Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, মার্চ 12, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » অপ্রশস্ত ও খানাখন্দে বেহাল ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ঈদযাত্রায় শঙ্কা
    বাংলাদেশ

    অপ্রশস্ত ও খানাখন্দে বেহাল ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ঈদযাত্রায় শঙ্কা

    এফ. আর. ইমরানমার্চ 12, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    রাহাদ সুমন, বরিশাল প্রতিবেদক

    কোথাও বিটুমিন উঠে গেছে, কোথাও তৈরি হয়েছে খানাখন্দ। আবার কোথাও সড়ক দেবে গেছে, কোথাও ফুলে উঠেছে। ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে বরিশাল পর্যন্ত অংশ এমনই বেহাল অবস্থায় রয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোর সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগের একমাত্র সড়কপথ এটি। অপ্রশস্ত এ মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন লাখো যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।

    একসময় কুয়াকাটা থেকে বরিশাল হয়ে রাজধানী ঢাকায় যেতে উত্তাল পদ্মা পাড়ি দেওয়া ছাড়াও মোট ১৪টি ফেরি পার হতে হতো দক্ষিণাঞ্চলের মানুষকে। ভোগান্তির সেই ফেরিগুলো আর নেই। পদ্মা নদীতেও হয়েছে স্বপ্নের সেতু। ফলে সড়কপথে রাজধানীর সঙ্গে যোগাযোগ অনেকটা সহজ হলেও বাধা হয়ে রয়েছে ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত অপ্রশস্ত মহাসড়ক।

    পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটা ও পায়রা বন্দরসহ দক্ষিণের ১০ জেলার সঙ্গে যোগাযোগের এই মহাসড়কটির প্রস্থ এখনো ১৮ থেকে সর্বোচ্চ ৩৬ ফুট। অপ্রশস্ত এই সড়কে প্রতিদিন চলাচল করে কয়েক লাখ যানবাহন। সরু সড়কে চলতে গিয়ে প্রায় প্রতিদিনই দুর্ঘটনা ঘটে এবং এতে আহত-নিহত হন বহু মানুষ। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই মহাসড়কটিকে ৬ লেনে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ায় তা আর বাস্তবায়ন হয়নি।

    এবারের ঈদযাত্রায় এ মহাসড়ক দিয়ে ঘরে ফেরা মানুষ দুর্ভোগে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর সেতুর পশ্চিম ঢালে একটি তিন চাকার যান (মাহেন্দ্র) নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন মো. হারুন (৩৫)। খালি পেয়ে যানটিতে চেপে বসেন কয়েকজন যাত্রী।

    চালক বললেন, ‘আপনারা কোথায় যাবেন?’ যাত্রীরা জানালেন, গৌরনদী। চালক সঙ্গে সঙ্গে বললেন, ‘না, গৌরনদী যামু না, রাস্তায় ঝামেলা।’ পরে চালক হারুনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাহিলারা থেকে আশুকাঠী পর্যন্ত মহাসড়কের ডান পাশে বর্ধিতকরণের কাজ চলছে। এমনিতেই ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের এ অংশ অপ্রশস্ত। তার ওপর রমজান ও ঈদ সামনে রেখে যান চলাচল অনেক বেড়েছে। বর্ধিতকরণের জন্য গর্ত করে মাটি তোলায় মহাসড়কের অবস্থা আরও নাজুক হয়ে উঠেছে।

    চালক হারুন বলেন, ‘না ঠেকলে ওই পথে যাই না।’ ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কে বরিশাল থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত দূরত্ব ৯৭ কিলোমিটার। এর মধ্যে মাদারীপুর অংশে রয়েছে ৪৭ কিলোমিটার। মাত্র ২৪ ফুট প্রশস্ত এই সড়কটিতে সারা বছরই অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ থাকে। গত বর্ষা মৌসুমে, বিশেষ করে গত জুলাইয়ে এ অঞ্চলে ভারী বর্ষণ হয়েছিল।

    তখন মহাসড়কের বড় অংশেই তৈরি হয় বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দ। বর্ষাকালে খানাখন্দে ভরা মহাসড়কের বরিশাল অংশে জরুরি মেরামতের আওতায় বালু, পাথর ও পিচ দিয়ে সাময়িক সংস্কার করা হয়েছিল। কিন্তু ছয় মাস ঘুরতে না ঘুরতেই আবার আগের অবস্থায় ফিরে এসেছে অনেক জায়গা। বিশেষ করে বরিশালের কাশীপুর চৌমাথা থেকে বাবুগঞ্জের রহমতপুর বিমানবন্দর পর্যন্ত মহাসড়কের অংশে বড় বড় গর্ত এখন যাত্রী ও চালকদের জন্য বড় ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    এ মহাসড়ক ঘুরে দেখা যায়, কাশীপুর চৌমাথা থেকে বাবুগঞ্জের রহমতপুর পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় খানাখন্দ ও বালুর স্তূপ রয়েছে। কোথাও বিটুমিন উঠে গিয়ে নিচের ইটের সুরকি বের হয়ে আছে। এর মধ্যে বরিশাল নগরের শেষ অংশের গড়িয়ারপাড় থেকে বাবুগঞ্জ উপজেলার শিকারপুর সেতুর পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত একদল শ্রমিক মহাসড়ক বর্ধিতকরণের কাজ করছেন।

    কোথাও খননযন্ত্র দিয়ে মাটি তোলার কাজ চলছে, আবার কোথাও খনন করা অংশে বালু ফেলা হয়েছে। একই অবস্থা গৌরনদীর জয়শ্রী থেকে কাশেমাবাদ পর্যন্ত মহাসড়কের অংশেও। ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কে চলাচলকারী বাসের চালক মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘বরিশালের কাশীপুর চৌমাথা থেকে বাবুগঞ্জের রহমতপুর পর্যন্ত রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। এরপর দুই পাশের বর্ধিতকরণের কাজ করতে গিয়ে গর্ত করে রাখায় এখন রাস্তা আরও সরু হয়ে গেছে। দ্রুতগতির যানবাহন যখন অন্য গাড়িকে অতিক্রম করে তখন মনে হয় এই বুঝি বাস খাদে পড়ে গেল। এমন পরিস্থিতিতে খুবই ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। ঈদের সময় এটি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।’

    পাশাপাশি যেসব স্থানে বড় বড় খানাখন্দ রয়েছে, সেগুলো ঈদের আগেই মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে যান চলাচলে সাময়িক ভোগান্তি ও ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে মাদারীপুরের ভুরঘাটা থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত ঘুরে দেখা গেছে, মহাসড়কে আঁকাবাঁকা অন্তত ৪০টি ঝুঁকিপূর্ণ মোড় রয়েছে।

    ভুরঘাটা থেকে টেকেরহাট পর্যন্ত ২৮ কিলোমিটার অংশের প্রস্থ ৭ দশমিক ৩ মিটার এবং টেকেরহাট সেতু থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশে বাড়িয়ে প্রস্থ ১০ দশমিক ৯৬ মিটার করা হয়েছে। মহাসড়কের তাঁতিবাড়ি থেকে মস্তফাপুর বাসস্ট্যান্ড ও গোলচত্বরে প্রায় দেড় কিলোমিটার অংশে বিভিন্ন স্থানে বিটুমিন উঠে খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। মস্তফাপুর মিলগেট থেকে আমগ্রাম পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার মহাসড়কের দুই পাশে উঁচু-নিচু হয়ে আছে। গর্ত ঢাকতে বিছানো হয়েছে ইট।

    শানেরপাড় থেকে টেকেরহাট পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার অংশ জোড়াতালি দিয়ে সংস্কার করায় সড়কের বিভিন্ন জায়গায় এখনো ভাঙাচোরা অবস্থা রয়েছে। টেকেরহাট গোলচত্বরের আগে-পরে ২০০ মিটার মহাসড়ক বেহাল। এখানেও ইট বিছিয়ে কোনো মতে মেরামত করা হয়েছে। টেকেরহাট থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার অংশের বেশির ভাগ সড়ক ভালো অবস্থায় রয়েছে।

    তবে বরইতলা, বাবনাতলা ও সদরদী এলাকায় প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কে ভাঙাচোরা ও খানাখন্দ রয়েছে। বরিশাল–ঢাকা রুটে চলাচলকারী সাকুরা পরিবহনের চালক ইকবাল হোসেন হাওলাদার বলেন, ‘একদিকে সড়কটি সরু, অন্যদিকে ভাঙাচোরা তো আছেই। তার মধ্যে অবাধে ভ্যান-রিকশা চলাচল করে। এসব কারণে মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমছে না। প্রতিনিয়ত এই সড়কে দুর্ঘটনা লেগেই থাকে। একটি সাধারণ দুর্ঘটনা হলেও পুরো রাস্তা বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ঈদযাত্রায় দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।’

    সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের বরিশাল কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কে যে পরিমাণ যানবাহন চলাচল করে, সেই তুলনায় সড়কটি খুবই অপ্রশস্ত। তহবিলসংকট থাকায় ধাপে ধাপে সড়ক প্রশস্ত করার কাজ করা হচ্ছে। বর্তমানে দুটি গুচ্ছে মোট ১২ কিলোমিটার অংশে বর্ধিতকরণের কাজ চলছে। একটি কাজ আগামী জুনের মধ্যে এবং অন্যটির কাজ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার আশা করা হচ্ছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    সেনা কর্মকর্তাদের মামলা: পুনঃতদন্ত হোক, বিচার হোক সেনা আইনের আওতায়

    মার্চ 12, 2026
    বাংলাদেশ

    ঈদের ফিরতি ট্রেনযাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ১৩ মার্চ

    মার্চ 12, 2026
    অপরাধ

    বিভিন্ন কেমিক্যালে তৈরি দুধ-ঘিতে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

    মার্চ 12, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.