উত্তর আটলান্টিক সাগরে রাশিয়ার পতাকাবাহী একটি তেল ট্যাংকার জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কয়েকদিন ধরে চলা তৎপরতার পর বুধবার (৭ জানুয়ারি) এ সফলতা পেয়েছে মার্কিন সংস্থা।
রাশিয়া ইতোমধ্যেই এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। রুশ পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের বরাতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন ভঙ্গ করেছে। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, “১৯৮২ সালের জাতিসংঘের সমুদ্র আইন অনুযায়ী উন্মুক্ত সমুদ্রে জাহাজ চলাচলের পূর্ণ স্বাধীনতা আছে। কোনো দেশই অন্য দেশের রেজিস্ট্রি করা জাহাজের ওপর জোর প্রয়োগ করতে পারবে না।”
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, জব্দকৃত ট্যাংকারটির নাম বেলা-১, এবং এটি আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা অমান্য করছিল। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, “নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা এবং ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর অবরোধ বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে কার্যকর থাকবে।”
জাহাজটি আটকাতে মার্কিন কোস্টগার্ড হেলিকপ্টার ও বিশেষ বাহিনী ব্যবহার করেছিল। প্রথমে ট্যাংকারের ক্রু এই ধাওয়াকে অগ্রাহ্য করলেও, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মার্কিন বাহিনী সফলভাবে জাহাজটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।
মস্কো ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র হয়েছে। মার্কিন প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভেট বলেন, “ট্যাংকারটি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভেনেজুয়েলা থেকে চলছিল। এছাড়া এটি ইরান ও রাশিয়ার সঙ্গে তেলের লেনদেনও করছিল।” তিনি আরও জানিয়েছেন, জাহাজের ক্রুদের যুক্তরাষ্ট্রে এনে বিচার করা হবে।
রাশিয়া–যুক্তরাষ্ট্র এই জব্দ ঘটনা কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়াবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

