বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন বহালের দাবিতে হাইকোর্টে দুটি রিট দায়ের হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চে এসব রিটের শুনানি তালিকাভুক্ত রয়েছে।
একটি রিট করেছেন বাগেরহাট প্রেসক্লাব ও জেলা আইনজীবী সমিতির পক্ষে শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন। অন্যটি করেছেন চিতলমারী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুজিবর রহমান শামীম। রিটে বিবাদী করা হয়েছে বাংলাদেশ সরকার, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব ও অ্যাটর্নি জেনারেলকে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ জুলাই নির্বাচন কমিশন প্রাথমিকভাবে বাগেরহাটের চার আসন থেকে একটি কমিয়ে তিনটি করার প্রস্তাব দেয়। ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি গড়ে তোলে। এরপর হরতাল ও অবরোধসহ নানা কর্মসূচি পালন করে তারা।
গত ৪ সেপ্টেম্বর ইসি চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে। এতে বাগেরহাটকে তিন আসনে ভাগ করা হয়। তবে আগের প্রস্তাবের তুলনায় সীমানায় কিছু পরিবর্তন আনা হয়। এরপর থেকেই সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের অভিযোগ, আসন কমানো গণমানুষের দাবি উপেক্ষা করেছে।
চূড়ান্ত গেজেট অনুযায়ী, বাগেরহাট-১ গঠিত হয়েছে সদর, চিতলমারী ও মোল্লাহাট নিয়ে। বাগেরহাট-২ গঠিত হয়েছে ফকিরহাট, রামপাল ও মোংলা নিয়ে। আর বাগেরহাট-৩ গঠিত হয়েছে কচুয়া, মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা নিয়ে।
এর আগে ১৯৬৯ সাল থেকে বাগেরহাটে চার আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। তখন বাগেরহাট-১ ছিল চিতলমারী-মোল্লাহাট-ফকিরহাট, বাগেরহাট-২ ছিল সদর-কচুয়া, বাগেরহাট-৩ ছিল রামপাল-মোংলা এবং বাগেরহাট-৪ ছিল মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা।

