Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice Sun, Feb 1, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বিনিয়োগে নেই কোন সাফল্য, আশিক চৌধুরীর চমক কোথায়?
    অর্থনীতি

    বিনিয়োগে নেই কোন সাফল্য, আশিক চৌধুরীর চমক কোথায়?

    মনিরুজ্জামানFebruary 1, 2026Updated:February 1, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আনায় প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় দেশটি এখনও অনেক পিছিয়ে রয়েছে। রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর এই ধারা আরও খারাপ হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) শীর্ষ পদের জন্য সিঙ্গাপুর থেকে তরুণ ব্যাংকার আশিক চৌধুরীকে নিয়ে চমক দেখালেও, গত ১৬ মাসে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ কোনো সাফল্য দেখা যায়নি।

    ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে স্থিতিশীলতা হারানো আর্থিক খাত কিছুটা পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও পতনের হাত থেকে বাঁচানো গেছে। তবে বিনিয়োগ পরিস্থিতি এখনও সন্তোষজনক নয়। নতুন বিদেশি বিনিয়োগ কমেছে, আর দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ প্রস্তাবের নিবন্ধন হারও নিম্নমুখী। পাশাপাশি, অনেক ছোট, মাঝারি ও বড় কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় লাখ লাখ মানুষ কাজ হারিয়েছেন।

    দেশে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপির অনুপাতে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের হার ছিল ২৩.৫১ শতাংশ। পরবর্তী অর্থবছর ২০২৪–২৫ সালে এটি কমে ২২.৪৮ শতাংশে নেমেছে। সেই বছর মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি হয়েছিল ২৮১ কোটি ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ১৯ শতাংশ কম। বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহও ছয় মাস ধরে ৭ শতাংশের নিচে রয়েছে, যেখানে ক্ষমতাচ্যুত সরকারের শেষ মাসে এটি ১০ শতাংশের বেশি ছিল।

    এফআইসিসিআই সভাপতি রূপালী হক চৌধুরী বলেন, “রাজস্বনীতি বিনিয়োগবান্ধব নয়। গ্যাস-বিদ্যুতের দামও বেশি। তাছাড়া বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কেউ বিনিয়োগ করতে আগ্রহী নয়।”

    বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সিপিডির বিশেষ ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “বিনিয়োগের সঙ্গে সম্পর্কিত যেকোনো সমস্যাই নতুন বিনিয়োগকে থমকে দেয়। অনেক উদ্যোক্তা জমি পেলেও মানসম্মত বিদ্যুৎ ও চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস পাচ্ছেন না। ব্যাংকের উচ্চ সুদ, ব্যবসার খরচ—এসব ক্ষেত্রেও বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি। ফলে বিনিয়োগের অবস্থার উন্নতি দেখা যাচ্ছে না।”

    তিনি আরও যোগ করেন, “অন্তর্বর্তী সরকার কিছু কাজ করেছে। তবে গ্যাস সংকটের সমাধানে বড় পরিকল্পনা করা দরকার ছিল। ব্যবসায়ীদের সেবা নিতে যেসব প্রতিষ্ঠানে সরাসরি যেতে হয়, সেগুলো ডিজিটাল করলে দুর্ভোগ কমত। চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য ওঠানো-নামানোর সময়ও কমানোর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।”

     কমেছে নতুন বিনিয়োগ:

    দেশে নিট বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) কিছুটা বৃদ্ধি পেয়লেও নতুন বিনিয়োগের প্রবাহ কমেছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে করোনাকালীন সময়ের তুলনায় নতুন বিনিয়োগ এখনও কম। এফডিআইয়ে খরার মধ্যে প্রতিযোগী দেশগুলো এখনও যথাযথ বিনিয়োগ পাচ্ছে। বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, “একজন বিদেশি বিনিয়োগকারী হিসেবে ২০২৪ সালে দেশে যা ঘটেছে, তা দেখার পর ২০২৫ সালে কেউ কেন বিনিয়োগ করবেন?”

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নিট বিদেশি বিনিয়োগ ছিল ১৪২ কোটি ডলার। বিদায়ী অর্থবছরে তা ১৯ শতাংশ বেড়ে ১৬৯ কোটি ডলারে দাঁড়ায়। এই বৃদ্ধির মূল কারণ হলো বিদেশি কোম্পানির বিদ্যমান ব্যবসা থেকে অর্জিত মুনাফা পুনঃবিনিয়োগ এবং সহযোগী কোম্পানি থেকে ঋণ নেওয়া। অন্যদিকে নতুন বিনিয়োগ বা ইকুইটি ক্যাপিটাল কমেছে।

    বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মাত্র ৫৫ কোটি ডলারের নতুন বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে, যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। আগের বছরের তুলনায় এটি প্রায় ১৭ শতাংশ কম। তুলনামূলকভাবে, করোনাকালে ২০২০-২১ অর্থবছরে নতুন বিনিয়োগ ছিল ৭২ কোটি ডলার। পরের বছর তা বেড়ে ১১৪ কোটি ডলারে উন্নীত হয়। ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নতুন বিনিয়োগ আসে যথাক্রমে ৭১ ও ৬৭ কোটি ডলার।

    পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাসরুর রিয়াজ বলেন, “আমলাদের বাইরে থেকে একজনকে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান করা হয়েছিল। আশা করেছিলাম, সাহসী সংস্কার করবেন। কিন্তু গত দেড় বছরে তেমন কোনো উন্নতি হয়নি।” অন্যদিকে, বাংলাদেশ না পারলেও প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ এফডিআই পাচ্ছে ভারত, ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়া। পাকিস্তানও বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে এফডিআই পেয়েছে।

    বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ১.৫৩ বিলিয়ন ডলারের এফডিআই অর্জন করে। একই সময়ে ভারত পায় ২৭ বিলিয়ন, ইন্দোনেশিয়া ২১ এবং ভিয়েতনাম ২০ বিলিয়ন ডলার। ভিয়েতনামের এফডিআই তিন বছর ধরে বাড়ছে। ২০২২ সালে বাংলাদেশ পেয়েছিল ১.৬৩ বিলিয়ন ডলার। পাকিস্তান তখন ১.৪৬ বিলিয়ন ডলার পেয়ে বাংলাদেশকে টপকে যায়। ২০২৪ সালে পাকিস্তান বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে এফডিআইতে ১ বিলিয়ন ডলার বেশি অর্জন করে।

    বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি হয়নি:

    ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরপরই সিঙ্গাপুরে বহুজাতিক দ্য হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশনের (এইচএসবিসি) রিয়েল অ্যাসেট ফাইন্যান্স বিভাগের সহযোগী পরিচালক আশিক চৌধুরীকে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-র নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)-র নির্বাহী চেয়ারম্যানের দায়িত্বও দেওয়া হয়। গত এপ্রিলে তিনি বিডা চেয়ারম্যান হিসেবে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা পান।

    দায়িত্ব নেওয়ার পর আশিক চৌধুরী এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, তিনি উদ্যোক্তাদের সমস্যাগুলো বুঝতে দেশি ও বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ২৩৫ জন প্রধান নির্বাহী ও কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি জানান, বিনিয়োগকারীরা নীতির ধারাবাহিকতা, সম্পদের প্রাপ্যতা সম্পর্কিত সঠিক তথ্য এবং দুর্নীতি সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়েও সচেতন। তিনি আশা প্রকাশ করেছিলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সঙ্গে ব্যবসায়িক বাধা দূর করা ও বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নয়ন করতে পারবেন।

    তবে বাস্তবে ব্যবসায়িক পরিবেশে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ব্যবসা পরিবেশ সূচক বা ক্লাইমেট ইনডেক্স (বিবিএক্স) অনুযায়ী, দেশে ব্যবসার পরিবেশে কোনো প্রশংসনীয় উন্নতি হয়নি। বরং আইন–কানুনের তথ্য প্রাপ্তি, অবকাঠামো সুবিধা, শ্রম নিয়ন্ত্রণ, বাণিজ্য সহজীকরণ, প্রযুক্তি গ্রহণ এবং পরিবেশগত নিয়ন্ত্রণ—এই ছয় সূচকে এক বছরের মধ্যে অবস্থার অবনতি দেখা দিয়েছে।

    বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা আগের মতোই বিদ্যমান। গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট বেড়েছে। ঋণের সুদহার ১৪–১৫ শতাংশে পৌঁছেছে। চট্টগ্রাম বন্দরের মাশুল বাড়ছে। প্রতিষ্ঠানগুলো অগ্রিম আয়কর ও উৎসে করের চাপের সঙ্গে লড়াই করছে। ফলে নতুন বিনিয়োগের চেয়ে বিদ্যমান ব্যবসাগুলো টিকিয়ে রাখা ব্যবসায়ীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সংগঠন, ফরেন ইনভেস্টর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই)-র সভাপতি রূপালী হক চৌধুরী  বলেন, “সরকার কিছু অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি করছে। সেখানে অনেক বিনিয়োগকারী জায়গা নিয়েছেন, তবে সেগুলো এখনও প্রস্তুত নয়। রাজস্বনীতি বিনিয়োগবান্ধব নয়। গ্যাস ও বিদ্যুতের দামও বেশি। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কেউ বিনিয়োগ করতে আগ্রহী নয়। তবে আমাদের প্রতিযোগী দেশগুলো এই সুযোগ হারাচ্ছে না।”

    আশিকের অধীনে বিনিয়োগ বাড়েনি:

    ২০২৪ সালের আগস্টে দায়িত্ব নেওয়ার পর আশিক চৌধুরী বলেছিলেন, ২০২৫ সালের শুরু থেকে নতুন বিনিয়োগে উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা যাবে। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ প্রস্তাব বিডা-তে নিবন্ধিত হয়েছে ৬৬ হাজার কোটি টাকার, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৫৮ শতাংশ কম। তুলনামূলকভাবে, করোনাকালে ২০১৯-২০ অর্থবছরে নিবন্ধিত প্রস্তাব ছিল ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা।

    বিদেশি বিনিয়োগ প্রস্তাবও বড় পতন দেখা দিয়েছে। বিদায়ী অর্থবছরে মাত্র ১৪ হাজার কোটি টাকার বিদেশি বিনিয়োগ প্রস্তাব নিবন্ধিত হয়েছে, আগের বছরের ৩২ হাজার কোটি টাকার তুলনায় ৫৬ শতাংশ কম। দেশি বিনিয়োগ প্রস্তাবও কমেছে—২০২৪-২৫ সালে ৫২ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব নিবন্ধিত হয়েছে, যেখানে আগের বছর তা ১ লাখ ২৪ হাজার কোটি টাকা ছিল।

    গত এপ্রিলে আশিক চৌধুরী চার দিনের বিনিয়োগ সম্মেলন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাঁর প্রেজেন্টেশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যথেষ্ট আলোচিত হলেও, শেষ পর্যন্ত সম্মেলনে মাত্র ৩,১০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব আসে। নির্বাহী চেয়ারম্যান দেশের বাইরে বিভিন্ন সফরও করেছেন। মার্চে যুক্তরাজ্য সফরে দেশটির কর্মকর্তাদের, ব্রিটিশ কোম্পানি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। তবু যুক্তরাজ্য থেকে এফডিআই এসেছে মাত্র ৩০ কোটি ডলার, আগের বছরের ৫১ কোটি ডলারের তুলনায় ৪১ শতাংশ কম।

    জানুয়ারি ২০২৫-এ যুক্তরাষ্ট্র সফরে নিট বিনিয়োগ কমেছে ১৩১ শতাংশ। বেইজিং সফরে এফডিআই প্রায় ৩ শতাংশ কমে আসে। ফলে দেশের জন্য নতুন এফডিআই আনার ক্ষেত্রে কার্যকর ফলাফল দেখা যায়নি।

    ব্যক্তিগত জীবনে আশিক চৌধুরী অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয়। ২০২৪ সালের ২৫ মে যুক্তরাষ্ট্রের মেমফিসে ৪১,৭৯৫ ফুট উঁচু থেকে স্কাই ডাইভিং করে বিশ্বরেকর্ড করেন। এছাড়া বিজয়ের ৫৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে ১৬ ডিসেম্বর ৫৪ জন প্যারাট্রুপারের মধ্যে তিনি অংশ নেন। এই উদ্যোগ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পেয়েছে।

    ২০২৫ সালের ১৯ জানুয়ারি প্রথম আলোকে তিনি বলেন, “সাধারণত গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী দেশে বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক থাকে বা শূন্যে চলে যায়। কিন্তু আমাদের দেশে তা উল্টো বেড়েছে। একজন বিদেশি বিনিয়োগকারী হিসেবে ২০২৪ সালে দেশে যা হয়েছে, তা দেখার পর ২০২৫ সালে কেউ কেন বিনিয়োগ করবেন? দেশ কোন দিকে যাচ্ছে, তা অনিশ্চিত ছিল। তারপরও বিনিয়োগ বেড়েছে। এখন প্রধান প্রশ্ন—আমরা তাদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে পারব কি না।”

    বিনিয়োগ বাড়াতে দরকার সাহসী সংস্কার:

    বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, গত দেড় বছরে অন্তর্বর্তী সরকার বড় কোনো সংস্কার করতে পারেনি। আইনশৃঙ্খলার উন্নতি সন্তোষজনক হয়নি, মূল্যস্ফীতি উচ্চ, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট ও ঋণের সুদহার বেড়ে যাওয়ায় চলমান ব্যবসা-বাণিজ্যে গতিশীলতা নেই। এই কারণেই দেশে নতুন বিনিয়োগ বাড়ছে না।

    বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাসরুর রিয়াজ বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সংস্কারকে অগ্রাধিকার দিয়েছিল। শুরুতে কিছু ভিন্নমাত্রার পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছিল। আমলাদের বাইরে থেকে একজনকে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান করা হয়েছিল। আমরা আশা করেছিলাম, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে সাহসী সংস্কার করবেন। তবে গত দেড় বছরে তেমন কোনো উন্নতি হয়নি। ছিটেফোঁটা যা সংস্কার হয়েছে, তা খুবই নগণ্য।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    ব্যাংক

    বিকাশ, রকেট ও নগদে এক হাজার টাকার বেশি পাঠানো যাবে না

    February 1, 2026
    অপরাধ

    বাবা-শ্বশুরের ক্ষমতার ছত্রছায়ায় শেয়ারবাজারের টাকা লুট

    February 1, 2026
    অর্থনীতি

    চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় এক মাস সভা-সমাবেশ ও অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ

    February 1, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইরাকে নতুন আইন নিয়ে উদ্বেগ, শাস্তির ভয় সবার মনে

    আন্তর্জাতিক August 4, 2025

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক October 30, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত January 13, 2025

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি October 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.