জাতীয় সংসদ নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই নির্বাচনী মাঠে গতি পাচ্ছে প্রশাসনিক রদবদল। নির্বাচন কমিশন এবার একসঙ্গে ৭১ জন কর্মকর্তাকে বদলির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রোববার (২৭ জুলাই) এ সংক্রান্ত একটি সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হয়, যা স্বাক্ষর করেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সহকারী সচিব মোহাম্মদ শহীদুর রহমান।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বদলি হওয়া কর্মকর্তারা ৩ আগস্টের মধ্যে নিজেদের বর্তমান দায়িত্ব থেকে অবমুক্ত হবেন। কেউ যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্ব না ছাড়েন, তবে ৪ আগস্ট থেকেই তাদের নতুন পদে কার্যকর ধরা হবে।
বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের অধিকাংশই উপজেলা বা থানার নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছিলেন। এই পদগুলো নির্বাচনকালীন সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ভোটার তালিকা সংশোধন, ব্যালট সরবরাহ, ভোটগ্রহণ—সব কিছুতেই এসব কর্মকর্তার ভূমিকা থাকে কেন্দ্রীয়।
এছাড়াও প্রজ্ঞাপনে আরও দুই কর্মকর্তার দপ্তর বদলের কথা জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক মো. মোশাররফ হোসেনকে আনা হয়েছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে, যেখানে তিনি এখন সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদিকে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাইয়েদা সাদিকা সুলতানাকে বদলি করে দেওয়া হয়েছে প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে, সহকারী পরিচালক হিসেবে।
এই রদবদলকে অনেকেই দেখছেন নির্বাচনকে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করতে কমিশনের একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়ও বইতে শুরু করেছে।

