ঈদুল ফিতরের পরপরই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সব ধরনের প্রস্তুতি শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের কোনো অবসর নেই; সংসদ ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাইরেও সারা বছরই স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন নির্বাচন আয়োজন করতে হয়।
আজ রোববার (১ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ‘রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি’ (আরএফইডি) আয়োজিত বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসি মাছউদ বলেন, নির্বাচন কমিশনের কাজ নিরন্তর। ঈদের পর থেকে আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পূর্ণ প্রস্তুতি নেব। তবে এই নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে নাকি নির্দলীয় প্রতীকে— তা নির্ধারণে আমরা সংসদের প্রথম অধিবেশনের জন্য অপেক্ষা করছি। আইন অনুযায়ী একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য কমিশন সব সময় প্রস্তুত থাকবে।
গণমাধ্যমের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, সাংবাদিকরা নির্বাচন কমিশনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। সাংবিধানিকভাবে কমিশন কোনো ভুল করলে আপনারা যেমন সমালোচনা করেন, তেমনি কীভাবে আরো ভালো করা যায় সেই পথও দেখান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সফল হয়েছে এবং সবাই এর প্রশংসা করেছেন। তবে ভালোর কোনো শেষ নেই, আমরা ভবিষ্যতে আরও নিখুঁত নির্বাচন উপহার দিতে চাই।
অনুষ্ঠানে তিনটি ক্যাটাগরিতে তিন জন সেরা রিপোর্টারের হাতে ‘বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড’ তুলে দেওয়া হয়। বিজয়ীরা হলেন- অনলাইন ক্যাটাগরিতে ইকরাম-উদ দৌলা (সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম)। টেলিভিশন ক্যাটাগরিতে কাজী ফরিদ আহমদ (সিনিয়র রিপোর্টার, বৈশাখী টিভি)। পত্রিকা ক্যাটাগরিতে আল আমিন (স্টাফ রিপোর্টার, ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশ)।

