Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, মার্চ 21, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে ডলার—কী ঘটছে মার্কিন অর্থনীতিতে?
    আন্তর্জাতিক

    চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে ডলার—কী ঘটছে মার্কিন অর্থনীতিতে?

    মনিরুজ্জামানজানুয়ারি 31, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার প্রভাবে ডলারের মান দ্রুত কমার পর ব্যবসায়ীরা আশা করেছিলেন পরের বছর কিছুটা স্থিতিশীলতা বা আর্থিক শান্তি ফিরবে। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলো সেই আশা ভঙ্গ করেছে।

    গত মঙ্গলবার ডলার বিশ্বের প্রধান মুদ্রাগুলোর—ইউরো, ব্রিটিশ পাউন্ড, ইয়েন—বিপরীতে চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। ইউরো ও পাউন্ডের তুলনায় ডলারের পতন বিশেষভাবে দৃশ্যমান হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, মাত্র এক সপ্তাহে ডলারের মান প্রায় ৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রুত প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে এই পতনের গতি কিছুটা ধীর হলেও বিশ্লেষকরা মনে করছেন এটি সম্ভবত সাময়িক স্বস্তি।

    আইএনজির ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেট রিসার্চের গ্লোবাল হেড ক্রিস টার্নার বলেন, “অধিকাংশ মানুষ মনে করেন, এ বছর ডলারের মান আরও কমবে। সঠিক সময় নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, কিন্তু পতনের ধারা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।”

    ডলারের মূল্য হ্রাসের সরাসরি প্রভাব পড়ছে আমেরিকানদের ক্রয়ক্ষমতায়। বিদেশ ভ্রমণকারী নাগরিকরা ইতিমধ্যেই ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাব অনুভব করছেন। বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, যদি এই ধারা অব্যাহত থাকে, যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বাড়ার সম্ভাবনা প্রবল। আমদানিকৃত পণ্যের দাম বেড়ে গেলে সাধারণ মানুষের জীবনে সরাসরি খরচ বাড়বে।

    বিশ্ব অর্থনীতির জন্যও ডলারের এই নিম্নমুখী প্রবণতা উদ্বেগের কারণ। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ডলার বিশ্বের প্রধান মুদ্রা হিসেবে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে। এই আধিপত্যই যুক্তরাষ্ট্রকে ঋণ গ্রহণে তুলনামূলকভাবে কম খরচে সুবিধা দিয়েছে। ডলারের পতন বিশ্ববাজারে বিনিয়োগ, বাণিজ্য এবং মুদ্রানীতিতে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করতে পারে।

    বিশ্লেষকেরা দেখাচ্ছেন, মূল কারণের মধ্যে রয়েছে:

    • ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্ক নীতি এবং বাণিজ্যিক অনিশ্চয়তা।

    • মার্কিন অর্থনীতির স্বল্প বর্ধন এবং আন্তর্জাতিক চাহিদার ধীরগতি।

    • ইউরো ও পাউন্ডের শক্তিশালী অবস্থান, যা ডলারের তুলনায় তাদের মান বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে।

    এই পরিস্থিতি দীর্ঘমেয়াদি হলে, আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের আধিপত্য এবং মার্কিন ঋণের খরচ পুনর্বিন্যাসের চাপ তৈরি হবে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, ডলারের পতন কেবল দেশীয় মুদ্রার মান কমার বিষয় নয়, বরং এটি বিশ্ববাজারের স্থিতিশীলতার জন্যও বড় হুমকি।

    ডলারের এই নিম্নমুখী ধারা কি সাময়িক, নাকি দীর্ঘমেয়াদি? বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী এবং অর্থনীতিবিদরা সতর্ক নজর রাখছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুল্ক নীতি পুনর্মূল্যায়ন, আর্থিক সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সমঝোতার ধারা নির্ধারণ করবে এই পতনের গতি ও প্রভাব।

    ডলারের মান: শক্তিশালী থেকে দুর্বল অবস্থায় রূপান্তর:

    গত এক দশকের বেশি সময় ধরে ডলার আন্তর্জাতিক বাজারে শক্তিশালী অবস্থানে ছিল। বিশেষ করে ২০২০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে করোনা মহামারি-পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং উচ্চ সুদের হারের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ডলারের চাহিদা তুঙ্গে পৌঁছেছিল। এ সময় বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে ডলারে ঝুঁকেছিল, যা মুদ্রার স্থিতিশীলতা ও শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করেছিল।

    কিন্তু ২০২৫ সালে পরিস্থিতি পুরোপুরি পাল্টে গেছে। ডলারের ইনডেক্স—যা প্রধান বৈশ্বিক মুদ্রাগুলোর বিপরীতে ডলারের মান যাচাই করে—প্রায় ১০ শতাংশ পতন হয়েছে। এটি ২০১৭ সালের পর ডলারের সবচেয়ে দুর্বল অবস্থান। বিশেষজ্ঞদের মতে, পতনের বড় অংশ ঘটেছিল গত বসন্তে ট্রাম্পের ‘লিবারেশন ডে’ ট্যারিফ ঘোষণার পরবর্তী কয়েক সপ্তাহে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছিল।

    চলতি মাসে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠেছে। গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মধ্যে বিরোধ বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে ডলারের মান আরও কমেছে। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং বাণিজ্যিক উত্তেজনা মুদ্রার পতনে বড় ভূমিকা রাখছে।

    এই সপ্তাহেও ডলারের পতনের ধারা অব্যাহত রয়েছে। গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র এমন কিছু অর্থনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের কথা ভাবছে, যা ডলারের মানকে আরও কমিয়ে দিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এই ধারা দীর্ঘস্থায়ী হলে আন্তর্জাতিক বাজারে বিনিয়োগ, আমদানি-রপ্তানি এবং মূল্যস্ফীতির ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে। বিশ্ব অর্থনীতির জন্য ডলারের এই দুর্বল অবস্থার অর্থ শুধু দেশীয় নয়, বরং বৈশ্বিক প্রভাবও রয়েছে। বিনিয়োগকারীরা এখন সতর্ক, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো ঝুঁকির হিসাব নিচ্ছে, এবং আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিটি পদক্ষেপ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

    ডলারের মান কমছে কেন:

    বিশ্লেষকরা বলছেন, ডলারের এই নিম্নমুখী ধারা মূলত ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি ও বাজার সংশ্লিষ্টদের উদ্বেগের ফল। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা প্রশাসনের অপ্রত্যাশিত সিদ্ধান্ত ও অস্থিতিশীল নীতির কারণে সতর্ক হয়ে পড়েছেন।

    ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের সিনিয়র ফেলো এবং গোল্ডম্যান স্যাকসের সাবেক বৈদেশিক মুদ্রা কৌশলবিদ রবিন ব্রুকস বলেন, “বাজার আসলে বর্তমান প্রশাসনের নীতির খামখেয়ালি চরিত্রে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে—কখনো উত্তেজনা বাড়ানো, কখনো কমানো। ডলারের এই পতন মূলত একটি বার্তা, যে এই ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করছে যুক্তরাষ্ট্রকে।”

    ম্যাককুয়ারির গ্লোবাল ফরেন এক্সচেঞ্জ স্ট্র্যাটেজিস্ট থিয়েরি উইজম্যান জানিয়েছেন, বছরের শুরুতে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা বাজারকে ততটা বিচলিত করেনি। কিন্তু গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বাণিজ্যিক উত্তেজনার দ্রুত বিস্তার পরিস্থিতি পাল্টে দিয়েছে। শুধু ডলারের মানই কমেনি, বরং ভবিষ্যতে ডলারের বড় ধরনের অস্থিরতার ঝুঁকিও বেড়েছে।

    এছাড়াও কিছু অন্য কারণও ডলারের পতনে ভূমিকা রেখেছে। বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধি, জাপানের বন্ড মার্কেটে সম্প্রতি ব্যাপক শেয়ার বিক্রি, এসবই আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের চাপে প্রভাব ফেলেছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জাপানকে সহায়তায় হস্তক্ষেপের কথা অস্বীকার করেছেন, যার ফলে সাময়িকভাবে ডলারের মান কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে। তবে বিশ্লেষকেরা সতর্ক করে বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসন পরবর্তী সময়ে কী পদক্ষেপ নেবে, তা এখনও বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। বিশ্ববাজারে ডলারের এই অস্থিরতা বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী এবং নীতি নির্ধারকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক নীতি ও আন্তর্জাতিক সমঝোতা ছাড়া ডলারের পতনের ধারা থামানো কঠিন।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ইরানি তেলের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করল যুক্তরাষ্ট্র

    মার্চ 21, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরান যুদ্ধ ‘গুটিয়ে’ নিতে চান ট্রাম্প

    মার্চ 21, 2026
    আন্তর্জাতিক

    মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

    মার্চ 21, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.