যুক্তরাজ্য সরকারের রাজস্ব ও শুল্ক বিভাগ বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের কাস্টমস প্রশাসনের আধুনিকীকরণে সহায়তা করবে যুক্তরাজ্য।
আজ সোমবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশন। ব্রিটিশ হাইকমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এমওইউ-এর আওতায় এনবিআরকে কাস্টমস সংস্কার বাস্তবায়নে কারিগরি সহায়তা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির কাঠামো তৈরি করা হবে। এর মধ্যে থাকবে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বাণিজ্য সুবিধা চুক্তি বাস্তবায়নে সহযোগিতা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং অনুমোদিত অর্থনৈতিক অপারেটর (এইও) প্রোগ্রামের সম্প্রসারণ। চুক্তির আওতায় যুক্তরাজ্য সরকারের রাজস্ব ও শুল্ক বিভাগ যে সুবিধাগুলো দেবে—
১. এনবিআর কর্মীদের জন্য সশরীরে ও অনলাইন প্রশিক্ষণ।
২. শুল্ক সংস্কার ও বাণিজ্য সুবিধা বিষয়ে প্রযুক্তিগত পরামর্শ।
৩. পিয়ার-টু-পিয়ার লার্নিং ও স্বল্পমেয়াদী কর্মী বিনিময়।
৪. শুল্ক ঝুঁকি প্রোফাইলিং ও তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থা উন্নয়নে সহায়তা।
ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর মার্টিন ডসন বলেন, এই চুক্তি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তার প্রতিশ্রুতি বহন করে। তার ভাষায়, কারিগরি সহায়তার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা, বাণিজ্য ব্যবস্থা উন্নত করা এবং পারস্পরিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সমর্থন করাই যুক্তরাজ্যের লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের মর্যাদা থেকে উত্তরণের পথে রয়েছে, আর দক্ষ শুল্ক ব্যবস্থা প্রবৃদ্ধি উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এনবিআরের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, এই চুক্তি শুল্ক আধুনিকীকরণ ও বাণিজ্য সুবিধা প্রদানের প্রচেষ্টায় একটি বড় পদক্ষেপ। তিনি যুক্তরাজ্যের কারিগরি সহায়তাকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, একসঙ্গে কাজ করলে ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী হবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে।

