সরকার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ ৩০ বছর থেকে কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নারী বন্দীদের জন্য কারাবাসের মেয়াদ হতে পারে ২০ বছর। পুরুষদের ক্ষেত্রে সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। মূল লক্ষ্য বয়স্ক ও অসুস্থ বন্দীদের মুক্তির ব্যবস্থা করা।
আজ রোববার সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। উপদেষ্টা জানান, “আমরা চাইছিলাম যাবজ্জীবন ৩০ বছর, সেটা কমিয়ে কত করা যায়। যুক্তিযুক্ত একটি সীমা নির্ধারণ করা হচ্ছে যাতে বয়স্করা মুক্তি পেতে পারে।” তবে সঠিক বয়স সীমা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তিনি বলেন, “আলোচনার ভিত্তিতে মেয়েদের জন্য হয়তো ২০ বছর নির্ধারণ করা হবে। পুরুষদের জন্য হয়তো কিছুটা বেশি।”
সাজার মেয়াদ কমানোর ক্ষেত্রে অপরাধীর বয়স, অপরাধের ধরন ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করা হবে। উপদেষ্টা উদাহরণ দিয়ে বলেন, “যদি কেউ ১৮ বছর বয়সে অপরাধ করে, ২০ বছর পর ছাড়া পেলে বয়স ৩৮ হবে। তখন আবার অপরাধের সম্ভাবনা থাকতে পারে। সেজন্য বিষয়গুলো বিচারবোধের সঙ্গে দেখা হবে। তবে মেয়েদের ক্ষেত্রে আমরা কিছুটা বেশি লিবারেল।” তিনি আরও বলেন, “কারাগারে অনেক সমস্যা আছে। সংস্কারের প্রয়োজন আছে। বাজেট সীমিত। বয়স্ক ও অসুস্থ বন্দীদের ওষুধের জন্য অতিরিক্ত খরচ প্রয়োজন।

