জাতীয় পার্টির ভেতরে চলমান টানাপড়েন নতুন এক মোড় নিলো। দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের সাংগঠনিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করে দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। এই সিদ্ধান্তে জাপার নেতৃত্ব নিয়ে তৈরি হলো নতুন করে অনিশ্চয়তা।
সাবেক মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুসহ দলটির আরও ৯ জন সাবেক সিনিয়র নেতার দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেওয়া হয়। মামলার বাদীপক্ষ আদালতের কাছে দাবি জানায়, জি এম কাদের যেন চেয়ারম্যান হিসেবে আর কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম চালাতে না পারেন।
ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম গতকাল (৩০ জুলাই) শুনানি শেষে জি এম কাদেরের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন, যা আগামী ৩ আগস্ট পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী আব্দুল বারী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, গত ২৭ জুলাই আদালতে এ বিষয়ে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক তখন আদেশ সংরক্ষিত রাখেন এবং একদিন পরেই নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ দেন।
এই আদেশ জাতীয় পার্টির ভবিষ্যৎ রাজনীতির গতিপথে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই। কারণ এর আগে থেকেই দলের ভেতরে নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব, পদত্যাগ আর অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছিল। মুজিবুল হক চুন্নুর পদত্যাগ এবং নেতাদের বিদ্রোহী মনোভাব ইতোমধ্যে দলের ঐক্যে বড় ধাক্কা দিয়েছে।
এখন দেখার বিষয়—৩ আগস্ট পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয় এবং তার প্রভাব কেমন পড়ে জাপার নেতৃত্ব কাঠামোর ওপর।

