পুলিশ সদস্যদের পদোন্নতিসহ নানা বিষয়ে অপ্রয়োজনীয় তদবির বন্ধে কড়াকড়ি আরোপ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে সম্প্রতি জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেন বিভাগের উপসচিব মো. মাহবুবুর রহমান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশের কিছু সদস্য কর্মস্থল ত্যাগ করে নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই মন্ত্রণালয়ে এসে তদবির করছেন। এতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিব্রত হচ্ছেন, আর সরকারি কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে। এমন আচরণ নিরুৎসাহিত করতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়।
বলা হয়, পুলিশ সদর দফতর থেকে বিভিন্ন বিষয়ে চূড়ান্ত সময়ের মধ্যে পত্র পাঠানো হয়। তবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নানা উপায়ে যোগাযোগ করে থাকেন। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণে জটিলতা দেখা দেয়। আবার অনেক ক্ষেত্রে প্রস্তাব অসম্পূর্ণ থাকে। এমনকি কখনও কখনও মন্ত্রণালয়কে এড়িয়ে সরাসরি অন্য মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এ ধরনের কাজের ফলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কার্যক্রম পরিচালনায় সমস্যায় পড়ে। এসব অনিয়ম রোধে সাত দফা নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
নির্দেশনাগুলো হলো:
- নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করা যাবে না
- পদোন্নতি বা অন্যান্য বিষয়ে অপ্রয়োজনীয় তদবির থেকে বিরত থাকতে হবে
- সময়মতো পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব পাঠাতে হবে
- বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যথাযথভাবে যাচাই করে পাঠাতে হবে
- চিকিৎসাজনিত বিদেশ ভ্রমণে মেডিকেল বোর্ডের প্রত্যয়ন ও চিকিৎসা প্রতিবেদন যাচাই করে পাঠাতে হবে
- আন্তঃমন্ত্রণালয় যোগাযোগ ও চিঠিপত্রে ‘রুলস অব বিজনেস’ মেনে চলতে হবে
- প্রতিটি কর্মকর্তা তার জেমস আইডিতে নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ করবেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে নির্দেশনাগুলো দ্রুত ও কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে।

