Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, মার্চ 4, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » শিক্ষার ক্ষেত্রে আইন কেন প্রয়োজন?
    শিক্ষা

    শিক্ষার ক্ষেত্রে আইন কেন প্রয়োজন?

    মনিরুজ্জামানফেব্রুয়ারি 5, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি ‘শিক্ষা আইন’ প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে এবং জনসাধারণের মতামতের জন্য আইনটির খসড়া ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। মাত্র ১২ পৃষ্ঠার এই খসড়া আইনের ওপর মতামত দেওয়ার জন্য সাত দিন সময় দেওয়া হয়েছে। ২০১০ সালের শিক্ষা নীতি প্রণয়নের পরপরই শিক্ষা আইন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

    একটি আইনের খসড়া একাধিকবার মন্ত্রিসভার বিবেচনার জন্য প্রেরণ করা হলেও নানা কারণে আইনটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপিত হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের এই শেষ সময়ে একটি শিক্ষা আইন করা সমীচীন হবে কি না, তা নিয়ে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন। ৩ ফেব্রুয়ারি প্রথম আলোর প্রথম পাতায় এ নিয়ে একটি রিপোর্টও প্রকাশিত হয়েছে।

    বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে আশু ও তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের জন্য শিক্ষাসংক্রান্ত কিছু অধ্যাদেশ ও আইন করা জারি হয়েছে এবং নানা প্রয়োজনে সেসব আইনের কিছু কিছু ধারা সংশোধন করা হয়েছে। প্রতিটি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য নির্দিষ্ট আইন আছে; কিন্তু সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা যেভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তার জন্য কোনো সমন্বিত আইনি কাঠামো নেই। এ কারণে সরকারের পক্ষে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব হয় না। প্রস্তাবিত আইন সম্পর্কে এখানে বিস্তারিত বলা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। এ রকম একটি আইনের ইতিবাচক দিক কী, তা বোঝার জন্য উদাহরণ হিসেবে কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করব।

    ‘শিক্ষা সুযোগ নয়, অধিকার’—কথাগুলো বাংলাদেশে একটি স্লোগান মাত্র। বাংলাদেশ সংবিধানের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে ‘একই পদ্ধতির গণমুখী ও সর্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার’ এবং ‘আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের’ কথা বলা হলেও শিক্ষাকে আইনিভাবে বলবৎযোগ্য কোনো মৌলিক অধিকার হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। প্রস্তাবিত আইনে প্রাথমিক শিক্ষাকে শিশুর অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

    এমপিওভুক্ত হওয়ার সুযোগের অপব্যবহার করে বা সেই সুযোগ লাভের আশায় দেশের নানা এলাকায় বেসরকারি স্কুলের সংখ্যা এতই বৃদ্ধি পেয়েছে যে কোনো কোনো এলাকায় জনসংখ্যা অনুযায়ী যতগুলো স্কুল থাকা প্রয়োজন, তার চেয়ে অনেক বেশি স্কুল রয়েছে। সামান্যসংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে এসব স্কুল যেনতেনভাবে চলছে। দেশে বিশাল জনসংখ্যা থাকা সত্ত্বেও এখন নিম্নমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের ৬৪২টি বিদ্যালয় রয়েছে, যেগুলোতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০০ জনের কম। পাশাপাশি অবস্থিত একাধিক ক্ষুদ্র বিদ্যালয় একীভূত করে সেই একীভূত বিদ্যালয়কে শক্তিশালী করা উচিত; কিন্তু প্রয়োজনীয় আইনি সমর্থন না থাকার কারণে এসব উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হয় না।

    প্রস্তাবিত আইনে সরকারকে এরূপ ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্যবস্থাপনা কমিটি বা পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন প্রশাসনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ একটি সাধারণ বিষয়। প্রস্তাবিত আইনে এর বিরুদ্ধে বিধান রাখা হয়েছে, যা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা ও পাঠদানে অনাবশ্যক হস্তক্ষেপ বন্ধ করবে।

    ‘এই শিক্ষা আইন শিক্ষার খোলনলচে পাল্টাবে না; কিন্তু পরবর্তী সরকারের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে’

    প্রস্তাবিত আইনের কোনো বিধান দেশের শিক্ষার জন্য ক্ষতিকর—এমন কথা বলতে কাউকে এখনো শুনিনি। তবুও এই আইন সবার কাঙ্ক্ষিত সব বিধানসংবলিত একটি আদর্শ আইন হয়তো নয়। অনেকে হয়তো ‘আরও ভালো’ আইন দেখতে চান; কিন্তু ‘আরও ভালো’ আইনের আশায় আমরা একটি ‘যথাসাধ্য ভালো’ আইনকে স্বাগত জানাব না কেন? একটি ‘যথাসাধ্য ভালো’ আইন যদি এখন জারি হয়, তা অদূর ভবিষ্যতে সেই আইনকে ‘আরও ভালো’ করতে কোনো অসুবিধা নেই।

    এই আইনে কী নেই বা কী থাকা উচিত ছিল, তা দেখতে গেলে আমরা ‘প্যান্ডোরার বাক্স’ খুলে বসব; বরং প্রস্তাবিত আইনে যা আছে, তা যথাযথ কি না, সেটিই দেখা উচিত। উদাহরণস্বরূপ, এই আইনে কেবল প্রাথমিক শিক্ষাকে শিশুর অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক হওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা ১৯৯০ সালের একটি আইনের প্রতিধ্বনি।

    আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার চতুর্থ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য পর্যায়ক্রমে আমাদের দেশে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক হওয়া উচিত এবং এখনই অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষাকে অর্থাৎ নিম্নমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত মৌলিক শিক্ষা হিসেবে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক করা উচিত; কিন্তু তার মানে এই নয় যে আইনে এই বিষয়ের উল্লেখ নেই বলে আইনটি পাস হওয়া উচিত নয়। ভবিষ্যৎ সরকার অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার স্তর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলে খুব সহজেই আইনটি সংশোধন করতে পারে।

    দীর্ঘদিন সরকারে কাজ করার অভিজ্ঞতায় আমরা দেখেছি, একটি নতুন আইন প্রণয়ন একটি শ্রমসাধ্য ও জটিল কাজ। আর সেই আইন যদি শিক্ষার মতো ‘দুয়োরানি’ খাতের জন্য হয়, তবে তা সরকারের প্রাধিকার তালিকার তলানিতে থাকে। গত সরকারের আমলে ১৫ বছরেও শিক্ষা আইনটি পাস না করতে পারা তারই জলজ্যান্ত উদাহরণ। একবার একটি আইন পাস হয়ে গেলে যেকোনো প্রয়োজনে তা সহজেই সংশোধন করা যায়।

    বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের এই আইন পাস করা উচিত, নাকি পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের জন্য রেখে দেওয়া উচিত—তা নিয়ে একটি প্রশ্ন রয়েছে। বর্তমান সরকার এই আইন একটি অধ্যাদেশ হিসেবে পাস করবে। অধ্যাদেশ কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি নয় যে এক সরকার স্বাক্ষর করলে পরবর্তী সরকারের জন্যও তা পালনযোগ্য হবে। সংবিধানের ৯৩ (২) ধারা অনুযায়ী নির্বাচনের পর নতুন সংসদ গঠিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অধ্যাদেশটি আইন হিসেবে পাস হতে হবে; অন্যথায় এর কার্যকারিতা লোপ পাবে। পরবর্তী সরকার যদি এই অধ্যাদেশ অপ্রয়োজনীয় মনে করে, তবে তা আইন হিসেবে পাস না–ও করতে পারে, অথবা প্রয়োজনীয় সংশোধনসহ পাস করতে পারে।

    এই শিক্ষা আইন শিক্ষার খোলনলচে পাল্টাবে না; কিন্তু পরবর্তী সরকারের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে।

    ● চৌধুরী মুফাদ আহমদ সাবেক সচিব। সূত্র: প্রথম আলো

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    যুক্তরাষ্ট্রের ফাঁদে কেন পা দিল ইরানিদের একাংশ?

    মার্চ 3, 2026
    শিক্ষা

    এইচএসসির রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ৩৮ হাজার ছাত্রকে দেখানো হলো ছাত্রী!

    মার্চ 3, 2026
    মতামত

    যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা ইরানিদের পরিচয় মুছে ফেলতে পারবে না

    মার্চ 3, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.