আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, যে একজন প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে আসামিকে জামিন দেওয়ার জন্য ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া ‘শতভাগ প্রশ্নবিদ্ধ’ হয়ে যায়।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “যে কোনো প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠলে ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা ঝুঁকির মুখে পড়ে। আমাদের ইমেজ সংকটের মধ্যে পড়ে। তবে আমি সবসময় বলেছি, আমার কার্যকালে কোনো প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে ন্যূনতমও দুর্নীতির অভিযোগ বরদাশত করা হবে না।”
তিনি আরও জানান, আজ সকালে একটি বৈঠকে সব প্রসিকিউটরকে সতর্ক করেছেন এবং প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অভ্যন্তরীণভাবে একটি কমিটি গঠন করে তদন্ত করা হবে। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে কাজ করতে হলে সম্পূর্ণ নির্লোভ হতে হবে। লোভ ও লালসার ঊর্ধ্বে থাকা অপরিহার্য। যারা তা করতে পারবে না, তাদের এখানে থাকার প্রয়োজন নেই। কেউ চাইলে চলে যেতে পারবেন।”
সাইমুম রেজা তালুকদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “গণমাধ্যমে এমন সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় আমি খুবই ব্যথিত। এমন কোনো অভিযোগ আমাদের প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে উঠার কথা ছিল না। যখন ওঠেছে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। কেন তা আগে করা হয়নি, তা আমরা জানি না। তবে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি। অভিযোগ এলে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করা হবে।”

