রাজধানীর ভূমি ও সম্পত্তি পরিচালনায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এখন কঠোর নজরদারি শুরু করেছে। ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এর আয়-ব্যয়ের হিসাব বিশেষ করে প্লট ও ফ্ল্যাট হস্তান্তর ও বরাদ্দ সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম পর্যালোচনা করার জন্য অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা পরিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ (রবিবার, ১০ আগস্ট) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা পরিদপ্তরের পরিচালককে আনুষ্ঠানিক চিঠির মাধ্যমে এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয়ের বাজেট ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্ত এবং অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা পরিদপ্তরের নিয়ম অনুসারে জনস্বার্থে এ নিরীক্ষা কার্যক্রম সম্পাদন করতে হবে।
নিরীক্ষার লক্ষ্য ও পরিধি সম্পর্কে জানানো হয়েছে, অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা পরিদপ্তরকে স্বাধীন ও স্বচ্ছভাবে নিরীক্ষার পরিকল্পনা তৈরি করে তা বাস্তবায়ন করতে হবে। পাশাপাশি রাজউকের আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধি-নিষেধের সঙ্গতিপূর্ণভাবে কাজ চালাতে হবে।
নিরীক্ষা শুরু করার আগে গঠিত নিরীক্ষা টিমের সদস্যদের বিস্তারিত তথ্য যেমন নাম, পদবী, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো বাধ্যতামূলক। এছাড়া নিরীক্ষার সময় রাজউককে যথাযথভাবে অবহিত রাখতেও বলা হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, নিরীক্ষা কাজ তিন মাসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে এবং শেষে অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা পরিদপ্তরকে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর জমা দিতে হবে। এই নির্দেশনায় মন্ত্রণালয়ের উচ্চতম কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে।
রাজউকের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে এই নিরীক্ষাকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, এর মাধ্যমে রাজধানীর জমি-বিষয়ক যাবতীয় কার্যক্রমে গোপনীয়তা ও অনিয়মের অভিযোগ দূর হবে এবং নাগরিকদের অধিকার সুরক্ষিত থাকবে।

