প্রতি বছর দেশে দেড় লাখ কোটি টাকার মতো জ্বালানি পণ্য আমদানি হয়। এর মধ্যে আছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), বিভিন্ন প্রকার তেল—পরিশোধিত ও অপরিশোধিত—এলপিজি এবং কয়লা।
গত এক দশক ধরে জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানিতে অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ঘটনা লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষজ্ঞদের অভিযোগ, এর পেছনে দায়ী ছিলেন পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী, আমলা ও কিছু ব্যবসায়ী। একদিকে গ্যাস খাতে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ হয়নি, অন্যদিকে মজুদ ও টেকসই সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বড় ধরনের গড়িমসি দেখা গেছে। ফলশ্রুতিতে, আমদানি-নির্ভরতা বৃদ্ধি পেয়ে দেশের জ্বালানি খাত ঋণ ও দায়ে জর্জরিত হয়েছে।
এ অবস্থায় বিদেশ থেকে জ্বালানি আমদানির ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে। সরবরাহকারী দেশগুলোতে যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে কখনো কখনো জ্বালানি সরবরাহে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার আশা করেছিল, খাতে অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত বন্ধ করে জ্বালানি খাতকে দায়মুক্ত করা সম্ভব হবে। তবে আইনি সংস্কার সত্ত্বেও আমদানিনির্ভর নীতি অব্যাহত থাকায় খাতের দুরবস্থার অবসান হয়নি। দুই দশক ধরে চলা একমুখী নীতি, দুর্নীতি ও অনিয়ম বর্তমান নির্বাচিত সরকারকে শুরু থেকেই বড় চাপে ফেলেছে। এ পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধ দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর আরও বড় চাপ তৈরি করেছে।
দেশের অর্থনীতি সাশ্রয়ী মূল্যের গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল হলেও খাতে উৎপাদন বাড়াতে বড় কোনো বিনিয়োগ হয়নি। ফলে গ্যাস উত্তোলন ক্রমাগত কমছে। এই অবস্থায় আমদানি বৃদ্ধির নীতি কার্যকর হয়েছে, যার কারণে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হয়েছে এবং একশ্রেণীর সুবিধাভোগী বড় অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে।
বর্তমানে দেশে বছরে প্রায় ৭০ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করতে হয়, যার ব্যয় প্রায় ৬০–৬৫ হাজার কোটি টাকা। দেশের তেলের দাম কমানো এবং সংকটকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলায় ইস্টার্ন রিফাইনারির সক্ষমতা বাড়ানো যায়নি। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই রিফাইনারির বর্তমান পরিশোধনক্ষমতা ১৫ লাখ টনে সীমাবদ্ধ।
আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর ইস্টার্ন রিফাইনারির সক্ষমতা ৩০ লাখ টন বাড়িয়ে মোট ৪৫ লাখ টন করার উদ্যোগ নিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকার রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্বিতীয় ইউনিট নির্মিত হলে দেশে পরিশোধিত তেলের আমদানি কমে যেত। বর্তমানে সরকার ৫০–৫৫ হাজার কোটি টাকার পরিশোধিত তেল আমদানি করছে। যদি রিফাইনারির সক্ষমতা বাড়ানো যেত, আমদানি কমত এবং সংকটকালে মজুদ ব্যবস্থাও শক্তিশালী হতো।
দেশের গ্যাস খাতে নিজস্ব সক্ষমতার সূচনা স্বাধীনতার পরেই হয়। তখন বহুজাতিক কোম্পানি শেল অয়েলের মালিকানাধীন পাঁচটি গ্যাসক্ষেত্র—তিতাস, হবিগঞ্জ, কৈলাসটিলা, বাখরাবাদ ও রশিদপুর—ক্রয় করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট চুক্তি সই করে এই গ্যাসক্ষেত্রগুলো রাষ্ট্রীয়করণ করা হয়। এখনো দেশের নিজস্ব কোম্পানি সরবরাহকৃত গ্যাসের প্রায় ৮০ শতাংশ এই পাঁচটি ক্ষেত্র থেকেই আসে।
পেট্রোবাংলার সাবেক দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ থেকে জানা গেছে, দেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে গ্যাসক্ষেত্র উন্নয়ন ও কূপ খননের মাধ্যমে জ্বালানি খাতে স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে সাবেক সোভিয়েত সরকারের সঙ্গে একটি চুক্তি সই করা হয়। চুক্তির আওতায় সোভিয়েত সরকার দেশকে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করে।
এরপর প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে পশ্চিম জার্মানির সঙ্গে জ্বালানি খাতের উন্নয়নে একটি কারিগরি চুক্তি হয়। এই চুক্তিগুলোর মূল লক্ষ্য ছিল দেশের জ্বালানি খাতের উৎপাদন ও সক্ষমতা বাড়ানো। ১৯৯০ সালের আগ পর্যন্ত এই উদ্যোগগুলো কার্যকরভাবে চালু থাকায় খাতটি তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ছিল।
১৯৯৫ সালের পর দেশে বিদেশি কোম্পানিকে নিয়োগ দিয়ে কিছু গ্যাসক্ষেত্রের সঙ্গে চুক্তি করে মার্কিন কোম্পানি শেভরন। পিএসসি (প্রডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট) অনুযায়ী বিবিয়ানা, মৌলভীবাজার ও জালালাবাদ গ্যাসফিল্ডে কাজ শুরু করে এই কোম্পানি। কূপ উন্নয়ন ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিবিয়ানার গ্যাসফিল্ড থেকে উৎপাদিত গ্যাস দেশের জ্বালানি উৎপাদনে বড় অবদান রাখে। এরপর বিভিন্ন সময়ে অফশোরে গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হলে বেশ কিছু কোম্পানি আগ্রহ দেখায় এবং কাজও শুরু করে। তবে অনেক কোম্পানি পরে গ্যাসফিল্ড ছেড়ে যায়, প্রধানত পেট্রোবাংলার সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারায়।
দেশের গ্যাস খাতে বড় সংকট মূলত ২০১৫ সালের দিকে শুরু হয়। চাহিদার তুলনায় ঘাটতি ক্রমেই বৃদ্ধি পেতে থাকে। এই পরিস্থিতিতে ২০১৭ সালে পতিত আওয়ামী লীগ সরকার গ্যাস সেক্টর নিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করে। এতে গ্যাস ঘাটতি মেটাতে আমদানির পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
২০১৮ সাল থেকে দুটি দেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে গ্যাস আমদানি শুরু হয়। তবে স্থানীয় গ্যাস অনুসন্ধানের কাজ তখন ধীর হয়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে, এই সময়ে আওয়ামী সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এলএনজি আমদানিতে একটি সিন্ডিকেট তৈরি করেছিলেন। সিন্ডিকেটের কারণে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান সীমিত রেখে আমদানিতে জোর দেওয়া হয়।
তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দুর্নীতি, অনিয়ম এবং অর্থপাচারের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে বিদেশি কোম্পানিকে কাজ পাইয়ে দিয়ে কমিশন নেওয়া, বিদেশি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ ও এলএনজি খাতে দুর্নীতি, কালোতালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেওয়া এবং সর্বোচ্চ মহল থেকে যাচাই-বাছাই ছাড়াই ফাইল অনুমোদনের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে রয়েছে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ অর্থবছর থেকে পরবর্তী সাত অর্থবছরে দেশে ২ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকার এলএনজি আমদানি হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৫১ হাজার কোটি টাকার এলএনজি আমদানি হওয়ার প্রাক্কলন রয়েছে। এলএনজি আমদানির জন্য গ্যাস খাতে এই সময়ে ৩৫ হাজার কোটি টাকার বেশি ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে। পেট্রোবাংলার গ্যাস উন্নয়ন তহবিলের বড় অংশ এলএনজি কেনার জন্য ব্যয় হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন বৈদেশিক সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে এলএনজি কিনতে গিয়ে সংস্থাটি বিপুল অর্থসংকটে পড়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উপদেষ্টা হন। শুরুতেই সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বিশেষ আইন বাতিল করে এবং আমদানি সংক্রান্ত অনিয়ম ও দুর্নীতি অনুসন্ধানের জন্য জাতীয় পর্যালোচনা কমিটি গঠন করে। একই সঙ্গে বিদ্যুতের ট্যারিফ কমানোর উদ্যোগ নেয়া হলেও, দেশের বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক ক্ষতি কমানো সম্ভব হয়নি।
দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনার মুখে থাকা ব্যয়বহুল এলএনজি আমদানিকে কমানো গেল না। বরং সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার এলএনজি আমদানিতে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি জোর দেয়, যাতে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা অবিচ্ছিন্ন থাকে। এতে দেখা যায়, তারা অনেকটা আওয়ামী লীগ সরকারের নীতির পথ অনুসরণ করেছেন।
অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ বলেন, “আমদানিনির্ভর জ্বালানিনীতি মূলত কিছু নির্দিষ্ট মানুষকে ব্যবসা দেয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে। বিদ্যুৎ খাতের মহাপরিকল্পনা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য অপমানজনক। এখানে কোনো বাংলাদেশী বিশেষজ্ঞের অন্তর্ভুক্তি ছিল না। এটি ঋণনির্ভর ও আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থাপনার বড় আয়োজন। শেখ হাসিনা সরকার এটি কিছু দেশকে সুবিধা দেওয়ার জন্য করেছে, যাতে তার ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং বড় দেশগুলোকে সন্তুষ্ট রাখা যায়।”
আনু মুহাম্মদ আরও বলেন, “আওয়ামী সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আশা ছিল, তারা আমদানিনির্ভর নীতি থেকে বেরিয়ে জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় পরিকল্পনা তৈরি করবেন। কিন্তু তা হয়নি। বরং আমদানিনির্ভরতা আরও বেড়ে গেছে। একই সঙ্গে জ্বালানি খাতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে বিভিন্ন গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা এবং বিনা দরপত্রে কাজ প্রদান করা হয়েছে। এ পরিমাণ আমদানিনির্ভরতার কারণে যখনই সরবরাহকারী দেশগুলোতে যুদ্ধ-সংঘাত তৈরি হয়, তখনই বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।”
দেশে গ্যাসের মজুদ অবকাঠামো তৈরি করা হয়নি এবং এলএনজি অবকাঠামো নির্মাণেও বড় অর্থ বিনিয়োগ করা হয়নি। এর ফলে দেশের শিল্প, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, আবাসিক ও সিএনজি খাত গ্যাস সংকটে ভুগছে। একই সঙ্গে এই সংকট দেশের অর্থনীতির ওপরও প্রভাব ফেলছে। গ্যাস ঘাটতি কাটাতে বিভিন্ন সময় কূপ খনন প্রকল্প চললেও আশাব্যঞ্জক ফলাফল পাওয়া যায়নি।
দেশের গভীর সাগরে অন্তত ২৬টি ব্লক রয়েছে। ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের পর মিয়ানমার তাদের সমুদ্রসীমায় বিপুল গ্যাস পেয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ দীর্ঘ সময় দরপত্র আহ্বান করেও কোনো বিদেশি কোম্পানির কাছে সাড়া পায়নি। জ্বালানি খাতে স্বনির্ভরতা অর্জন করতে বড় বিনিয়োগ প্রয়োজন। কিন্তু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে বেশি মনোযোগী হওয়ায় এলএনজি ও গ্যাস অনুসন্ধানে বাজেট বরাদ্দ হয়নি।
দেশে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সক্ষমতা প্রায় সাত হাজার মেগাওয়াট। এসব কেন্দ্র চালাতে প্রতি বছর অন্তত ১৭ হাজার কোটি টাকার কয়লা আমদানি করতে হচ্ছে। দেশের পাঁচটি খনিতে বিপুল কয়লা মজুদ থাকলেও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের অভাবে তা উত্তোলন করা যায়নি। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে আমদানি করা কয়লা ব্যবহার করতে হচ্ছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পেট্রোবাংলা, বাপেক্স ও বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) দীর্ঘসময় কাজ করা মকবুল ই-ইলাহী চৌধুরী, যিনি ২০০১-০৩ সালে বাপেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন, জানালেন, “নব্বইয়ের দশকের পর থেকে জ্বালানি খাতে একধরনের স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। দেশের অর্থনীতির ভিত্তি যে জ্বালানি পণ্যের ওপর দাঁড়িয়েছে, সেখানে যথেষ্ট বিনিয়োগ হয়নি। একই সঙ্গে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মনোযোগ ছিল আমদানিনির্ভরতায়। দুই দশক ধরে গ্যাস খাতের অনুসন্ধানে অতি রক্ষণশীলতা বজায় ছিল। এর সুযোগ নিয়েছে একশ্রেণীর ব্যবসায়ী, যারা দেশের গ্যাস খাতের সমস্যাকে আমদানি বৃদ্ধির মাধ্যমে সমাধান হিসেবে দেখিয়েছে। এ কারণগুলোই আজকের জ্বালানি সংকটের মূল ভিত্তি।”
আরেকজন বিশেষজ্ঞ বলেন, “আগের নীতিনির্ধারকরা গ্যাস অনুসন্ধানে আগ্রহ দেখাননি। তারা মনে করেছিলেন দেশে গ্যাস নেই, তাই বিনিয়োগও হয়নি। কিন্তু তারা বোঝেননি, শুধুমাত্র আমদানি করা গ্যাস দিয়ে দেশের অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব নয়।”জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও ভূতত্ত্ববিদ অধ্যাপক বদরূল ইমাম বলেন, “আমদানি করা জ্বালানি দিয়ে দেশের অর্থনীতি ও শিল্প অবকাঠামো ঠিক রাখা বরাবরই চ্যালেঞ্জ। আমরা দীর্ঘ সময় ধরে বড় কোনো অনুসন্ধান করতে পারিনি।
কেন, তা নিয়ে একটি অদ্ভুত অনীহা কাজ করছে। বাংলাদেশে গ্যাস অনুসন্ধান করলে গ্যাস পাওয়া যাবে না—এমন ধারণা যেন মাইন্ড সেটআপে পরিণত হয়েছে। দূরদর্শিতামূলক কোনো পরিকল্পনা নেই, এবং এখন আমরা তার ভুক্তভোগী হচ্ছি। এই পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার উপায় খুঁজতে হবে।”

