ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় আইনজীবীদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। সাতজন নতুন মন্ত্রীর মধ্যে পাঁচজনই সুপ্রিম কোর্টের নিয়মিত আইনজীবী।
গত মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় উন্মুক্ত আকাশের নিচে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে তারা শপথ নেন।
ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিএনপির ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ২৮ জন আইনজীবী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ২৪ জন জয়লাভ করেন। এই ২৪ জনের মধ্যে চারজন পূর্ণমন্ত্রী ও তিনজন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।
কক্সবাজার-১ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন। তিনি জজ কোর্টের আইনজীবী এবং ২ লাখ ২০ হাজার ৫৬৬ ভোটে জয়ী হন।
মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী সংস্কৃতি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তিনি সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এবং ১ লাখ ৪৬ হাজার ৬৯৬ ভোটে নির্বাচিত হন।
ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পান। তিনি ১ লাখ ৭১ হাজার ৫৯৮ ভোটে জয়ী এবং সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।
রাঙ্গামাটি আসনের সংসদ সদস্য দিপেন দেওয়ান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্বে নিয়োজিত হন। তিনি জজ কোর্টের আইনজীবী এবং ২ লাখ ১ হাজার ৫৪৪ ভোটে নির্বাচিত হন।
নেত্রকোণা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তিনি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব এবং বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক। ১ লাখ ৫৯ হাজার ৭০১ ভোটে জয়ী এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মন্ত্রীর দায়িত্বে নিয়োজিত হয়েছেন।
চট্টগ্রাম-৫ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন। তিনি সুপ্রিম কোর্টের নিয়মিত আইনজীবী এবং ১ লাখ ৪৩ হাজার ৯৬৫ ভোটে জয়ী হন।
নাটোর-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন পুতুল মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি সুপ্রিম কোর্টের নিয়মিত আইনজীবী এবং ১ লাখ ২ হাজার ৪১৯ ভোটে নির্বাচিত হন।

