Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice Sun, Feb 8, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » নিয়ন্ত্রণহীন ব্যবস্থাপনায় চলছে অগ্রণী ব্যাংক
    অপরাধ

    নিয়ন্ত্রণহীন ব্যবস্থাপনায় চলছে অগ্রণী ব্যাংক

    মনিরুজ্জামানFebruary 8, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংক সম্প্রতি বড় ধরনের আর্থিক কেলেঙ্কারির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তে উঠে এসেছে কর্মকর্তাদের দ্বারা অর্থ আত্মসাৎ এবং পাচারের গুরুতর অভিযোগ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংকের কার্যক্রম এখন ‘ফ্রি স্টাইলে’ পরিচালিত হচ্ছে। ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তার পছন্দের কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বদলি ও পদায়ন করছেন, আর চেয়ারম্যান নিয়োগেও বয়সসীমার নিয়ম ভঙ্গ করা হয়েছে।

    বিশেষভাবে নীলফামারীর সৈয়দপুর শাখায় প্রায় ৬৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের ঘটনা ঘটেছে বলে অভ্যন্তরীণ তদন্তে ধরা পড়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাল ভাউচার, আরটিজিএস, চেক ক্লিয়ারিং, ইএফটি এবং কৃত্রিম লেজার এন্ট্রির মাধ্যমে দীর্ঘ সময় ধরে এই জালিয়াতি সংঘটিত হয়েছে। প্রতিবেদনে ঘটনার স্বভাবকে ‘গভীর পরিকল্পিত ও দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক কেলেঙ্কারি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সৈয়দপুর শাখার সিনিয়র অফিসার মো. আলিমুল আল রাজি তমাল এবং রংপুর সার্কেলের তৎকালীন জিএম স্বপন কুমার ধরকে মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। শাখা ও আঞ্চলিক পর্যায়ের আরও ১৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবু, তমালের বিরুদ্ধে এখনো মামলা হয়নি। তিনি বর্তমানে কর্মস্থলে অনুপস্থিত এবং পলাতক অবস্থায় রয়েছেন। ব্যাংকের এই সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়াকে নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।

    অগ্রণী ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তে দেখা গেছে, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত একাধিক ধাপে প্রায় ৬০ কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে। শাখার সিনিয়র কর্মকর্তা মো. আলিমুল আল রাজি তমাল গুরুত্বপূর্ণ ডেস্ক—এনজি, আরটিজিএস, ইএফটি, ফরেন রেমিট্যান্স ও ব্যাচ ক্লিয়ারিং—দায়িত্বে থাকা অবস্থায় বিভিন্ন কর্মকর্তার আইডি ও পাসওয়ার্ড অপব্যবহার করে ভুয়া লেনদেন তৈরি করেন।

    তদন্তে জানা যায়, তিনি ১৩২ কোটির বেশি টাকার কাল্পনিক ডেবিট ও ক্রেডিট লেজার এন্ট্রি তৈরি করেন। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে প্রায় ৪২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা হিসাববহির্ভূত অবস্থায় পড়ে যায়, যা আর সমন্বয় করা সম্ভব হয়নি। ক্লিয়ারিং সাসপেন্স হিসাব থেকে অগ্রণী সুপার অ্যাকাউন্ট, ব্যক্তিগত হিসাব, ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডো এবং আরটিজিএস ব্যবহারের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা বিভিন্ন শাখা ও অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত করা হয় এবং পরে তুলে নেওয়া হয়। সব মিলিয়ে, তদন্ত কমিটি প্রায় ৬৬ কোটি টাকার সরাসরি আত্মসাতের হিসাব পেয়েছে।

    “জড়িত অন্য কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন—রংপুর অঞ্চলের তৎকালীন ডিজিএম মোস্তাফা ই কাদের, এজিএম মো. জাহাঙ্গীর আলম, ডিজিএম ইকবাল করিম আকন্দ, সৈয়দপুর শাখার এসপিও মনিরুজ্জামান, পিও জায়েম, এসও (সুপারনিউমেরারি) আব্দুল খালেক সরকার, সিনিয়র অফিসার শাহনাজ বেগম, অফিসার (ক্যাশ) তমাল চন্দ্র রায়, সিনিয়র অফিসার (অব.) আব্দুল ওয়াজেদ, সিনিয়র অফিসার (সুপার নিউমেরারি) মো. তাইজুল ইসলাম, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. আব্দুল লতিফ, অফিসার (ক্যাশ) মো. মাইদুল ইসলাম, সিনিয়র অফিসার মো. আমিরুল ইসলাম ও এসও মো. আক্তারুজ্জামান।”

    ব্যাংকের অনিয়ম ও আর্থিক কেলেঙ্কারির মূল কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে তদারকির ঘাটতি, দৈনিক রিকনসিলিয়েশন না করা, কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যারে বাধ্যতামূলক নিয়ন্ত্রণের অভাব এবং আঞ্চলিক ও প্রধান কার্যালয়ের কার্যকর নজরদারির ব্যর্থতা। তদন্তে রংপুর অঞ্চলের কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতার প্রমাণও পাওয়া গেছে।

    এদিকে, ব্যাংকের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আনোয়ারুল ইসলাম দায়িত্ব নেওয়ার পর পছন্দের কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বদলি ও পদায়নের অভিযোগ উঠেছে। সূত্রের দাবি, এমডি পুরো বিষয়টি জানতেন এবং তার আমলেই জালিয়াতির বড় অংশ সংঘটিত হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের পতনের পর বর্তমান এমডি নিযুক্ত হন এবং নিয়োগ পাওয়ার পরই স্বজনপ্রীতির নীতি শুরু করেন। তিনি নিজের পছন্দমতো লোকদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বদলি ও পদোন্নতি দিচ্ছেন।

    তদন্ত ও সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, জিএম স্বপন কুমার ধর ও সিনিয়র অফিসার আলিমুল আল রাজি তমাল এমডির পছন্দের কর্মকর্তা ছিলেন। তমালকে বদলি করে সৈয়দপুর শাখায় পাঠানো হয়েছিল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর তমাল শাখায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছিলেন। তিনি শাখার স্টাফদের সঙ্গে হেড অফিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের ক্ষমতা দেখাতেন।

    অনেক কর্মকর্তা অভিযোগ করেছেন, বর্তমান এমডির ঘনিষ্ঠতার কারণে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে ব্যাংকটি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ‘ফ্রি স্টাইলে’ পরিচালিত হচ্ছে। তদন্তে স্পষ্ট হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ অনিয়ম ও জালিয়াতিতে বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সরাসরি বা আংশিক যোগসাজশ রয়েছে।

    অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আনোয়ারুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে স্পষ্ট করেছেন, তদন্ত এখনো সম্পূর্ণ হয়নি। তিনি বলেন, “এখন বিভাগীয় পর্যায়ে তদন্ত চলছে, উচ্চ পর্যায়েও যাচাই চলছে। নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত টাকার সঠিক পরিমাণ বলা সম্ভব নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি ইনসপেকশন টিম গঠন করা হয়েছে, পাশাপাশি আমাদের উচ্চতর তদন্ত টিমও কাজ করছে। তাদের রিপোর্ট অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

    নিজের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতির অভিযোগও খণ্ডন করেছেন এমডি। তিনি বলেন, “পছন্দের কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়নের অভিযোগ সঠিক নয়। একজন এমডি নীচতলার কর্মকর্তাদের নিজস্বভাবে ডিল করে না। দায়িত্বসমূহ সঠিকভাবে ভাগ করা আছে। আমার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

    তবে ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগের ক্ষেত্রে নীতিমালা উপেক্ষিত হয়েছে বলে অভিযোগ আছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান বা পরিচালক পদে নিয়োগের সময় প্রার্থীর বয়স অবশ্যই ৪৫ থেকে ৭৫ বছরের মধ্যে হতে হবে কিন্তু বর্তমান চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদকে নিয়োগের সময় এই বয়সসীমা পূরণ হয়নি।

    গণঅভ্যুত্থানের পর গত ৩ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার তাকে পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক ও চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত করে। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী, আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদের জন্ম ১৯৪৬ সালে। সেক্ষেত্রে তাকে নিয়োগ দেওয়ার সময় তার বয়স ছিল ৭৭ বছর ৯ মাস ২ দিন, যা নীতিমালার অনুমোদিত সীমা ৭৫ বছরের চেয়ে বেশি। উল্লেখযোগ্য, তিনি প্রায় ২০ বছর আগে একই ব্যাংকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন। এই নিয়োগ নিয়ে ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, যে বয়সসীমা লঙ্ঘন করে তাকে চেয়ারম্যান পদে নিযুক্ত করা হয়েছে, তা কি নীতিগতভাবে বৈধ ছিল কিনা।

    এ বিষয়ে অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ বলেন, তিনি জোর করে দায়িত্ব নেননি। তিনি বলেন, “আমি তখন বিদেশে ছিলাম। ছাত্র-জনতার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দায়িত্ব নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। বয়স-সংক্রান্ত বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত।” ব্যাংকের বর্তমান এমডি আনোয়ারুল ইসলামের মন্তব্য অনুযায়ী, বয়সসীমা লঙ্ঘন নিয়ে তিনি মন্তব্য করতে পারেননি।

    অর্থ আত্মসাতের ঘটনার বিষয়ে চেয়ারম্যান বলেন, সৈয়দপুর শাখার ঘটনা গুরুত্বসহকারে তদন্তাধীন। তিনি জানিয়েছেন, “আত্মসাৎ হওয়া অর্থ উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে স্টাফ রেগুলেশন ও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শাস্তি লঘু থেকে শুরু করে ডিমোশন, ডিসমিসাল বা টার্মিনেশন পর্যন্ত হতে পারে।”

    চেয়ারম্যানের মতে, তদন্তের মূল লক্ষ্য হলো অর্থ ফেরত আনা। তিনি আরও বলেন, “বড় অঙ্কের হওয়ায় আইন ও আদালতের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। তদন্ত চূড়ান্ত হলে বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে।” এমডি আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অভিযোগ নিয়ে তিনি বলেন, “আমার মনে হয় না তিনি জড়িত। অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক রিপোর্টে এমডির সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।”

    এদিকে, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান মন্তব্য করেছেন, ৬৬ কোটি টাকার আত্মসাৎ ও পাচারের ঘটনা অত্যন্ত গুরুতর এবং উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, “এত বড় অঙ্কের অনিয়ম দীর্ঘ সময় ধরে সংঘটিত হওয়া তদারকি ও ব্যবস্থাপনাগত ব্যর্থতার স্পষ্ট প্রমাণ। যদিও এমডির সরাসরি সম্পৃক্ততার তথ্য নেই, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যদি তার ঘনিষ্ঠ বা পছন্দের ব্যক্তি হন, তা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন।”

    ড. ইফতেখারুজ্জামান আরো বলেন, “কেউ জেনে জড়িত থাকলে যেমন অপরাধ, তেমনি না জেনে দায়িত্বে অবহেলা করলেও শাস্তিযোগ্য। বড় দুর্নীতির ঘটনায় কাউকে দায়মুক্তি না দিয়ে স্বচ্ছ তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই সুশাসনের পরীক্ষা। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে এ ধরনের বড় অনিয়ম শুধুমাত্র অর্থনৈতিক ক্ষতি নয়, জনগণের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত করে।”

    চেয়ারম্যান নিয়োগ নিয়ে তিনি মন্তব্য করেছেন, “রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের চেয়ারম্যান বা পরিচালক পদে বয়সসীমা যদি ৭৫ বছর ধরা হয়, তবে তা অতিক্রম করে নিয়োগ করা নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন। ব্যতিক্রমী কোনো সিদ্ধান্ত থাকলে তা স্বচ্ছভাবে জনসমক্ষে প্রকাশ করা উচিত।”

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    নির্বাচনে কারচুপির চেয়েও বড় ভয় আস্থাহীনতা

    February 8, 2026
    অর্থনীতি

    অর্থনৈতিক নীতি প্রণয়নে তথ্যের স্বচ্ছতা জরুরি

    February 8, 2026
    অপরাধ

    দুর্নীতিতে জর্জরিত অগ্রণী ব্যাংকের দুই এক্সচেঞ্জ হাউস

    February 8, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইরাকে নতুন আইন নিয়ে উদ্বেগ, শাস্তির ভয় সবার মনে

    আন্তর্জাতিক August 4, 2025

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক October 30, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত January 13, 2025

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি October 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.