কুয়েতে এটিএম জালিয়াতির ঘটনায় বাংলাদেশি নাগরিক রাজু এবং দুই পাকিস্তানিকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আটক রাজু বাংলাদেশের নাগরিক হলেও তিনি স্থানীয়ভাবে কর্মরত ছিলেন আল-জাজিরা ইন্টারন্যাশনাল জেনারেল ট্রেডিং কোম্পানিতে। অপর দুই পাকিস্তানি কাজ করতেন মির্জা জেনারেল ট্রেডিং কোম্পানিতে।
গত সোমবার কুয়েতের স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, রাজু পাকিস্তানি দুই নাগরিকের সঙ্গে সমন্বয় করে সংঘবদ্ধভাবে এই প্রতারণায় জড়িত ছিলেন। প্রবাসী অধ্যুষিত জিলিব আল-শুয়েখ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই সময় তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় পাঁচ হাজার কুয়েতি দিনার, অবৈধভাবে টাকা পাঠানোর স্লিপ, একাধিক মোবাইল ফোন, ব্যাংক কার্ড ও বেশ কিছু সিম।
প্রাথমিক সন্দেহভাজন হিসেবে বায়োমেট্রিক সিস্টেমের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজুকে শনাক্ত করে গোয়েন্দারা। পরে বুথে থাকা নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজ এবং রাজুর ফিঙ্গারপ্রিন্ট মিলিয়ে তার সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করা হয়।
তদন্তে জানা গেছে, এই চক্রটি কুয়েতি নাগরিক ও প্রবাসীদের লক্ষ্য করে কার্ডলেস এটিএম প্রতারণার মাধ্যমে বুথ থেকে টাকা তুলে নিত। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুসন্ধানে আরও বেরিয়ে এসেছে—এই জালিয়াতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচালিত একটি সিন্ডিকেটের অংশ, যার মূল ঘাঁটি পাকিস্তানে।

