ভোলায় একটি পিস্তল ও বিপুল দেশীয় অস্ত্রসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে কোস্টগার্ড। কোস্টগার্ডের দাবি, তাঁরা সক্রিয় ডাকাত দলের সদস্য। আজ রোববার (২৭ জুলাই) সকালে কোস্টগার্ড ভোলা দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এই তথ্য জানান।
তিনি জানান, শুক্রবার (২৫ জুলাই) বিকেল ও শনিবার (২৬ জুলাই) সকালে ভোলা সদর উপজেলার তুলাতুলী ঘাট এবং দৌলতখান উপজেলার চরবৈরাগী এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—সুজন (৩৫), মো. জাকির (৪৮), মো. সোহাগ (২৪), মো. আল আমিন (৪০), মো. শাহ আলী (৬০), মো. হানিফ ফরাজী (৬১), মো. শামসুদ্দিন (৪৮) ও আব্দুল হক (৫৬)। তাঁরা ভোলা সদর ও চরফ্যাশন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
কোস্টগার্ড জানিয়েছে, ওই ডাকাত দল দীর্ঘদিন ধরে দৌলতখান উপজেলার চরবৈরাগীসহ আশপাশের চরাঞ্চলে ত্রাস ছড়াচ্ছিল। তারা স্থানীয় জেলে ও বাসিন্দাদের জিম্মি করে চাঁদাবাজি, জমি দখলসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিল। এ বিষয়ে তথ্য পেয়ে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলী ঘাট এলাকায় অভিযান চালায় কোস্টগার্ড। স্থানীয়দের সহায়তায় সেখান থেকে একটি পিস্তলসহ তিনজন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ভোর ৫টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত দৌলতখানের চরবৈরাগী এলাকায় আরও একটি অভিযান চালানো হয়। স্থানীয়দের সহায়তায় সেখানে সাতটি দেশীয় অস্ত্রসহ আরও পাঁচ ডাকাতকে আটক করা হয়। লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক জানান, জব্দকৃত অস্ত্র ও গ্রেপ্তার ডাকাতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ভোলা সদর ও দৌলতখান থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
তবে ভোলা সদর মডেল থানার ওসি আবু শাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ দুপুর ১১টার দিকে বলেন, এখনো আটক ডাকাতদের থানায় হস্তান্তর করা হয়নি। অন্যদিকে দৌলতখান থানার ওসি মো. জিল্লুর রহমান জানান, কোস্টগার্ড তিনজন ডাকাত সদস্যকে তাঁদের থানায় হস্তান্তর করেছে।

