দক্ষিণী সিনেমার শুটিং চলাকালে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার মারাত্মক লঙ্ঘনের শিকার হয়েছিলেন অভিনেত্রী শালিনী পান্ডে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করে এই তরুণ অভিনেত্রী জানান, বিনা অনুমতিতে এক পরিচালক ঢুকে পড়েছিলেন তাঁর ভ্যানিটি ভ্যানে- যেখানে তিনি তখন পোশাক পরিবর্তন করছিলেন। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
শালিনী বলেন, আমি তখন ইন্ডাস্ট্রিতে একেবারেই নতুন। কারও গাইডেন্স ছিল না, কিছু বুঝতাম না। কিন্তু ততদিনে বুঝে গিয়েছিলাম, নিজেকে না বাঁচালে কেউ বাঁচাবে না।
তিনি জানান, দক্ষিণ ভারতীয় একটি ছবির শুটিংয়ের সময় পরিচালক হঠাৎ করেই তাঁর ভ্যানের দরজা ঠেলে ঢুকে পড়েন, বিনা অনুমতিতে এবং না নক করেই। আমার বয়স তখন মাত্র ২২। দ্বিতীয় ছবি করছি। পরিচালক হয়তো ভেবেছিল, আমি কিছুই বলব না। কিন্তু আমি সরাসরি চেঁচিয়ে উঠেছিলাম। রাগ চূড়ায় পৌঁছে গিয়েছিল বলে জানায় শালিনী।

তবে চমকে দেওয়ার মতো বিষয় হলো, ঘটনার পর আশপাশের অনেকে উল্টো শালিনীকেই দোষারোপ করতে শুরু করেন। তাঁর প্রতি মন্তব্য আসে, ‘এভাবে চেঁচানো উচিত হয়নি’। বিষয়টি নিয়ে শালিনীর প্রশ্ন- নতুন বলে কেউ আমার গায়ে পড়ে আসবে- এটা কোন নিয়ম? আপনি যেই হন, আপনার আমার ব্যক্তিগত জায়গায় ঢোকার অধিকার নেই!
শালিনী আরো বলেন, এই কারণেই অনেকে আমাকে ‘রাগী মেয়ে’ বলে। কিন্তু নিজেকে রক্ষা করার জন্য একটা সীমারেখা টানা জরুরি। এখন বুঝি, পরিস্থিতি বুঝে- স্মার্টভাবে প্রতিক্রিয়া জানানোও অনেক সময় কার্যকর হয়।
শালিনীর এই বক্তব্য মালয়ালম ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে শোষণ ও বৈষম্য নিয়ে বিচারপতি হেমা কমিটির প্রতিবেদন ও অন্যান্য অভিনেত্রীর অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিল রেখে আবারো ইন্ডাস্ট্রির অন্ধকার দিকটিকে সামনে আনল।

