিদার। পূর্বে আওয়ামী আমলে প্রমোশন বঞ্চিত ছিলেন।

    ২৯. এমএম আরিফ পাশা (৬৭০৮) – জাসদ সমর্থিত, আওয়ামী সুবিধাভোগী। গত ১৫ বছরে একবার প্রমোশন বঞ্চিত হয়েছেন। ভূমি মন্ত্রণালয়ে দীর্ঘদিন পদায়ন ছিলেন।

    ৩০. মো. নজরুল ইসলাম (৬৭০৯) – বরিশাল অফিসারদের পূর্ণ সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্ত, গোপনে রাজনৈতিক দলের সমর্থক।

    ৩১. মো. মোস্তফা জামান (৬৭১৩) – পরিপূর্ণ জামায়াত।

    ৩২. আলতাফ হোসেন শেখ (৬৭১৫) – পরিপূর্ণ জামায়াত, আওয়ামী সুবিধাভোগী। এটুআই-এ কর্মরত ছিলেন।

    ৩৩. খলিল আহমেদ (৬৭১৮) – বিএনপি সমর্থক, আওয়ামী আমলে প্রমোশন বঞ্চিত।

    ৩৪. কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম (৬৭২০) – গোপনে রাজনৈতিক দলের সমর্থক, আওয়ামী সুবিধাভোগী। প্রমোশন দুর্নীতির মূল কারিগর।

    ৩৫. মুহম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকী (৬৭২২) – পরিপূর্ণ জামায়াত, আওয়ামী আমলে প্রমোশন বঞ্চিত হননি।

    ৩৬. মিজ শামিম সুলতানা (৬৭২৪) – পরিবার বিএনপি, বর্তমানে গোপনে একটি দলের সমর্থক।

    ৩৭. মো. সাইদুর রহমান (৬৭২৫) – পরিপূর্ণ জামায়াত, আওয়ামী সুবিধাভোগী। বিদেশে পিএইচডি। সোবহান শিকদারের একান্ত সচিব।

    ৩৮. মো. নায়েব আলী (৬৭২৬) – জামায়াত, আওয়ামী সুবিধাভোগী, প্রমোশন বঞ্চিত হননি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মরত ছিলেন।

    ৪০. মো. আসাদুজ্জামান (৬৭২৭) – জামায়াত, আওয়ামী সুবিধাভোগী, প্রমোশন বঞ্চিত হননি।

    ৪১. মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন (৬৭৩০) – জামায়াত, আওয়ামী সুবিধাভোগী।

    ৪২. মিজ নাহিদ সুলতানা মল্লিক (৬৭৩৯) – পুরো পরিবার আওয়ামীপন্থি, স্বামী সাবেক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ, আওয়ামী সুবিধাভোগী, গত ১৫ বছরে প্রমোশন বঞ্চিত হননি।

    ৪৩. ড. মো. লুৎফর রহমান (৬৭৪১) – জামায়াত, আওয়ামী সুবিধাভোগী। সিঙ্গাপুরে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

    ৪৪. মো. শফিকুল ইসলাম (৬৭৪২) – জামায়াত, আওয়ামী সুবিধাভোগী।

    ৪৫. মিজ মোসা সুরাইয়া বেগম (৬৭৪৫) – আওয়ামী সুবিধাভোগী, গত ১৫ বছরে প্রমোশন বঞ্চিত হননি। গোপনে একটি রাজনৈতিক দলের সমর্থক।

    ৪৬. মোহাম্মদ আবু নঈম (৬৭৪৯) – বিএনপিমনা, প্রমোশন দুর্নীতির কারিগর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মরত, দীর্ঘদিন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব ছিলেন।

    ৪৭. এসএম হুমায়ুন কবির সরকার (৬৭৫১) – বিএনপি সমর্থক, প্রমোশন দুর্নীতির হোতা। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র থেকে স্বাস্থ্যে বদলি।

    ৪৮. মিজ আলেয়া খাতুন (৬৭৫৬) – জামায়াত, অদক্ষ ও অপদার্থ।

    ৪৯. শিবির বিচিত্র বড়ুয়া (৬৭৬১) – আওয়ামী সুবিধাভোগী, গত ১৫ বছরে কখনও প্রমোশন বঞ্চিত হননি।

    ৫০. মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান (৬৭৬৩) – জামায়াত, আওয়ামী সুবিধাভোগী।

    ৫১. মোহাম্মদ নূরুল্লাহ নূরী (৬৭৬৯) – ছাত্র অবস্থায় শিবির রাজনীতিতে যুক্ত, আওয়ামী সুবিধাভোগী।

    ৫২. আবু ইউসুফ মো. রেজাউর রহমান (৬৭৭১) – নিরপেক্ষ কর্মকর্তা, প্রমোশন বঞ্চিত হননি।

    ৫৩. মো. আনোয়ারুল ইসলাম (৬৭৭৫) – জামায়াত সমর্থক, আওয়ামী সুবিধাভোগী।

    ৫৪. মো. আব্দুর রশিদ (৬৭৭৬) – পরিপূর্ণ জামায়াত সমর্থক, আওয়ামী সুবিধাভোগী।

    ৫৫. মিজ সালমা সিদ্দিকা মাহতাব, এনডিসি (৬৭৭৯) – নব্য জামায়াত সমর্থক, আওয়ামী সুবিধাভোগী।

    ৫৬. আবু সালেহ মো. মহিউদ্দিন খাঁ, এনডিসি (৬৭৮৩) – নব্য জামায়াত, আওয়ামী সুবিধাভোগী।

    ৫৭. মিজ ফেরদৌসী আখতার (৬৭৮৬) – পরিপূর্ণ জামায়াত, আওয়ামী সুবিধাভোগী।

    ৫৮. মিজ দিল আফরোজা (৬৭৮৭) – আওয়ামী সুবিধাভোগী, স্বামী জামায়াত সমর্থক।

    ৫৯. মুহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন (৬৭৯৪) – পরিপূর্ণ জামায়াত, আওয়ামী সুবিধাভোগী।

    ৬০. মোহাম্মদ শামীম সোহেল (৬৭৯৬) – পরিপূর্ণ জামায়াত, আওয়ামী সুবিধাভোগী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবির রাজনীতিতে যুক্ত।

    ৬১. মিজ হাবিবুন নাহার (৬৮০০) – নব্য জামায়াত সমর্থক, আওয়ামী সুবিধাভোগী।

    ৬২. কেএম আলী আযম (৬৮০২) – গোপনে রাজনৈতিক দলের সমর্থক, প্রমোশন বঞ্চিত, ২০২৪ সালের ডিসি নিয়োগে দুর্নীতি।

    ৬৩. মিজ মোসা ফেরদৌসী বেগম (৬৮০৫) – পরিপূর্ণ জামায়াত সমর্থক, অতীতে আওয়ামী সুবিধাভোগী।

    ৬৪. মোহা আব্দুর রফিক (৬৮১০) – বিএনপিপন্থি, পরিপূর্ণ জামায়াত, প্রমোশন বঞ্চিত।

    ৬৫. মিজ তাহমিনা ইয়াসমিন (৬৮১৩) – নব্য জামায়াত সমর্থক, আওয়ামী সুবিধাভোগী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পিএসের ঘনিষ্ঠ।

    ৬৬. ড. সাদিয়া শারমিন (৬৮১৪) – আওয়ামী সুবিধাভোগী, ঘনিষ্ঠরা অভিযোগ করেন টাকা দিয়ে প্রমোশন করিয়েছেন।

    ৬৭. ড. জিন্নাত রেহানা (৬৮১৮) – নব্য জামায়াত, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরিপ্রার্থী, প্রমাণিত আওয়ামী সুবিধাভোগী।

    ৬৮. মিজ শাহীনা ফেরদৌসী (৬৮২১) – জামায়াত, আওয়ামী সুবিধাভোগী।

    ৬৯. ড. রোকসানা তারান্নুম (৬৮২২) – পরিপূর্ণ জামায়াত, গোপনে আওয়ামী সুবিধাভোগী, বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপপ্রাপ্ত।

    ৭০. মিজ রায়না আহমদ (৬৮২৪) – আওয়ামী সুবিধাভোগী, পরিবারের রাজনৈতিক যোগসূত্র বিএনপি।

    ৭১. মিজ শামিমা বেগম (৬৮২৮) – পুরো পরিবার আওয়ামীপন্থি, সম্প্রতি জামায়াত রাজনীতিতে যুক্ত।

    ৭২. মোহাম্মাদ আজাদ ছাল্লাল (৬৮৩৩) – গোপনে জামায়াত সমর্থক, আগে আওয়ামী সুবিধাভোগী, অর্থ বিভাগে দীর্ঘকাল কর্মরত।

    ৭৩. মিজ মোসাম্মাৎ জোহরা খাতুন (৬৮৩৪) – প্রগতিশীল লেখিকা, আওয়ামী সুবিধাভোগী।

    ৭৪. মিজ রাহিমা আক্তার (৬৮৩৫) – আওয়ামী সুবিধাভোগী, ওবায়দুল কাদেরের ঘনিষ্ঠ অফিসার, সিনিয়র সচিব মোখলেছুর রহমানের ঘনিষ্ঠ, বর্তমান মোপাতে কর্মরত।

    ৭৬. মিজ সাহানা (৬৮৪০) – আওয়ামী পরিবার, সুবিধাভোগী, ২০১৬ সালে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ব্লাড ডোনেশন কর্মসূচি দেখিয়ে পদোন্নতি অর্জন। বর্তমানে বিএনপি পরিবারের সদস্য হিসেবে দাবি করছেন।

    ৭৭. মুহাম্মদ আব্দুল হাই আল-মাহমুদ (৬৮৪৬) – পরিপূর্ণ জামায়াত, সদ্য বিদায়ী নির্বাচনে জামায়াতের ক্ষমতাকে আশা করেছিলেন।

    ৭৮. মো. লাল হোসেন (৬৮৫৪) – দুর্নীতিবাজ, জামায়াত রাজনীতিতে যুক্ত, প্রকাশ্যে বিএনপি প্রচার।

    ৭৯. ড. গোলাম আজম (৬৮৫৭) – বিএনপির মন্ত্রীর পিএস ছিলেন, প্রমোশনের জন্য জামায়াতপন্থি হয়েছেন।

    ৮০. এসএম মাসুদুল হক (৬৮৫৯) – ছাত্রজীবনে শিবির রাজনীতি, প্রকাশ্যে বিএনপিমনা, আওয়ামী সুবিধাভোগী।

    ৮১. এএসএম মুস্তাফিজুর রহমান (৬৮৬২) – নব্য জামায়াত, আওয়ামী সুবিধাভোগী, গত ১৫ বছরে প্রমোশন বঞ্চিত হননি।

    ৮২. এসএম শাহীন পারভেজ (৬৮৬৪) – অপরিপক্ব কর্মকর্তা, সুবিধার জন্য রাজনৈতিক রূপ বদল করেছেন, জামায়াত ও আওয়ামী সুবিধাভোগী।

    ৮৩. মিজ নাসরিন জাহান (৬৮৭৩) – নব্য জামায়াত, আওয়ামী সুবিধাভোগী, দীর্ঘদিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মরত।

    ৮৪. মিজ খেনচান (৬৮৮০) – আওয়ামী সুবিধাভোগী, দুর্নীতির কারণে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে তদন্ত হয়েছিল।

    ৮৫. হাসান মাহমুদ (৬৮৮৭) – চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির রাজনীতিতে যুক্ত, বর্তমানে জামায়াত, আওয়ামী সুবিধাভোগী।

    ৮৬. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ আনোয়ার পাশা (৬৮৯২) – আওয়ামী সুবিধাভোগী, বিএনপির মন্ত্রীর পিএস ছিলেন।

    ৮৭. এ কে এম তারেক (৬৯০১) – গোপনে জামায়াতের রাজনীতিতে যুক্ত, প্রকাশ্যে বিএনপি, আওয়ামী সুবিধাভোগী।

    ৮৮. মিজ খাদিজা নাজনীন (৬৯০৭) – আওয়ামী সুবিধাভোগী, জ্বালানি সচিবসহ অনেকের সঙ্গে সুসম্পর্ক, কবিতা লিখেছেন।

    ৮৯. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম (৬৯২৬) – প্রকাশ্যে বিএনপি সমর্থক, পূর্বে প্রমোশন বঞ্চিত।

    সূত্র: শেয়ার বিজ

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    মতামত

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর: ঝুঁকি ও প্রত্যাশা

    ফেব্রুয়ারি 26, 2026
    বাংলাদেশ

    জাতিসংঘে নেতৃত্বের দৌড়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    ফেব্রুয়ারি 26, 2026
    বাংলাদেশ

    দুর্নীতির অভিযোগে বিমানের সিএফও অপসারিত

    ফেব্রুয়ারি 26, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    ইরাকে নতুন আইন নিয়ে উদ্বেগ, শাস্তির ভয় সবার মনে

    আন্তর্জাতিক আগস্ট 4, 2025

    ১১৭ বছরের সকল জমির দলিল এখন অনলাইনে

    বাংলাদেশ নভেম্বর 9, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.