মার্কিন-ইসরায়েলের যৌথ হামলার ২১তম দিনের হিসেব বলছে, ইরানের ২ শতাধিক শিশুসহ এ পর্যন্ত প্রাণহানি প্রায় দেড় হাজার। পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরানও। ইসরায়েল স্বীকার করেছে, তাদের হাইফা তেল শোধনাগারে হামলা হয়েছে। কেবল জেরুসালেম শহরেই বৃহস্পতিবার রাতে চার দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়।
শহরে অন্তত দুটি বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। এক ঘণ্টার ব্যবধানে চার বার পৃথক বিমান হামলার সতর্কতা জারি করা হয়। দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ। গেল ২ মার্চ দেশটিতে হামলা বাড়ানোর পর থেকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননে তাদের স্থলবাহিনীর উপস্থিতি বাড়িয়েছে। গত ১৮ দিনে লেবাননে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়েছে।
উপসাগরীয় দেশগুলোতেও হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরান। সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, তারা রাতে তিন ঘণ্টার মধ্যে পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের আকাশে পাঁচটি ড্রোন প্রতিহত ও ভূপাতিত করেছে। বাহরাইনেও সতর্কতামূলক সাইরেন সক্রিয় করা হয়েছে। জনগণকে নিকটতম নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, চলমান যুদ্ধের মধ্যেই উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সাড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া, কয়েকটি ইউরোপীয় দেশের সাথে কানাডা ও জাপানের নেতারাও বলেছেন, তারা হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার মার্কিন প্রচেষ্টায় অবদান রাখবেন।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, ইরান-বিরোধী যুদ্ধের অর্থায়নে কংগ্রেসের কাছে ২শ বিলিয়ন ডলার চাওয়া হয়েছে। একইসাথে বলেছেন, যুদ্ধ শেষ হওয়ার কোনো ‘নির্দিষ্ট সময়সীমা’ নেই।

