২০২৬ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। এর প্রভাব পড়তে পারে শেয়ারবাজার, মুদ্রা ও সরকারি বন্ডে।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বেড়ে গেলে বিনিয়োগকারীরা সাধারণত ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ থেকে সরে যায়। একাধিক বড় অর্থনীতির নির্বাচনের কারণে এই প্রবণতা আরও তীব্র হতে পারে।
জাপান, ব্রাজিল, হাঙ্গেরি ও কলম্বিয়ার আসন্ন নির্বাচন অর্থনৈতিক নীতি ও বাজেটের দিক পরিবর্তন করতে পারে। ফলে শেয়ারবাজার, সরকারি বন্ড ও মুদ্রাবাজারে অস্থিরতা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, বলছেন বিশ্লেষকরা।
তারা সতর্ক করেছেন, নির্বাচনের ফল যদি বাজারবান্ধব নীতির বিপরীতে আসে, তাহলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা দ্রুত কমতে পারে। এটি বিশেষ করে উদীয়মান অর্থনীতিতে বেশি প্রভাব ফেলতে পারে।
জাপানে সম্ভাব্য আর্থিক প্রণোদনা সরকারি ঋণ ও ইয়েনের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। ব্রাজিলে নেতৃত্ব পরিবর্তনের সম্ভাবনা বিনিয়োগ নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। ইউরোপে হাঙ্গেরির নির্বাচন ইইউর সঙ্গে সম্পর্ক এবং বাজার আস্থার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশ্ব অর্থনীতি ইতোমধ্যে উচ্চ সুদের হার, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও ধীর প্রবৃদ্ধির চাপের মধ্যে রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সালের নির্বাচনগুলো বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি মূল্যায়ন আরও জটিল করে তুলছে।

