ইরানের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলাইন লেভিট। সূত্র: বিবিসি
স্থানীয় সময় বুধবার হোয়াইট হাউসে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
লেভিট বলেন, ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় বোমা হামলার বিষয়ে ট্রাম্পের হুমকির পর এটি স্পষ্ট হয়েছে যে ইরান আলোচনায় বসতে চায়।
তিনি আরো বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুনতে আগ্রহী। গত তিন দিন ধরে ইরানের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ‘ফলপ্রসূ আলোচনায়’ যুক্ত রয়েছেন বলেও জানান হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১৫ দফা প্রস্তাবটিকে ‘অনুমাননির্ভর’ বলে মন্তব্য করেন লেভিট। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এর মধ্যে সত্যতা রয়েছে।
তবে এটি নিয়ে হওয়া কিছু প্রতিবেদন পুরোপুরি সঠিক নয়।’ চলমান আলোচনার খুঁটিনাটি বিষয়ে এখনই কিছু বলতে তিনি রাজি হননি।
এ সময় হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব বলেন, প্রেসিডেন্টের লক্ষ্য ‘সব সময় শান্তি’।
তবে ইরান যদি বর্তমান বাস্তবতা মেনে নিতে ব্যর্থ হয় তবে ট্রাম্প তাদের ওপর ‘নজিরবিহীন কঠোর আঘাত’ হানবেন।
তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ফাঁকা বুলি দেন না, এবং তিনি নরক নামিয়ে আনতে প্রস্তুত।’
তাঁর দাবি, ইরান আগের ‘ভুল হিসাবনিকাশের’ কারণে তাদের নেতৃত্ব, নৌবাহিনী এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হারিয়েছে।
লেভিট দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আক্রমণাত্মক ও রক্ষণাত্মক সক্ষমতা ‘ধ্বংস’ করে চলেছে। এটি ‘অত্যন্ত স্পষ্ট’ যে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি ‘বিরাট সামরিক বিজয়’।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত ইরানে নয় হাজার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। মাইন স্থাপনকারী জাহাজসহ ইরানের নৌবাহিনীকে ‘নির্মূল’ করছে।
তাঁর মতে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তিন সপ্তাহের ব্যবধানে কোনো নৌবাহিনীকে এভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়ার এটিই সবচেয়ে বড় ঘটনা।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব আরও বলেন, ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ‘চুরমার’ করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ইরান সরকার এখন এই পরিস্থিতি থেকে ‘বেরিয়ে আসার পথ’ খুঁজছে।

