দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম শুল্কহার এখন পাকিস্তানের। দেশটির শুল্কহার কমিয়ে আনা হয়েছে মাত্র ১৯ শতাংশে, যা ভারতের ২৫ শতাংশ হারের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি ‘গভীর কৃতজ্ঞতা’ প্রকাশ করেছেন এই শুল্কছাড় সুবিধা দেওয়ার জন্য। আগে পাকিস্তানের গড় শুল্কহার ছিল ২৯ শতাংশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের অর্থ মন্ত্রণালয় জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া নতুন এ বাণিজ্য চুক্তি অর্থনৈতিক সহযোগিতার একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। চুক্তির আওতায় জ্বালানি, খনি ও খনিজসম্পদ, তথ্যপ্রযুক্তি, ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং অন্যান্য খাতে সহযোগিতা জোরদার হবে।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, কম শুল্কহার পাকিস্তানের তৈরি পোশাক শিল্পকে বিশেষভাবে চাঙা করবে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হওয়া তৈরি পোশাকই পাকিস্তানের মোট রপ্তানির প্রায় ৬০ শতাংশ। এ খাতে পাকিস্তানের প্রধান প্রতিযোগী ভারত, বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম এখনো তুলনামূলকভাবে উচ্চ শুল্কের মুখে রয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের আমলে যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তান সম্পর্ক দৃশ্যমানভাবে উষ্ণ হয়েছে। চলতি বছরের জুন মাসে পাকিস্তান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়নও দিয়েছিল।

