গত সপ্তাহে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির শেয়ারদর ১২.২৮ শতাংশ কমেছে। সপ্তাহের শেষের অবস্থায় শেয়ার প্রতি দর দাঁড়িয়েছে ৪৫ টাকা ৭০ পয়সা, যা আগের সপ্তাহের ৫২ টাকা ১০ পয়সা থেকে হ্রাস পায়। এতে ব্যাংকটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে উঠে এসেছে। ডিএসইর সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জানা গেছে, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সমাপ্ত হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি–সেপ্টেম্বর) ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ছিল ৬২ পয়সা। এটি আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ১ টাকা ৬৬ পয়সা ছিল। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৪ টাকা ৪৮ পয়সা।
গত কয়েক বছর ব্যাংকের লভ্যাংশ ও ইপিএসের চিত্রও মিলেছে নিম্নরূপ:
- ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪: কোনো লভ্যাংশ দেওয়া হয়নি। ইপিএস ৬৮ পয়সা, এনএভিপিএস ৪৪ টাকা ৩৬ পয়সা।
- ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩: ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ। ইপিএস ৩ টাকা ৯৫ পয়সা, এনএভিপিএস ৪৫ টাকা ২৪ পয়সা।
- ৩১ ডিসেম্বর ২০২২: ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ। ইপিএস ৩ টাকা ৮৩ পয়সা, এনএভিপিএস ৪৩ টাকা ২১ পয়সা।
ইসলামী ব্যাংকের সর্বশেষ সার্ভিল্যান্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এ’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’। এটি নিরীক্ষিত ও অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের ভিত্তিতে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল) দ্বারা নির্ধারণ করা হয়েছে।
১৯৮৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এই ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি টাকা, পরিশোধিত মূলধন ১,৬০৯ কোটি ৯৯ লাখ ১০ হাজার টাকা। ব্যাংকের রিজার্ভ ৫,৫৩১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৬০ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার ৬৬৮।
এর মধ্যে ০.১৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৭৫.০৯ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৭.৮৯ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৬.৮৪ শতাংশ।

