Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice Thu, Jan 15, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » রাজসাক্ষীর শাস্তি কি ন্যায়বিচারকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে?
    আইন আদালত

    রাজসাক্ষীর শাস্তি কি ন্যায়বিচারকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে?

    মনিরুজ্জামানNovember 22, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-১ সম্প্রতি প্রথম রায় ঘোষণা করেছে। রায়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের মৃত্যুদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।

    একই মামলায় আরেক অভিযুক্ত, সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে আইসিটি আইন, ১৯৭৩ অনুযায়ী রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হিসেবে বিবেচনা করা হলেও দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর মাত্র পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত দেশে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই শহীদদের পরিবারের সদস্যরা পাঁচ বছরের কারাদণ্ড মেনে নিতে পারেননি। তারা দাবি করেছেন, আব্দুল্লাহ আল মামুনকে কমপক্ষে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া উচিত ছিল। অন্যদিকে আইনাঙ্গনের একাংশের মনে হয়, আইনি প্রক্রিয়ার নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হিসেবে তাকে খালাস দেয়া সম্ভব ছিল।

    আইসিটি আইনের ১৫ ধারায় ‘অ্যাপ্রুভার’ বা ‘অনুমোদনকারী’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। তবে আইনের কোথাও এর সংজ্ঞা নেই। ধারার মূল অংশেও শব্দটি নেই; এটি কেবল শিরোনাম বা প্রান্তিক নোটে উল্লেখ করা হয়েছে। দেশে প্রচলিত ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি (সিআরপিসি)তেও ‘অ্যাপ্রুভার’ শব্দটির কোনো উল্লেখ বা সংজ্ঞা পাওয়া যায় না। সাধারণভাবে, অ্যাপ্রুভার বা রাজসাক্ষী বলতে বোঝায় এমন একজনকে, যিনি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো অপরাধে জড়িত, কিন্তু ক্ষমা পাওয়ার শর্তে তার নিজের দোষ স্বীকার করে অপর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ ও সত্য সাক্ষ্য দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এমন ব্যক্তি প্রতিজ্ঞা করেন, অপরাধ সম্পর্কে তার যতটুকু জানা আছে, সবই সততার সঙ্গে প্রকাশ করবেন। তিনি অকুণ্ঠভাবে অন্য অপরাধীদের সম্পর্কেও তথ্য দিবেন।

    আইনানুসারে, বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই ধরনের ব্যক্তিকে আটক রাখা হয়। সাধারণত গুরুতর ও জটিল অপরাধে প্রমাণের অভাবের কারণে বিচার স্থগিত না হওয়ার জন্য এই ধরনের বিধান রাখা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭, ৩৩৮ ও ৩৩৯ ধারায় রাজসাক্ষীর পরিচয়, ক্ষমা প্রক্রিয়া ও বিচার পদ্ধতি নির্ধারিত। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ১৫ ধারায় ‘অ্যাপ্রুভার’ সংক্রান্ত বিধান রাখা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে বিচার শেষে ক্ষমা প্রদানের ক্ষেত্রে সবসময় শর্তগুলো স্পষ্টভাবে জানাতে হয়। সাবেক পুলিশপ্রধান চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন আইসিটি আইনের অধীনে অ্যাপ্রুভার হিসেবে প্রথম ব্যক্তি। সম্ভবত এ কারণেই তাকে পাঁচ বছরের সাজা দেয়ার বিষয়টি বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

    পত্রপত্রিকার প্রতিবেদনে জানা গেছে, অভিযোগ শুনানির সময় ট্রাইব্যুনাল চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তিনি দোষী নাকি নির্দোষ। সেই মুহূর্তে তিনি স্বীকার করেছেন, “আমি দোষ স্বীকার করছি। আমি মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত সব ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও সত্য বিবরণ প্রকাশ করতে ইচ্ছুক।” ফলে ট্রাইব্যুনাল তার আবেদন মঞ্জুর করেন ও তাকে মামলার একজন অ্যাপ্রুভার হিসেবে গণ্য করেন। এরপর থেকে তিনি রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। এ পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন উঠেছে—মামলার অভিযুক্ত একজন রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীকে কি শাস্তি দেওয়া উচিত নাকি শর্ত পূরণ করলে খালাস দেওয়া যায়।

    গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর আগেই বলেছেন যে রাজসাক্ষী চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের ভাগ্য পুরোপুরি ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার। ট্রাইব্যুনাল চাইলে তাকে ক্ষমা করতে পারে; যদি তার সাক্ষ্যের মাধ্যমে অপরাধের পূর্ণ ও সত্য প্রকাশ হয় বা ট্রাইব্যুনাল অন্য কোনো আদেশ দিতে চায়। আইসিটি আইনে ক্ষমার শর্তগুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। অ্যাপ্রুভারের সাক্ষ্য অবশ্যই:

    ১. পরিপূর্ণ হতে হবে, আংশিক নয়,
    ২. সত্য হতে হবে, বানোয়াট নয়,
    ৩. ঘটনার সম্পূর্ণ বিবরণ প্রকাশ করতে হবে।

    মামলায় ট্রাইব্যুনাল রায় দিয়েছেন, সাক্ষী হিসেবে সাবেক আইজিপির ভূমিকা, অবদান, স্বীকারোক্তি ও সহযোগিতা সাজা নির্ধারণে বিবেচনা করা হয়েছে। এ থেকেই বোঝা যায়, তিনি শর্তগুলো পূরণ করেছেন। ফলে তাকে সহ-অভিযুক্তদের তুলনায় কম শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তবে, ট্রাইব্যুনাল একইসঙ্গে রায় দিয়েছেন শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান ও চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে। তারা উসকানি, গণহত্যার আদেশ প্রদান, উচ্চপদস্থ দায়িত্বে অপরাধ ও যৌথ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

    প্রশ্ন উঠে, অ্যাপ্রুভার বা রাজসাক্ষীকে কখন খালাস না দিয়ে সাজা দেওয়া যায়। সাধারণত, যদি সাক্ষী নির্ধারিত শর্ত পূরণ না করে, আইন অনুযায়ী তাকে ক্ষমা না করে শাস্তি দেওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে সাক্ষীকে যে জন্য ক্ষমা দেওয়া হয়েছিল, সেই মূল অপরাধের বিচার চালানো সম্ভব। ক্ষমা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেওয়া তার স্বীকারোক্তি বা বিবৃতি সেই বিচারে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যেতে পারে। তাছাড়া, যদি সাক্ষী ক্ষমার আওতায় না থাকা কোনো ভিন্ন অপরাধে যুক্ত থাকে এবং তা প্রমাণিত হয়, তাহলে তাকে শাস্তি দেওয়া যেতে পারে। অর্থাৎ, ফৌজদারি কার্যবিধি এবং আইসিটি আইনে উল্লিখিত ক্ষমা অ্যাপ্রুভারের সব অপরাধের জন্য সম্পূর্ণ দায়মুক্তি প্রদান করে না।

    তবে জটিলতা এখানেই শেষ হয় না। আইসিটি আইনে ব্যবহৃত ‘ক্ষমা’ শব্দের অর্থ কী—খালাস নাকি কম শাস্তি—এটি নিয়ে বিভ্রান্তি থাকে। আদালতের ব্যাখ্যা ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। প্রচলিত ফৌজদারি মামলায় শর্ত ভঙ্গ না হলে সাধারণত খালাস দেওয়া হয়। তবে আইসিটি আইনের ২৬ ধারায় বলা হয়েছে, এই বিচারে ফৌজদারি কার্যবিধি বা দেশে প্রচলিত সাক্ষ্য আইনসহ অন্যান্য সাধারণ আইন কার্যকর হবে না। আইনি জটিলতা নিরসনে আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন, জুরিসপ্রুডেন্স এবং ইতিমধ্যে সংঘটিত বিচার ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা যেতে পারে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের রোম সংবিধির ৬৫ অনুচ্ছেদে অপরাধ স্বীকারের একটি কাঠামো ও বিধান রয়েছে। তবে সেখানে আদালত অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি অবশ্যই গ্রহণ করতে বাধ্য নয়। আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে:

    ১. অভিযুক্ত ব্যক্তি স্বীকারোক্তির প্রকৃতি ও পরিণতি বোঝে,
    ২. আইনজীবীর সঙ্গে পর্যাপ্ত পরামর্শের পর স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি দিচ্ছে এবং স্বীকারোক্তি মামলার অন্যান্য তথ্য দ্বারা সমর্থিত।

    রোম সংবিধি অনুযায়ী, স্বীকারোক্তি দিলেও অভিযুক্ত ব্যক্তি এখনও অভিযুক্তই থাকে। তারা রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীতে রূপান্তরিত হন না, যেমন আইসিটি আইনে দেখা যায়। এছাড়া, শর্তাবলি পূরণ সত্ত্বেও আদালত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করলে উপযুক্ত শাস্তি দিতে পারে। রোম সংবিধির ৭৮ অনুচ্ছেদ অনুসারে, স্বীকারোক্তি দেওয়ার শর্তে অভিযুক্তের জন্য পূর্বনির্ধারিত বা নমনীয় শাস্তি দেওয়ার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। আইসিসি কর্তৃক গৃহীত নির্দেশিকায়ও বলা হয়েছে, সত্য প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আদালতের স্বাধীন কর্তব্য সর্বদা প্রাধান্য পায়। শুধুমাত্র পক্ষগুলোর মধ্যে চুক্তি নয়, বরং প্রসিকিউটরের উপস্থাপিত অন্যান্য প্রমাণ, ভুক্তভোগীর প্রতিনিধিত্ব এবং অন্যান্য উৎসও বিচারককে পরীক্ষা করতে হবে। এতে মামলা-সংক্রান্ত তথ্য সম্পূর্ণ থাকে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়।

    এছাড়া, নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি সম্পর্কে অভিযোগকারী, ক্ষতিগ্রস্ত ও ভুক্তভোগীদের পূর্ণাঙ্গভাবে অবহিত করতে হবে এবং তাদের মতামত ও উদ্বেগ উপস্থাপন করার সুযোগ দিতে হবে। এটি নিশ্চিত করে যে, বিচারিক প্রক্রিয়ায় অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি ভুক্তভোগীর স্বার্থকে উপেক্ষা করতে পারবে না। যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ, আমাদের আইসিটি আইনে এ ধরনের কোনো বিধান নেই।

    সাবেক যুগোস্লাভিয়া (আইসিটিওয়াই) ও রুয়ান্ডা (আইসিটিআর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রে স্বীকারোক্তি-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক আবেদনের বিধান রয়েছে। একজন অভিযুক্ত নির্দিষ্ট অভিযোগের জন্য দোষ স্বীকার করতে পারেন, সাধারণত প্রসিকিউটরের সঙ্গে আলোচনার পর। এতে প্রায়ই ঘটে যে, প্রসিকিউটর অভিযুক্তকে স্বীকারোক্তির বিনিময়ে তার বিরুদ্ধে আনীত অন্যান্য অভিযোগ প্রত্যাহার বা শাস্তি কমানোর সুপারিশ দেন। তবে ট্রায়াল চেম্বার এই চুক্তি মানতে বাধ্য নয়। বিচারক যাচাই করেন যে আবেদনটি স্বেচ্ছায় করা হয়েছে, অভিযুক্ত তার পরিণতি সম্পর্কে অবহিত ছিলেন এবং অপরাধের যথেষ্ট তথ্যগত ভিত্তি রয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে বিচারক উপযুক্ত সাজা দিতে পারেন। তবে স্বীকারোক্তি দেওয়ার জন্য অনেক ক্ষেত্রে শাস্তির মেয়াদ কমানো হয়।

    আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনশাস্ত্রে কোনো অপরাধীকে স্বীকারোক্তির বিনিময়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্ষমা না দেওয়ার কারণও স্পষ্ট। আন্তর্জাতিক অপরাধ বিচারের লক্ষ্য কেবল শাস্তি দেওয়া নয়। এর মাধ্যমে ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করা, পুনর্মিলনকে উৎসাহিত করা এবং ভবিষ্যতে এমন অপরাধ প্রতিরোধ করাই মূল উদ্দেশ্য। অপরাধ স্বীকার করার অপরাধীকে একতরফাভাবে ক্ষমা করলে আন্তর্জাতিক বিচারের মূল উদ্দেশ্য দুর্বল হয়ে যায়। শাস্তি দেওয়া হয় ব্যক্তির অপরাধ এবং অপরাধের গুরুত্ব প্রতিফলিত করার জন্য। অন্যদিকে, ক্ষমা চতুরভাবে বিচারিক প্রক্রিয়াকে এড়িয়ে যেতে পারে।

    চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের ক্ষেত্রে বিষয়টি জটিল। তিনি পুলিশপ্রধান হিসেবে ঘটনার সময় উচ্চপদস্থ দায়িত্বে ছিলেন। তার নির্দেশে ও সহায়তায় হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন মানবতাবিরোধী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়েছে। আদালতে তিনি এসব অপরাধ স্বীকার করেছেন। যদি তাকে খালাস বা ক্ষমা দেওয়া হয়, তাহলে ন্যায়বিচার পরাহত হবে। এটি আন্তর্জাতিক অপরাধের জন্য ব্যক্তিগত ফৌজদারি দায়বদ্ধতার মূল নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তবে তা অবশ্যই আইনানুগভাবে হতে হবে।

    প্রশ্ন হয়, তিনি কি ন্যায় বিচারের পরিপূর্ণ সুযোগ পেয়েছেন? শর্ত ভঙ্গ না করেও একজন প্রসিকিউশন সাক্ষীকে কীভাবে শাস্তি দেওয়া যায়? তার বিচার চলাকালীন কি তিনি পক্ষে সাফাই সাক্ষী আনার সুযোগ পেয়েছিলেন? নাকি তার বিরুদ্ধে আনা সাক্ষীদের জেরা করার সুযোগ ছিল? কিংবা কি তার অপরাধ স্বীকার করার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সময়ে রায় দিয়ে তাকে মাত্র পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে? রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি না পাওয়া পর্যন্ত এই বিষয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। তবে একটুও সন্দেহ নেই যে, বারবার সংশোধনের পরও আমাদের আইসিটি আইনে এখনো অনেক অস্পষ্টতা এবং আইনি ফাঁকফোকর আছে। আইনটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পৌঁছায়নি।

    আইনি এসব অস্পষ্টতা ও দুর্বলতার কারণে চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিচার প্রক্রিয়া ও শাস্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশেষত অ্যাপ্রুভার সংক্রান্ত বিধানে দেশে প্রচলিত আইন বা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড কোনোটিই অনুসরণ করা হয়নি। ফলে কোনো দিক দিয়েই এই শাস্তি বা তার পরিমাণ ন্যায্যতার মানদণ্ড পূর্ণ করতে পারেনি। এর ফলে ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আইন আদালত

    আইনি বাধা কাটিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারিই পাবনার দুই আসনে নির্বাচন

    January 15, 2026
    অপরাধ

    রপ্তানির আড়ালে ৩১ প্রতিষ্ঠানের অর্থপাচার

    January 15, 2026
    অপরাধ

    রাতের ভোটে ১০ হাজার কোটি টাকা জালিয়াতির নেপথ্য কাহিনি

    January 15, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি August 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত January 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত April 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি August 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.