দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ঊর্ধ্বমুখী। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, মোট রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংক-এর মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে নিলামের মাধ্যমে ডলার কিনে রিজার্ভ শক্তিশালী করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বেড়েছে, যা বাজারে ডলারের সরবরাহ বাড়াতে সহায়তা করেছে।
চলতি ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩১৭ কোটি ডলার। এটি দেশের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ মাসিক প্রবাসী আয়। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ২১৮ কোটি ডলার। সে হিসাবে এক বছরে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৪৫ দশমিক ৪১ শতাংশ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, রেমিট্যান্স বাড়ায় ব্যাংকগুলোতে ডলারের জোগানও বেড়েছে। বাজারে ডলারের দর স্থিতিশীল রাখতে নিলামের মাধ্যমে ডলার সংগ্রহ করা হচ্ছে। এতে একদিকে রিজার্ভ বাড়ছে, অন্যদিকে ডলারের দরও অস্বাভাবিকভাবে কমে যাচ্ছে না।
সামগ্রিকভাবে, প্রবাসী আয়ের জোরে বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার শক্ত হচ্ছে। নিলামভিত্তিক ডলার ক্রয়ের কৌশল বাজার ও রিজার্ভ—দুই ক্ষেত্রেই ভারসাম্য রাখছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

