বাংলাদেশের জ্বালানি খাত দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর একক নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়ে আসছে। আমদানি, পরিশোধন, পরিবহন থেকে খুচরা বিক্রি সব ক্ষেত্রেই বিপিসি ছিল মূল নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তবে সাম্প্রতিক নীতিগত পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে সেই একচ্ছত্র আধিপত্য ধীরে ধীরে ভাঙতে শুরু করেছে। সরকার এখন বেসরকারি খাতকে জ্বালানি আমদানি, পরিশোধন ও বিপণনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিচ্ছে। এতে যেমন প্রতিযোগিতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে, তেমনি বাজার ব্যবস্থাপনায় নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে।
বিশ্ব অর্থনীতিতে জ্বালানি খাতের গুরুত্ব নতুন করে উপলব্ধি করেছে আমদানি নির্ভর দেশগুলো, বিশেষতঃ সাম্প্রতিক ইরান–ইসরায়েল সংঘাতের সময়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি ভিন্ন নয়, দেশের প্রায় পুরো জ্বালানি চাহিদাই আমদানি নির্ভর। অথচ স্বাধীনতার অর্ধশতক পরও শক্তিশালী অবকাঠামো গড়ে না ওঠায় জ্বালানি নিরাপত্তার ঝুঁকি কাটেনি। ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) ১৯৬৮ সালে উৎপাদনে গেলেও, বার্ষিক মাত্র ১৫ লাখ টন পরিশোধন ক্ষমতার ওই প্ল্যান্টই আজও দেশের একমাত্র রিফাইনারি হিসেবে রয়ে গেছে।
এদিকে সাম্প্রতিক বৈদেশিক মুদ্রা সংকটে প্রায় দুই বিলিয়ন ডলার ব্যয় হবে, এমন একটি বড় প্রকল্পের অর্থসংস্থানের বিষয়টি বিপিসির উচ্চপর্যায়ের প্রতিবেদনে অনুপস্থিত থাকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি নিছক অবহেলা নয়; বরং এর পেছনে সুপরিকল্পিত দূরভিসন্ধিরও ইঙ্গিত থাকতে পারে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, বেসরকারি অংশগ্রহণ বাড়লেও বিপিসির কাঠামোগত দুর্বলতা ও আর্থিক অদক্ষতা কাটানো সম্ভব হবে কি না।
জ্বালানি খাতে বেসরকারি প্রভাব বৃদ্ধির কয়েকটি কারণ নিচে উল্লেখ করা হলো: বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বেসরকারি প্রভাব দিন দিন বাড়ছে। এর অন্যতম কারণ হলো সরকারের নীতি পরিবর্তন। আগে আমদানি, পরিশোধন ও বিপণন কার্যক্রমে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোই একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ রাখত। কিন্তু বর্তমানে সরকার বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল পরিশোধন ও বিপণনে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিচ্ছে। এতে বাজারে নতুন প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হচ্ছে, যা ভোক্তাদের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো এতদিন জ্বালানি আমদানির জন্য সরকারের উপর নির্ভরশীল ছিল। এখন তারা সরাসরি তেল আমদানির অনুমতি পাচ্ছে। এর ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারবে।
অন্যদিকে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার সংকট জ্বালানি আমদানিকে কঠিন করে তুলেছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষে সব আমদানি এককভাবে করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই বেসরকারি খাতকে তেল ও গ্যাস আমদানিতে যুক্ত করা হচ্ছে। শুধু তেল নয়, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানিতেও এখন বেসরকারি খাতকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে পেট্রোবাংলা ও ওমানভিত্তিক ওকিউ ট্রেডিং লিমিটেডের মধ্যে স্বল্পমেয়াদী এলএনজি সরবরাহ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা দেশের জ্বালানি সরবরাহে স্বল্পমেয়াদে স্বস্তি আনতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি খাতে বেসরকারি অংশগ্রহণ কেবল আমদানি ও সরবরাহ বাড়াবে না, বরং বাজারে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করবে। এর ফলে দক্ষতা বাড়বে, ভোক্তারা উপকৃত হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা কিছুটা হলেও শক্তিশালী হতে পারে। তবে এই প্রক্রিয়ায় বাজার নিয়ন্ত্রণ ও মূল্য স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাই সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
নীতি-পরিবর্তন কেন এবং কীভাবে হচ্ছে? বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। তবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চাপ এবং ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে সরকারের পক্ষে আর এককভাবে এই খাত পরিচালনা করা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠেছে। এই বাস্তবতা মাথায় রেখে ২০২৩ সালে এনার্জি অ্যান্ড মিনারেল রিসোর্স ডিভিশন একটি নীতিগত খসড়া প্রণয়ন করে, যার মাধ্যমে বেসরকারি খাতকে নতুনভাবে এই খাতে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
খসড়া অনুযায়ী, বেসরকারি রিফাইনারিগুলো প্রথম তিন বছর তাদের উৎপাদিত তেলের অন্তত ৬০ শতাংশ সরকার-নির্ধারিত দামে বিপিসিকে সরবরাহ করবে। পরবর্তী দুই বছরে এই হার কমে দাঁড়াবে ৫০ শতাংশে। বাকি অংশ তারা নিজেদের বিপণন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বাজারজাত করতে পারবে, আর যদি অতিরিক্ত মজুদ থেকে যায় তবে বিপিসি তা কিনে নেবে। পাঁচ বছর পর এই কাঠামো পুনর্মূল্যায়নের আওতায় আনা হবে, যাতে আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি ও দেশের জ্বালানি বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।
বিপিসির একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ভাঙার পেছনে কয়েকটি বড় কারণ রয়েছে।
প্রথমতঃ দেশে জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান চাহিদা এখন কেবল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।
দ্বিতীয়ত: বৈদেশিক মুদ্রার সংকটের কারণে বিপিসির পক্ষে পর্যাপ্ত পরিমাণ তেল আমদানি করা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। তৃতীয়ত: প্রতিযোগিতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির স্বার্থে সরকার নিজেই নীতি পরিবর্তনের মাধ্যমে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করছে, যাতে আমদানি সহজ হয় এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ কমে।
ফলস্বরূপ জ্বালানি খাতে একটি নতুন ভারসাম্য তৈরি হচ্ছে। এখন আর শুধু বিপিসি নয়, বরং বেসরকারি খাতও বাজারের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হয়ে উঠছে। এতে একদিকে প্রতিযোগিতা ও দক্ষতা বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে সরকারের জন্য নিয়ন্ত্রণ ও মূল্য স্থিতিশীল রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে কার্যকর নীতি ও সঠিক নজরদারি নিশ্চিত করা গেলে এই পরিবর্তন দীর্ঘমেয়াদে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে।
বিপিসির প্রতিক্রিয়া ও প্রস্তুতি: বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) দেশের জ্বালানি তেল সরবরাহ এবং অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এবং সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় বিপিসি একাধিক উদ্যোগ চালাচ্ছে।
প্রথমতঃ উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে নতুন তেল শোধনাগার স্থাপন এবং বিদ্যমান শোধনাগার আধুনিকীকরণের কাজ চলছে। এর মধ্যে “ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট (ERL-2)” প্রকল্পটি ২০২৭ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ৩০ লাখ টন অতিরিক্ত তেল পরিশোধন ক্ষমতা যোগ করবে।
দ্বিতীয়তঃ তেল সরবরাহের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে ঢাকা-চট্টগ্রাম তেল পাইপলাইন স্থাপনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রামের পতেঙ্গা অঞ্চলে নতুন ট্যাংক নির্মাণ ও তেল মজুদের সক্ষমতা বাড়ানোর কাজও চলমান। স্বাধীনতা-পরবর্তী ৫৪ বছরেও রাষ্ট্রায়ত্ত বিপিসি নতুন কোনো রিফাইনারি প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। এরমধ্যে ১৫ লাখ টনের একটি বেসরকারি রিফাইনারি অনুমোদনের প্রাথমিক সুপারিশ প্রায় ১২ বছর ধরে ঝুলে ছিল।
একটি কমিটি বেসরকারি খাতকে প্রণোদনা হিসেবে ১৫ লাখ টনের রিফাইনারি অনুমোদনের প্রাথমিক সুপারিশ করেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকারের পরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার এই নীতিমালার বাতিলের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করলেও, শেষ পর্যন্ত কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামভিত্তিক সুপার পেট্রোকেমিক্যাল লিমিটেড (এসপিএল), যা টি কে গ্রুপের অংশ, এই নীতিমালার আওতায় ১৫ লাখ টনের রিফাইনারি স্থাপনের জন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে আবেদন করেছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বেসরকারি খাত জ্বালানি খাতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে এবং বিপিসির ওপর নির্ভরতা কিছুটা কমবে।
তৃতীয়তঃ বিপিসি এবং পেট্রোবাংলা দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও কেপিআই-এর নিরাপত্তা জোরদার করছে। এছাড়া বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার প্রেক্ষিতে বিপিসি বিভিন্ন উৎস থেকে তেল আমদানি করে সরবরাহ বৈচিত্র্যময় করছে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকাল ও সেচ মৌসুমে ফার্নেস তেলের চাহিদা পূরণে বিপিসি প্রস্তুতি নিচ্ছে।
চতুর্থতঃ সরকার এবং বিপিসি জ্বালানি খাতে বেসরকারি অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য সমন্বিত কাজ করছে। প্রাইভেট খাতের অংশগ্রহণ বাজারে নতুন ভারসাম্য আনতে পারে, যা প্রতিযোগিতা বাড়িয়ে সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করবে। এর ফলে বিপিসিকে তার দক্ষতা, পরিকল্পনা এবং বিনিয়োগ বাড়িয়ে সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। ফলস্বরূপ বিপিসির এসব পদক্ষেপ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা ও বাজারে প্রতিযোগিতা এবং কার্যকারিতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সম্পাদকীয় মন্তব্য ও সুপারিশ: বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে নতুন নীতি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘদিনের রাষ্ট্রায়ত্ত বিপিসি আধিপত্য ভেঙে বাজারে বেসরকারি অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত হলে এটি সরবরাহের স্থিতিশীলতা, সাশ্রয়িতা, প্রতিযোগিতা এবং প্রযুক্তি উদ্ভাবনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।
তবে সাফল্য নিশ্চিত করতে হলে নীতির বাস্তবায়নে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা থাকা আবশ্যক। প্রথমতঃ মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার কার্যকর বাস্তবায়ন জরুরি। আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য এবং স্থানীয় খরচ সমন্বয় করে একটি স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য প্রণালী গড়ে তোলা প্রয়োজন, যাতে বাজারে হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধি বা অস্থিরতা না আসে। দিতীয়তঃ বাজার পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা দরকার। বিক্রেতারা যদি নির্ধারিত মূল্যের বাইরে বিক্রি করে বা ইনভয়েসে হেরফের করে, তবে তা শনাক্ত করা এবং প্রতিরোধ করা সম্ভব হতে হবে।
তৃতীয়তঃ বেসরকারি অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। যেমন: ERL-2 প্রকল্প বিপিসির জন্য নির্মাণ হচ্ছে, তেমনি বেসরকারি রিফাইনারিদের জন্যও নীতি-নির্দেশনা এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রয়োজন, যাতে তারা উৎপাদন ও বিপণনে দক্ষভাবে অংশ নিতে পারে। চতুর্থতঃ ভর্তুকি ও আর্থিক চাপের পুনর্মূল্যায়ন অপরিহার্য। সরকারকে নজর রাখতে হবে, কীভাবে ভর্তুকির ব্যয় এবং বাজারের ভারসাম্য বজায় থাকবে, বিশেষ করে বেসরকারি অংশগ্রহণ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে।
সর্বোপরি সঠিক পরিকল্পনা, নিয়মিত নজরদারি এবং প্রাইভেট খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই নীতি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে স্থিতিশীলতা, স্বচ্ছতা এবং উদ্ভাবন নিশ্চিত হবে। বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বেসরকারি অংশগ্রহণ ক্রমশঃ বৃদ্ধি পাচ্ছে, ফলে দীর্ঘদিনের একক নিয়ন্ত্রক হিসাবে বিপিসির ভূমিকা কিছুটা সীমিত হচ্ছে। তবে এটি অপ্রতিরোধ্য সমস্যা নয়; বরং সঠিক নীতি ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকলে বেসরকারি অংশগ্রহণ বাজারে প্রতিযোগিতা, সরবরাহ স্থিতিশীলতা এবং প্রযুক্তি উদ্ভাবন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে। বিপিসিকে এখন তার পরিকল্পনা ও দক্ষতা আরও শক্তিশালী করতে হবে, যাতে বাজারে ভারসাম্য বজায় থাকে এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

