Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, ফেব্রু. 23, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বাংলাদেশের ঋণ এখন ১৮৮.৭৯ বিলিয়ন ডলার
    অর্থনীতি

    বাংলাদেশের ঋণ এখন ১৮৮.৭৯ বিলিয়ন ডলার

    হাসিব উজ জামানফেব্রুয়ারি 23, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    চলতি অর্থবছরে ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর সর্বশেষ পূর্বাভাসে এমন তথ্য উঠে এসেছে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, রাজস্ব আদায়ে উল্লেখযোগ্য উন্নতি না হলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে ঋণের কিস্তি শোধ করতে নতুন ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি ঝুঁকি ও উচ্চ ব্যয়ের মুখে পড়তে হতে পারে।

    আইএমএফের গত মাসে প্রকাশিত ‘আর্টিকেল ফোর কনসালটেশন রিপোর্ট’-এ বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে (FY25) সরকারি ঋণ পরিশোধের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াবে ৩০ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলারে, যা আগে ছিল ২৬ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলার। আগামী অর্থবছরে এই অঙ্ক আরও বেড়ে ৩৩ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।

    মোট সরকারি ঋণ কত?

    আইএমএফের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট সরকারি ঋণ এখন ১৮৮ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা জিডিপির ৪১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা আগের বছর ছিল ৩৯ শতাংশ। এর মধ্যে দেশীয় ঋণ ১০১ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার এবং বৈদেশিক ঋণ ৮৭ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলার।

    অর্থবছর-২৫ এ দেশীয় ঋণ পরিশোধ জিডিপির ৪ দশমিক ২ শতাংশ, আর বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ ১ দশমিক ২ শতাংশে স্থিতিশীল রয়েছে। তবে প্রকৃত চাপ পড়েছে সরকারি রাজস্ব আয়ে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশীয় ঋণ জিডিপির ২২ দশমিক ৬ শতাংশে দাঁড়ালেও, এই ঋণের সার্ভিসিং খরচ সরকারি আয়ের ৮৯ দশমিক ৪ শতাংশ গ্রাস করেছে—যা সমপর্যায়ের অনেক দেশের তুলনায় অনেক বেশি। আইএমএফ বলছে, এই অনুপাত আরও বাড়তে পারে।

    ‘রোলওভার ঝুঁকি’ কেন বাড়ছে?

    আইএমএফের ভাষায়, ঋণ পরিশোধে রাজস্বের এত বড় অংশ ব্যয় হওয়া ভবিষ্যতে ‘রোলওভার ঝুঁকি’ বাড়ায়। অর্থাৎ পুরোনো ঋণ শোধ করতে নতুন ঋণ নেওয়া কঠিন ও ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে।

    রিপোর্টে বলা হয়েছে, সুদসহ ঋণ-পরিশোধ-রাজস্ব অনুপাত মধ্যমেয়াদে উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি তৈরি করছে। উচ্চ ঋণগ্রহণ ব্যয় এবং ধীর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কারণে আগের বিশ্লেষণের তুলনায় ঋণের সূচকগুলো এখন আরও ঊর্ধ্বমুখী।

    সামনে আরও ঝুঁকি?

    যদিও কর সংস্কার কার্যকর হলে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের মধ্যে ঋণ-পরিশোধ-রাজস্ব অনুপাত কিছুটা কমতে পারে, তবু বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো চরম পরিস্থিতিতে ২০৩০ সালের মধ্যে এই অনুপাত ১১০ শতাংশেরও বেশি হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে।

    আইএমএফ স্পষ্টভাবে বলেছে, রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত বাড়ানো এখন অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত ৭ শতাংশেরও নিচে, যা ঋণ ব্যবস্থাপনায় বড় সীমাবদ্ধতা তৈরি করছে। এ প্রেক্ষাপটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আসন্ন বাজেটে বিএনপি সরকার এই অনুপাত ৮ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে।

    ব্যাংক খাতের ওপর চাপ

    আইএমএফ আরও সতর্ক করেছে, ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত দেশীয় ঋণ নেওয়া হলে বেসরকারি খাত ‘ক্রাউডিং আউট’-এর শিকার হতে পারে। অর্থাৎ সরকার বেশি ঋণ নিলে বেসরকারি ব্যবসার জন্য অর্থের প্রাপ্যতা কমে যায়, ফলে বিনিয়োগ ও প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয়। এতে আর্থিক খাতের সক্ষমতাও চাপে পড়ে এবং ঋণের সুদের হার বাড়তে পারে।

    যদি সরকার দুর্বল ব্যাংকগুলোকে সহায়তা দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর নির্ভর করে, তাহলে স্বল্পমেয়াদি সুদের হার নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা হারানোর ঝুঁকি তৈরি হবে। এতে মুদ্রার অবমূল্যায়ন ও মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে—যা আবার ঋণ স্থিতিশীলতাকে আরও দুর্বল করবে।

    কর সংস্কার ও বিনিয়োগকারী ভিত্তি বিস্তারের পরামর্শ

    ঝুঁকি কমাতে আইএমএফ সরকারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগকারীর ভিত্তি বৈচিত্র্য আনার ওপর জোর দিয়েছে। প্রাইমারি ডিলার ব্যবস্থায় সংস্কারের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। প্রাইমারি ডিলার হলো এমন কিছু অনুমোদিত ব্যাংক বা বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যারা সরাসরি সরকারের সঙ্গে লেনদেন করে সরকারি সিকিউরিটি ইস্যু ও বিতরণে সহায়তা করে।

    এ ছাড়া ঋণ ব্যবস্থাপনায় ‘লায়াবিলিটি ম্যানেজমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক’ চালুর প্রয়োজনীয়তার কথাও বলা হয়েছে।

    ঋণ ঝুঁকি এখন ‘মাঝারি’

    সাবেক অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ তার উত্তরসূরির কাছে দেওয়া নোটে উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের ঋণঝুঁকি ‘নিম্ন’ থেকে ‘মাঝারি’ পর্যায়ে নেমে এসেছে। যদিও আইএমএফের মানদণ্ডে বর্তমান ঋণের মাত্রা সহনীয়, তবু সতর্ক থাকার ওপর তিনি জোর দিয়েছেন। তার মতে, ঋণ পরিশোধের গতি এখন রপ্তানি আয় ও সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধির চেয়ে দ্রুত।

    তিনি রাজস্ব সংগ্রহ জোরদার করা এবং উচ্চ সুদের অ-রেয়াতি ঋণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।

    সম্প্রতি বিলুপ্ত অন্তর্বর্তী সরকারও আইএমএফকে দেওয়া জবাবে স্বীকার করেছে, কম রাজস্ব, বাড়তি ব্যয় এবং ব্যাংক খাতের দুর্বলতা দেশের আর্থিক চাহিদা পূরণে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    সব মিলিয়ে, বাংলাদেশ এখন এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। ঋণ এখনো সহনীয় পর্যায়ে থাকলেও, দ্রুত সংস্কার ও রাজস্ব বৃদ্ধির উদ্যোগ না নিলে আগামী বছরগুলোতে চাপ আরও বাড়তে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতিতে সংকটের ছায়া

    ফেব্রুয়ারি 23, 2026
    অর্থনীতি

    ট্রাম্পের ১৫ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা: স্বস্তি মিললেও সংশয় এখনও রয়ে গেছে

    ফেব্রুয়ারি 23, 2026
    অর্থনীতি

    কথা কম বলে কাজ করে দেখাতে চাই: অর্থমন্ত্রী

    ফেব্রুয়ারি 23, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    ইরাকে নতুন আইন নিয়ে উদ্বেগ, শাস্তির ভয় সবার মনে

    আন্তর্জাতিক আগস্ট 4, 2025

    ১১৭ বছরের সকল জমির দলিল এখন অনলাইনে

    বাংলাদেশ নভেম্বর 9, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.