Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, মার্চ 18, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ন্যাশনাল ব্যাংকের অপরিশোধিত ঋণের হার ৭৫ শতাংশে
    ব্যাংক

    ন্যাশনাল ব্যাংকের অপরিশোধিত ঋণের হার ৭৫ শতাংশে

    মনিরুজ্জামানডিসেম্বর 24, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ন্যাশনাল ব্যাংকের অপরিশোধিত বা সমস্যাযুক্ত ঋণের পরিমাণ এখন ৩২,০৩৯ কোটি টাকা, যা ব্যাংকের মোট ঋণের ৭৫.৪৬ শতাংশ। এর মূল কারণ হলো রাজনৈতিকভাবে সংযুক্ত বড় ঋণগ্রহীতাদের ওপর থাকা আদালতের স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এই ঋণগ্রহীতাদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে আদালতের স্থগিতাদেশ থাকার কারণে ব্যাংক এসব ঋণকে খারাপ ঋণ হিসেবে দেখাতে পারেনি। আদালতের স্থগিতাদেশ উঠার পর ঋণগুলোকে ডিফল্ট হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

    ন্যাশনাল ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, খারাপ ঋণের হঠাৎ বৃদ্ধি ব্যাংকের লোন দেওয়ার ভুলের কারণে হয়নি। বরং, আদালতের স্থগিতাদেশের আড়ালে থাকা প্রায় ৯০০০ কোটি টাকার ঋণ শেষ পর্যন্ত ডিফল্ট হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। অনেকে এই ঋণ পেয়েছিলেন প্রভাবশালী ও রাজনৈতিকভাবে সংযুক্ত ব্যবসায়িক গোষ্ঠী হিসেবে। কর্মকর্তারা জানান, গত বছরের আগস্টে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর অনেক বড় ঋণগ্রহীতা আর ঋণ পরিশোধ করেননি।

    ঋণ পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে ব্যাংকের আর্থিক সমস্যা আরও বাড়েছে। ব্যাংক ২০২২ সাল থেকে ক্ষতি রিপোর্ট করছে এবং এখনও তার ব্যালান্স শিট স্থিতিশীল করতে সংগ্রাম করছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি–সেপ্টেম্বর সময়ে ব্যাংকের নিট ক্ষতি দাঁড়িয়েছে ১,৪৫৮ কোটি টাকা, যা গত বছরের একই সময়ে ১,৩৬০ কোটি টাকার তুলনায় বেড়েছে।

    অপরিশোধিত বা সমস্যাযুক্ত ঋণের পরিমাণ বেশি হওয়ার কারণে ব্যাংকের ২৪,২৮২ কোটি টাকার প্রোভিশন ঘাটতি রয়েছে। এর মানে, ব্যাংকের কাছে সম্ভাব্য ঋণ ক্ষতি ঢাকার জন্য পর্যাপ্ত তহবিল নেই। ব্যাংকের মূল আর্থিক কাঠামোও চাপের মুখে। সেপ্টেম্বরে ব্যাংকের মোট ঋণ ও অগ্রিম ছিল ৪২,৪৬১ কোটি টাকা, আর আমানত ৩৪,০৯১ কোটি টাকা। এর মানে ব্যাংক আমানতকারীর তুলনায় অনেক বেশি ঋণ দিয়েছে, যা চাপের সময়ে ঝুঁকিপূর্ণ। আমানতকারীরা ইতোমধ্যেই তহবিল তুলে নিচ্ছেন। একই সময়ে ব্যাংকের আমানত ২,৯০৭ কোটি টাকা কমেছে। ব্যাংক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তহবিল উত্তোলন এখনও উচ্চ, ফলে তরলতা চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

    এই চাপ মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংক গত বছরের অন্তর্বর্তী সরকারের গঠনের পর থেকে ন্যাশনাল ব্যাংককে ৮,৫০০ কোটি টাকা তরলতা সহায়তা দিয়েছে। তবুও ব্যাংক পুরনো আমানত মসৃণভাবে ফেরত দিতে সংগ্রাম করছে। নতুন আমানতকারীরা সম্পূর্ণ টাকা তুলতে পারছেন, পুরনোদের ফেরত দেওয়া হচ্ছে ধাপে ধাপে।

    ন্যাশনাল ব্যাংকের পতন দ্রুততর হয় সিকদার পরিবারের নিয়ন্ত্রণকালে। ওই সময় ঋণ অনিয়ম, দুর্বল ব্যবস্থাপনা এবং ক্রেডিট কার্ড স্ক্যামসহ বিভিন্ন প্রতারণার অভিযোগ ছিল। মে ২০২৪-এ নতুন বোর্ড নিয়ন্ত্রণ নেয়, কিন্তু আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক আবারও বোর্ড পুনর্গঠন করে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক গঠন করে সাত সদস্যের বোর্ড। এর মধ্যে তিনজন শেয়ারহোল্ডার-ডিরেক্টর এবং চারজন স্বাধীন পরিচালক। তিনজন শেয়ারহোল্ডার-ডিরেক্টরের একজন ছিলেন বিএনপি উপ-চেয়ারম্যান আব্দুল আওয়াল মিন্টু, যিনি এখন বোর্ডের চেয়ারম্যান। নেতৃত্ব পরিবর্তন সত্ত্বেও, বছরের পর বছর জমা হওয়া খারাপ ঋণ ব্যাংকের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। জুলাইয়ে ব্যাংক অভিজ্ঞ ব্যাংকার আদিল চৌধুরীকে ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগ দেয়।

    আদিল চৌধুরী জানিয়েছেন, আদালতের স্থগিতাদেশ উঠার পর অপরিশোধিত ঋণের হার বেড়েছে। তিনি বলেন, ব্যাংক বড় ঋণ পুনঃনির্ধারণ এবং নগদ ফেরত পুনরুদ্ধার শুরু করেছে। “আমরা ইতোমধ্যেই ৩,৫০০ কোটি টাকার অপরিশোধিত ঋণ পুনঃনির্ধারণ করেছি, আর ১০,০০০ কোটি টাকা প্রক্রিয়াধীন। তিনি বলেন আমার যোগদানের পর আমরা ৭০০ কোটি টাকার বেশি নগদ পুনরুদ্ধার করেছি।

    তিনি লক্ষ্য জানিয়েছেন, বছরের শেষ পর্যন্ত অপরিশোধিত ঋণের হার ৩০–৪০ শতাংশে আনা হবে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমস্যা গভীর হওয়ায় পুরোপুরি সমাধান হতে সময় লাগবে। ব্যাংক ঋণ কার্যক্রম সীমিত রেখেছে এবং বাণিজ্যিক ঋণ, রেমিট্যান্স, কার্ড ও ছোট-মধ্যম ঋণে মনোযোগ দিচ্ছে।

    তথ্য অনুযায়ী, ন্যাশনাল ব্যাংকের বড় ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে আছে মাইশা গ্রুপ, বেক্সিমকো এলপিজি, এফএমসি গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ, কর্ণফুলী গ্রুপ, ওপেক্স গ্রুপ, ব্রডওয়ে ও প্রকৃতী, নাসা গ্রুপ, সাদ মুসা গ্রুপ ও ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড।

    কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ব্যাংক ডিসেম্বরের মধ্যে প্রায় ১৪,০০০ কোটি টাকা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য রেখেছে। কিছু বড় গ্রাহকের ঋণ পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে, বসুন্ধরা অংশের ঋণ পরিশোধ করেছে, এবং মাইশা গ্রুপের বিদ্যুৎকেন্দ্র বিক্রির মাধ্যমে তহবিল ফেরত আনার পরিকল্পনা চলছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    ব্যাংক

    দল ও পরিবারের প্রভাবমুক্ত হবে ইসলামী ব্যাংক: গভর্নর

    মার্চ 17, 2026
    ব্যাংক

    ইসলামী ব্যাংকের নতুন পরিচালক আব্দুল হামিদ

    মার্চ 17, 2026
    ব্যাংক

    ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক আবদুল জলিলকে অপসারণের কারণ

    মার্চ 17, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.