Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice Fri, Jan 9, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » অপরিশোধিত ঋণ চিহ্নিত: ব্যাংকিং সংস্কারে নতুন আশা
    ব্যাংক

    অপরিশোধিত ঋণ চিহ্নিত: ব্যাংকিং সংস্কারে নতুন আশা

    মনিরুজ্জামানJanuary 8, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক সংস্কার কর্মসূচি দেশের ব্যাংকিং খাতে নতুন দিক নির্দেশনা দেখিয়েছে। এই পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে প্রকৃত অপরিশোধিত ঋণ উদঘাটন, বৈদেশিক মুদ্রা বাজার স্থিতিশীল করা এবং আর্থিক শৃঙ্খলা প্রয়োগ করা। এসব উদ্যোগের ফলে দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় একটি দৃঢ় মাইলফলক তৈরি হয়েছে এবং ভবিষ্যতের নীতি নির্ধারণে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    সংস্কারের কারণে আমানতকারীদের আস্থা ফিরেছে, বাজারে তহবিলের প্রবাহ বাড়েছে এবং মুদ্রাস্ফীতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। যদিও মুদ্রাস্ফীতি প্রত্যাশিত মাত্রায় নেমে আসেনি, তবে এর অতিরিক্ত উত্থান রোধ করা সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে, বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদের ফেরত আনার ক্ষেত্রে এখনও সীমিত অগ্রগতি দেখা গেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অপরিশোধিত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬.৪৪ লাখ কোটি টাকা। এটি মোট ঋণের ৩৬ শতাংশ এবং আগের সরকারের সময়ে প্রকাশিত পরিমাণের তিন গুণ। বিষয়টি স্পষ্টভাবে দেখিয়েছে, পূর্ববর্তী তথ্য প্রায় ধ্বংসাত্মকভাবে অবমূল্যায়িত ছিল। এই সংস্কার কর্মসূচি দেশের অর্থনীতিতে নতুন আশা জাগিয়েছে। ব্যাংক খাতে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি ও আর্থিক শৃঙ্খলার প্রয়োগ ভবিষ্যতে আরও দৃঢ় ও স্থিতিশীল বাজার গঠনে সহায়ক হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংক বিদেশি প্রতিষ্ঠানদের সঙ্গে যৌথভাবে সম্পন্ন সম্পদ মান যাচাই-এর মাধ্যমে বিশাল অপরিশোধিত ঋণ উন্মোচন করেছে। এই মূল্যায়ন কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দুর্বল ব্যাংকগুলোর জন্য সঠিক ব্যবস্থা নিতে সাহায্য করেছে। এক নজিরবিহীন উদ্যোগে, বাংলাদেশ ব্যাংক পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক একীভূত করে নতুন প্রতিষ্ঠান “সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক” গঠন করেছে। এই পাঁচটি ব্যাংকের প্রত্যেকের অপরিশোধিত ঋণের হার ৯০ শতাংশের বেশি ছিল।

    এছাড়া, কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও নয়টি নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো উচ্চ অপরিশোধিত ঋণের কারণে আর স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা চালাতে পারছে না। মার্জার ও বন্ধ করার মোট খরচ অনুমান করা হয়েছে ৭০,০০০ কোটি টাকা, যা মূলত করদাতাদের অর্থ থেকে পূরণ করা হবে। এই অর্থ দিয়ে অতীতের বিশাল দুর্নীতির ফাঁক পূরণ করা হবে, যা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনকালে তৈরি হয়েছিল।”

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে বলেন, “আমরা ইতিমধ্যেই পাঁচটি দুর্বল ব্যাংকের সমস্যা সমাধান শুরু করেছি এবং ৩৫,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছি। তবে আরও কয়েকটি ব্যাংক ঝুঁকিতে রয়েছে। তাদের সমস্যার সমাধান করতে আরও ৩৫,০০০ কোটি টাকার প্রয়োজন, ফলে মোট খরচ দাঁড়াবে প্রায় ৭০,০০০ কোটি টাকার।” তিনি বলেন, “এই বিশাল অর্থ একসাথে সংগ্রহ করা সম্ভব নয়। আমরা এটি বিভিন্ন অর্থবছরে ধাপে ধাপে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছি। এটি একবারে সমাধান নয়, বরং ধাপে ধাপে পুনর্গঠন।”

    এছাড়া গভর্নর উল্লেখ করেন যে, নয়টি নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং আরও ৪-৫টি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার মুখে পড়তে পারে, যদি তারা পুনর্গঠন বা নতুন মূলধন সংগ্রহে ব্যর্থ হয়। তিনি জানান, ‘যে প্রতিষ্ঠানগুলো প্রমাণ করতে পারবে তারা টিকে থাকতে সক্ষম, তাদের সুযোগ দেওয়া হবে। আমরা অদৃশ্য কোনো চমকপ্রদ সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি না। তবে সময়, স্বচ্ছতা এবং আইনের শাসন মেনে আমরা আর্থিক ব্যবস্থায় আস্থা পুনর্গঠন করতে পারব।’

    মানসুর আরও স্বীকার করেন, অপরিশোধিত ঋণের সমস্যা আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুতর। ‘পূর্বে প্রকাশিত অ-নির্ধারিত ঋণের হার ছিল প্রায় ৯%, এখন এটি দাঁড়িয়েছে ৩৬%। আমরা তথ্য নিয়ে খেলব না। জনগণ স্বচ্ছতা পাওয়ার যোগ্য।’ তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্য মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত অ-নির্ধারিত ঋণের হার ১০% পর্যন্ত কমানো। ‘এটি ৪-৫% পর্যন্ত আনা ১০ বছর লাগতে পারে, তবে এটিই টেকসই পথ।’”

    প্রধান আইনগুলোতে সংস্কার, ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রণ: বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি অন্তত ছয়টি আইন প্রণয়ন করেছে, যা দেশের ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করবে। এর মধ্যে রয়েছে:

    • ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধন – ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে।

    • বাংলাদেশ ব্যাংক আইন – কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করতে।

    • ব্যাংক পুনর্গঠন আইন – দুর্বল ব্যাংক কার্যকরভাবে পুনর্গঠনের জন্য।

    • আমানত সুরক্ষা আইন– আমানতকারীদের বিমার সীমা বাড়াতে।

    • সমস্যাজনক সম্পদ পরিচালনার বিধি – অপরিশোধিত ঋণ বা বকেয়া ঋণ সমাধান ও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য।

    • ঋণ আদালত – ঋণ সংক্রান্ত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য।

    এই ছয়টি আইনের মধ্যে দুটি প্রধান আইন, ব্যাংক কোম্পানি আইন এবং বাংলাদেশ ব্যাংক সংক্রান্ত আইন, এখনও সরকারের পর্যালোচনার অপেক্ষায় রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সূত্র অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল  এই আইনগুলো দ্রুত প্রণয়নের জন্য চাপ দিচ্ছে, তবে সরকারের প্রতিক্রিয়া ধীরগতিতে চলছে।

    কিভাবে দুর্নীতি ও প্রশাসনিক ব্যর্থতা পাঁচটি ব্যাংককে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে: ব্যাংক কোম্পানি আইনের চূড়ান্ত খসড়া সংস্কারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গুরুত্ব দিয়েছে প্রভাবশালী ব্যক্তি, পরিবারের সদস্য ও রাজনৈতিক নেতাদের ক্ষমতা সীমিত করা। খসড়া অনুযায়ী:

    • এক পরিবারের বা তাদের সংশ্লিষ্টদের এক ব্যাংকের বোর্ডে উপস্থিতি পাঁচ থেকে দুইতে কমানো।
    • একজন পরিচালকের ধারাবাহিক মেয়াদ ১২ বছর থেকে ৬ বছরে সীমাবদ্ধ করা।

    এই পদক্ষেপ পরিবার ও কিছু বোর্ড সদস্যদের অতিরিক্ত প্রভাব কমিয়ে ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে। গত ১৫–২০ বছরে, বিশেষ করে শেখ হাসিনার শাসনকালে, কিছু কংগ্লোমারেট এবং স্বার্থান্বেষী বোর্ড সদস্যদের দখলে ব্যাংক খাতের অবনতি হয়েছে। এর ফলে ঋণ জালিয়াতি বৃদ্ধি পেয়েছে, অপরিশোধিত ঋণের হার বাড়েছে, এবং সরকারি তহবিল ও জনগণের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, এস আলম গ্রুপ একাধিক ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ করে কোটি কোটি টাকা তুলে নিয়েছিল, যা শেষ পর্যন্ত দেশের বাইরে পাচার হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।”

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও প্রস্তাব করছে:

    • রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বোর্ডে নিয়োগ নিষিদ্ধ করা।
    • বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার সীমা সহজ করা।
    • এক ব্যক্তি একাধিক ব্যাংকে বড় শেয়ার ধরে রাখার সীমা আরোপ করা।
    • সাধারণ ও ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণ বকেয়া রাখা গ্রাহকদের সমানভাবে মোকাবিলা করা।

    পাঁচটি একীভূত ব্যাংকের আমানতকারীদের ফেরত দেওয়ার পদক্ষেপ:

    বাংলাদেশ ব্যাংক আইন ২০২৫-এর খসড়া সংস্কারে প্রধান নিয়োগ, দায়িত্ব এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংককে রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত রাখা এবং স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করা। প্রস্তাবিত খসড়া অনুযায়ী:

    • রাষ্ট্রপতি গভর্নর ও ডেপুটি গভর্নরের নিয়োগ করবেন
    • প্রাথমিকভাবে বোর্ড থেকে সরকারের প্রতিনিধি অপসারণ করা হয়েছিল, তবে চূড়ান্ত খসড়ায় এক জন প্রতিনিধিকে রাখা হয়েছে। বর্তমানে বোর্ডে তিন জন সরকারি প্রতিনিধি রয়েছেন।
    • গভর্নরের পদকে সচিব থেকে মন্ত্রী পর্যায়ের পদে উন্নীত করা হবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যেই ব্যাংক পুনর্গঠন এবং আমানত সুরক্ষা আইন আইন প্রয়োগ করে পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করেছে, যা সমস্যাজনক ব্যাংকগুলোর পুনর্গঠন ও আমানতকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।

    স্থিতিশীলতা ফিরল, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে:

    বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি বিদেশি মুদ্রা বাজার সংস্কার এনেছে। এর মূল উদ্যোগ হলো অধিক নমনীয় বিনিময় হার ব্যবস্থা চালু করা। এর ফলে দেশের মুদ্রা বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। অন্তর্বর্তী সরকার বিদেশি ঋণ পরিশোধ করার পর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এক বছরে রিজার্ভে ৮ বিলিয়ন ডলার যোগ করেছে, যা ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের ১৮.৮ বিলিয়ন ডলার থেকে ২০২৫ সালের ৪ ডিসেম্বর ২৬.৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এটি চার মাসের বেশি আমদানি ঢাকতে যথেষ্ট।

    যেভাবে কিছু ইসলামী ব্যাংক নগদ সংকটের মধ্যেও লভ্যাংশ দিয়েছে:

    নমনীয় বিনিময় হার ব্যবস্থা এবং উদ্দীপক নীতি হার বৃদ্ধির পদক্ষেপ মুদ্রা বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়েছে। টাকার বিনিময় হার ৬ মাস ধরে প্রতি ডলারে ১২২-১২৩ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক নগদ মুদ্রা ছাপা বন্ধ করেছে এবং দুর্বল ব্যাংকগুলোকে একীভূত ও পুনর্গঠনের মাধ্যমে আমানতকারীদের আস্থা ফিরিয়ে দিয়েছে। এর ফলে ব্যাংকের আমানত উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

    এই পদক্ষেপগুলোর ফলে মুদ্রাস্ফীতি ১২ বছরের সর্বোচ্চ ১১.৩৬% (জুলাই ২০২৪) থেকে এক অঙ্কে নেমে এসেছে। খাবারের মূল্যস্ফীতি, যা একসময় ১৪% ছিল, নভেম্বর ২০২৫-এ ৭.৩৬% এ নেমেছে। যদিও এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৬ অর্থবছরের লক্ষ্য ৬.৫% এর উপরে, তবুও মুদ্রানীতি কঠোরকরণ, সরবরাহ ব্যবস্থা হস্তক্ষেপ, বৈশ্বিক পণ্যের স্থিতিশীল দাম এবং স্থিতিশীল বিনিময় হার কে এর মূল কারণ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে, জানিয়েছে সরকারী প্রতিবেদন বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্থা ২০২৫।

    সম্পদ ফেরত পুনরুদ্ধার, জটিল প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি সীমিত:

    বাংলাদেশ ব্যাংক একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করেছে, যা দেশের বাইরে পাচার হওয়া সম্পদ চিহ্নিত, তদন্ত এবং ফেরত আনার দায়িত্বে কাজ করছে। তবে জটিল প্রক্রিয়ার কারণে এ বিষয়ে এখনও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। টাস্ক ফোর্সের মূল কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে:

    • আইনি বাধা দূর করে দ্রুত কার্যক্রম চালানো
    • পুনরুদ্ধারকৃত সম্পদের পরিচালনা
    • আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে তথ্য শেয়ারিং
    • প্রতিষ্ঠানগত ক্ষমতা ও অভ্যন্তরীণ সমন্বয় শক্তিশালী করা

    বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি বিবৃতির অনুযায়ী, বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট যৌথ তদন্ত দল  গঠন করেছে। এদের নেতৃত্ব দিচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন, সঙ্গে আছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল এবং শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর  যৌথ তদন্ত দলে অংশগ্রহণ করছে। এই দলগুলো ১১টি জাতীয় গুরুত্বের মানি লন্ডারিং মামলার ওপর প্রাধান্য দিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে।

    যেভাবে ইসলামী ব্যাংক নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হলো:

    এখন পর্যন্ত, অভিযোগপ্রাপ্তদের সঙ্গে যুক্ত দেশ ও বিদেশে থাকা সম্পদ চিহ্নিত ও সংযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া, বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট ৬,৫০০-এর বেশি সন্দেহজনক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছে এবং ১০০-এর বেশি আর্থিক গোয়েন্দা প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে শেয়ার করেছে।

    টাস্ক ফোর্স অন্যান্য মানি লন্ডারিং মামলার তদন্তের জন্যও আন্তর্জাতিক আইন সংস্থা ও লিগ্যাল ফার্মের সঙ্গে কাজ করছে। বিভিন্ন দেশে আইনি প্রতিনিধি নিয়োগের মাধ্যমে আইনি বাধা অতিক্রম করে সম্পদ পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    টাস্ক ফোর্সের আন্তর্জাতিক সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ:

    • Stolen Asset Recovery (StAR) Initiative
    • US Department of Justice (USDOJ)
    • International Anti-Corruption Coordination Centre (IACCC)
    • International Centre for Asset Recovery (ICAR)

    এদের সহায়তায় প্রযুক্তিগত সমর্থন, আইনি পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ পাওয়া যায়। পাশাপাশি, বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে Mutual Legal Assistance Treaties (MLATs) স্বাক্ষরের মাধ্যমে সীমান্ত পারবর্তী সহযোগিতা জোরদার করার চেষ্টা করছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অপরাধ

    ডিজিটাল বাংলাদেশের আড়ালে আইসিটি খাতে হাজার কোটি টাকার লুটপাট

    January 9, 2026
    আইন আদালত

    গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর নির্ভরযোগ্য পূর্ণাঙ্গ বাংলা পাঠ প্রকাশ

    January 9, 2026
    আন্তর্জাতিক

    আন্তর্জাতিক আইন নয়, মার্কিন শক্তিই চূড়ান্ত নির্ধারক: ট্রাম্প

    January 9, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি August 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত January 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত April 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি August 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.