ভুল ট্রেনে উঠে পড়ার পর তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া তিন যুবক আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গত শুক্রবার (২৫ জুলাই) দিবাগত রাতে টাঙ্গাইল শহরের ঘারিন্দা রেলস্টেশন এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে।
গত শনিবার (২৬ জুলাই) রাতে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজ উদ্দিন ফরাজী ও রুমেলিয়া সিরাজামের আদালতে পৃথকভাবে জবানবন্দি দেন তিন আসামি। রাত ৯টার দিকে জবানবন্দি গ্রহণ শেষে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ধর্ষণের শিকার তরুণী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার বাসিন্দা। তিনি পেশায় গৃহকর্মী।
রেলওয়ে পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে ওই নারী ভুল করে ঢাকা-ব্রাহ্মণবাড়িয়াগামী ট্রেনের পরিবর্তে উত্তরবঙ্গগামী চিত্রা এক্সপ্রেসে উঠে পড়েন। পরে টাঙ্গাইল স্টেশনে নেমে জানতে পারেন তিনি ভুল ট্রেনে উঠেছেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে স্টেশনে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাকে জানান, যমুনা সেতু পূর্ব ইব্রাহিমবাদ স্টেশন থেকে ঢাকাগামী ট্রেন ধরতে হবে। তারা তাকে ট্রেনে তুলে দেন। তবে ট্রেন চলার সময় তিন যুবক কৌশলে তাকে নামিয়ে পাশের একটি বাগানে নিয়ে যান এবং সেখানে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন। এরপর রূপ মিয়ার বাড়িতে নিয়ে গিয়েও তাকে পুনরায় ধর্ষণ করা হয়।
গতকাল শনিবার সকালে ওই তরুণী টাঙ্গাইল রেলস্টেশনে এসে পুরো ঘটনার বিস্তারিত জানালে রেলওয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করে এবং পরে তাদের টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করে। আটক ব্যক্তিরা হলেন ঘারিন্দা এলাকার সজীব, দুলাল ও রূপ মিয়া। এদের মধ্যে রূপ মিয়া একজন সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক।

