যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরের অপেক্ষায় থাকা বাণিজ্য চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের শুল্ক আরও কমতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাণিজ্য এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
রোববার সচিবালয়ে বেসাময়িক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়–সংক্রান্ত সমসাময়িক ইস্যুতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। উপদেষ্টা জানান, আগামী সোমবার বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে।
শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানির ওপর আগে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল। আলোচনার মাধ্যমে সেটি ২০ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। তাঁর মতে, চুক্তির শর্তাবলী প্রকাশ না হলে শুল্ক আরও কমানোর সুযোগ ছিল। তিনি বলেন, এ কারণে বাংলাদেশ বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে। বাংলাদেশই একমাত্র দেশ, যাদের সঙ্গে হওয়া চুক্তির শর্ত বিশ্বব্যাপী প্রকাশ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ৯ ফেব্রুয়ারি যে চুক্তি স্বাক্ষর হবে, সেখানে শুল্ক আরও কতটা কমানো যায়, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে। এই মুহূর্তে সুনির্দিষ্ট হার জানানো সম্ভব নয়। আলোচনার ফলাফলের ভিত্তিতেই বিষয়টি নির্ধারিত হবে।
উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেন, সরকারের লক্ষ্য সামগ্রিকভাবে সব পণ্যের শুল্ক কমানো নয়। বরং বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক খাতে যেন শুল্ক শূন্যে নামিয়ে আনা যায়, সে দিকেই মূল জোর দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি সম্ভাবনা উল্লেখ করে শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, এই বাজারে প্রায় এক লাখ কোটি টাকার রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। ভবিষ্যতে এই পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সম্ভাবনাগুলো বাস্তবায়নে সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে বলে তিনি জানান।

