Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, ফেব্রু. 25, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বাংলাদেশ ব্যাংকের সংস্কার থমকে, দায় যাচ্ছে পরের সরকারের কাঁধে
    ব্যাংক

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সংস্কার থমকে, দায় যাচ্ছে পরের সরকারের কাঁধে

    মনিরুজ্জামানফেব্রুয়ারি 1, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে, কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, দেশের আর্থিক খাতের তদারকি শক্ত করার জন্য জরুরি দুইটি ব্যাংকিং আইন এখনও পাস হয়নি। এই আইনগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন এবং ব্যাংকের মালিকানা ও পরিচালনার নিয়ম নিয়ে।

    ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের পর অন্তর্বর্তী সরকার এই আইনগুলো পাশ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এছাড়া, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)ও বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা বাড়ানোর পক্ষে। তহবিলের ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রোগ্রামের আওতায় আইএমএফ প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছিল সংশোধনী প্রস্তুতিতে।

    কিন্তু এখনও এই দুটি খসড়া আইন অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে আটকা, যদিও কেন্দ্রীয় ব্যাংক মাসখানেক আগে এগুলো জমা দিয়েছিল এবং বারবার জাতীয় নির্বাচনের আগে পাশ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছিল।

    অন্তর্বর্তী সরকার এপর্যন্ত শুধু দুটি ব্যাংকিং আইন পাশ করেছে—ব্যাংক রেজল্যুশন অর্ডিন্যান্স এবং ডিপোজিট ইন্সুরেন্স অর্ডিন্যান্স। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১৯৭২ এবং ব্যাংক কোম্পানি অ্যাক্ট সংশোধনীসহ বাকি খসড়া আইনগুলো এগোয়নি।

    “আইএমএফ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সরকার আইনি, প্রতিষ্ঠানগত ও কার্যক্রমমূলক সংস্কারের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তবে মূল নীতি সিদ্ধান্তগুলি নতুন সরকার নেবে। আইএমএফ সতর্ক করেছে, ব্যাংকিং ও অর্থনৈতিক সংস্কারে বিলম্ব দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ধীর করবে, মূল্যস্ফীতি বাড়াবে এবং আর্থিক ঝুঁকি বৃদ্ধি করবে।

    গত সপ্তাহে একটি অনুষ্ঠান থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ. মনসুর বলেছিলেন, “নির্বাচনের পর আইনগুলো পাশ করা কঠিন হবে।” অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থনৈতিক উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, “সময় কম, তাই কতটা সম্ভব হবে তা স্পষ্ট নয়।”

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডারের সংশোধিত খসড়া প্রায় চার মাস ধরে অর্থ মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। এই সংশোধনী ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রকের স্বায়ত্তশাসন বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে তৈরি। মূল খসড়ায় তিনজন সরকারি কর্মকর্তাকে ব্যাংক বোর্ড থেকে সরানোর প্রস্তাব ছিল, কিন্তু অর্থ মন্ত্রণালয়ের আপত্তির পর একজন কর্মকর্তা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, ব্যাংকের গভর্নরকে মন্ত্রীর সমমানের পদ দেওয়া এবং প্রধান বিচারপতির কাছে শপথ গ্রহণের প্রস্তাব রাখা হয়েছিল। সবকিছু সংশোধনের পরও আইনটি অনুমোদন হয়নি।

    দ্বিতীয় স্থগিত সংস্কার হলো ব্যাংক কোম্পানি আইনের সংশোধনের খসড়া। গত বছর অক্টোবর মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বোর্ড খসড়া অনুমোদন করে অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়। এতে ৪৫টি পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে—যেমন, ব্যাংক বোর্ডের সর্বাধিক পরিচালক সংখ্যা ২০ থেকে ১৫ করা, স্বাধীন পরিচালক সংখ্যা অন্তত অর্ধেক করা, এবং স্বাধীন পরিচালককে বিশেষজ্ঞ প্যানেলের নির্বাচিত প্রার্থীর মধ্যে থেকে নিয়োগ দেওয়া। এছাড়া মালিকানার ঘনত্ব সীমিত করার প্রস্তাব রয়েছে—একজন ব্যক্তি, পরিবার বা প্রতিষ্ঠান একাধিক ব্যাংকে ৫ শতাংশের বেশি অংশ রাখতে পারবে না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, এ আইনগুলো প্রাইভেট ও রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের পরিচালন মান উন্নত করবে এবং তদারকি শক্ত করবে।

    তবে, প্রাইভেট ব্যাংকের মালিকরা এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছেন। ব্যাংক সমিতি (বিএবি) এটি নিয়ে সরকারি মন্ত্রণালয়ে লিখিত আপত্তি জানিয়েছে, বিশেষ করে মালিকানা সীমাবদ্ধতা সংক্রান্ত বিষয়ে।

    সাবেক বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলছেন, “এই বিলম্ব বোঝানো কঠিন, কারণ খসড়া আইনগুলো বিস্তৃত আলোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।” তিনি মনে করেন, বিলম্ব মূলত নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিরোধের কারণে, নীতিগত নয়। অর্থাৎ, অর্থ মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বোর্ডে প্রভাব কমানোর বিষয়টাই মূল।

    ড. জাহিদ হোসেন আরো বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন শুধু আর্থিক নয়, এটি প্রশাসনিক ও ব্যবসায়িক প্রভাব থেকেও মুক্ত হওয়া উচিত। আইনগুলো এখন পাশ করলে প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক পক্ষের অবস্থান পরিষ্কার হবে, বিলম্ব করলে দায়িত্ব পরবর্তী সরকারের ওপর চলে যাবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    ব্যাংক

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হচ্ছেন মোস্তাকুর রহমান

    ফেব্রুয়ারি 25, 2026
    ব্যাংক

    যুক্তরাজ্যে বাড়ছে বাংলাদেশি ব্যাংকের চাহিদা

    ফেব্রুয়ারি 25, 2026
    ব্যাংক

    মিডল্যান্ড ব্যাংকের নতুন এমডি ও সিইও ইমতিয়াজ আহমেদ

    ফেব্রুয়ারি 25, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    ইরাকে নতুন আইন নিয়ে উদ্বেগ, শাস্তির ভয় সবার মনে

    আন্তর্জাতিক আগস্ট 4, 2025

    ১১৭ বছরের সকল জমির দলিল এখন অনলাইনে

    বাংলাদেশ নভেম্বর 9, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.