Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, মার্চ 18, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বিচারপতি মামনুন প্রসঙ্গে প্রতিবেদন দাখিল করল সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল
    আইন আদালত

    বিচারপতি মামনুন প্রসঙ্গে প্রতিবেদন দাখিল করল সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল

    এফ. আর. ইমরানজানুয়ারি 23, 2026Updated:জানুয়ারি 23, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কিছুদিন পর বিদেশে পাড়ি জমান। বিনা ছুটিতে দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত তিনি।এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে রাষ্ট্রপতিকে প্রতিবেদন পাঠিয়েছে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল।

    প্রতিবেদনটি আজ বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর হয়ে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এরপর রাষ্ট্রপতি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন। সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি এর আগে হাইকোর্ট বিভাগের তিনজন বিচারপতিকে অপসারণ করেছেন।

    চব্বিশের আগস্টে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হাইকোর্ট বিভাগের ১২ বিচারপতিকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল। তাদের মধ্যে ৯ জন বিচারপতি এখন আর দায়িত্বে নেই (তাদের কেউ কেউ সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলে তদন্তের পর বাধ্যতামূলক অবসরে, কেউ কেউ স্বেচ্ছায় পদত্যাগ, আর কেউ কেউ অবসরে চলে গেছেন)। বাকি তিন বিচারপতি পদে থাকলেও বেঞ্চের দায়িত্বে (বিচারিক কাজে নিয়োজিত) নেই।

    এ ছাড়া সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগ দাখিল হওয়ায় চলতি মাসে বিচারপতি এম আর হাসানকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। ছুটিতে পাঠানো মোট ১৩ বিচারপতির বাইরেও হাইকোর্ট বিভাগের দুই বিচারপতি স্বেচ্ছায় কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তারা হলেন বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি আশরাফুল কামাল।

    দেশের পটপরিবর্তনের পর ২০২৪ সালের ১০ আগস্ট প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পদত্যাগ দাবিতে সকাল থেকে হাইকোর্ট বিভাগের বর্ধিত ভবনের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। পরে সেদিন বিকেলের মধ্যে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির মধ্যে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানসহ ছয়জন পদত্যাগ করেন। প্রধান বিচারপতি ছাড়া পদত্যাগকারী অন্য পাঁচ বিচারপতি হলেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, মো. আবু জাফর সিদ্দিকী, জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. শাহিনুর ইসলাম ও কাশেফা হোসেন। বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম তখন একমাত্র বিচারপতি হিসেবে আপিল বিভাগে থেকে যান।

    অন্যদিকে, সেদিন রাতেই প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

    এরপর একই বছরের ১৫ অক্টোবর রাতে ‘দলবাজ, দুর্নীতিবাজ ও ফ্যাসিস্টের দোসর’ বিচারকদের পদত্যাগের দাবিতে হাইকোর্ট ঘেরাও করতে ফেসবুকে ঘোষণা দেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম।

    পরের দিন ১৬ অক্টোবর দুপুরে মিছিল নিয়ে হাইকোর্ট চত্বরে আসেন শিক্ষার্থীরা। তারা হাইকোর্ট বিভাগের ‘দলবাজ ও দুর্নীতিবাজ’ বিচারপতিদের পদত্যাগ চেয়ে বিক্ষোভ মিছিল করতে থাকেন। এ কর্মসূচি চলার মধ্যেই বেশ কয়েকজন বিচারপতি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

    আলোচনার পর ১৬ অক্টোবর বিকেলে ছাত্রদের সামনে এসে বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন রেজিস্ট্রার জেনারেল। বিচারপতি অপসারণের বিষয়ে রেজিস্ট্রার জেনারেল তখন জানিয়েছিলেন, বিচারপতিদের নিয়োগকর্তা রাষ্ট্রপতি। তাদের পদত্যাগ বা অপসারণ; সেই উদ্যোগও রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে হয়ে থাকে। এখানে প্রধান বিচারপতির যেটা করণীয় উনি সেটা করেছেন। আপাতত ১২ জন বিচারপতিকে প্রাথমিকভাবে কোনো বেঞ্চ দেওয়া হচ্ছে না।

    এই ১২ বিচারপতির মধ্যে গত বছরের ৩১ অক্টোবর সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের অনুসন্ধান পরিচালনার প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামান।

    সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের তদন্তাধীন বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামান প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে তার স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

    এ ছাড়া বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিন গত বছরের ৩০ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করে নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করেন। বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলন হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারক হিসেবে আর নিয়োগ পাননি। অন্য দুই বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খান ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাস এরই মধ্যে অবসর গ্রহণ করেছেন।

    এ ছাড়া সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের পূর্ণাঙ্গ তদন্তের পর রাষ্ট্রপতি তিনজন বিচারপতিকে অপসারণ করেন। এর মধ্যে বিচারপতি খিজির হায়াতকে গত বছরের ১৮ মার্চ ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানকে গত বছরের ২১ মে অপসারণ করা হয়। সর্বশেষ গত বছরের ৫ নভেম্বর বিচারপতি খুরশীদ আলম সরকারকে অপসারণ করা হয়।

    রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন সচিব লিয়াকত আলী মোল্লার সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের তদন্তে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার তার পদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনে অযোগ্য হয়ে পড়েছেন বলে রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের পুনর্বহাল হওয়া অনুচ্ছেদ ৯৬-এর দফা (৬) বিধান অনুযায়ী ৫ নভেম্বর বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারকে ওই পদ থেকে অপসারণ করেছেন।

    এরপর গত বছরের নভেম্বরে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল (এম আর) হাসানের বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগ করা হয়। দুর্নীতি, অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনে শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক এ আবেদন করেন। আবেদনে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলকে বিষয়টি তদন্তের অনুরোধের পাশাপাশি অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংবিধানের আওতায় এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ারও সুপারিশ চাওয়া হয়েছে।

    পরে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী এ তথ্য নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসানের বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের কাছে একটি অভিযোগ এসেছে। অভিযোগটি কাউন্সিলে উপস্থাপন করা হয়েছে।’ নতুন প্রধান বিচারপতি দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ৩ জানুয়ারি হাইকোর্টের সব বেঞ্চ পুনর্গঠন করেন। ওই তালিকা থেকে দেখা যায়, বিচারপতি এম আর হাসানকে কোনো বেঞ্চের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।

    সূত্র: কালবেলা

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    এপ্রিলের জ্বালানি সংকট এড়াতে ৩ লাখ টন ডিজেল কিনছে সরকার

    মার্চ 18, 2026
    বাংলাদেশ

    ভোলায় দিন দিন পেঁয়াজ চাষ জনপ্রিয় হচ্ছে, ভালো ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

    মার্চ 18, 2026
    অপরাধ

    আগুনে পুড়িয়ে কিশোরী রাইসাকে হত্যা, বখাটে সিফাত ও তার বাবার বিরুদ্ধে মামলা

    মার্চ 18, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.