Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, মার্চ 12, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » এই বছর কি আমেরিকা হারাতে বসেছে নিজের জেতা সবকিছু?
    আন্তর্জাতিক

    এই বছর কি আমেরিকা হারাতে বসেছে নিজের জেতা সবকিছু?

    হাসিব উজ জামানফেব্রুয়ারি 4, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলে নতুনভাবে প্রভাব বিস্তার করতে চাইছেন। কিন্তু তার এই প্রয়াসের ফলে যদি ট্রান্স-আটলান্টিক পশ্চিমে তার বিদ্যমান প্রভাব ক্ষয় হয়, তাতেও তিনি আপত্তি করছেন না। ট্রাম্প ও তাঁর উপদেষ্টা মনে করছেন, ন্যাটোসহ অনেক বহুপক্ষীয় জোট এখন আমেরিকার জন্য বোঝা, আর সত্যিকারের ক্ষমতা ও মহানত্ব অর্জন করতে হলে “একলা আমেরিকা” যথেষ্ট।

    কিন্তু বাস্তবতা একেবারেই ভিন্ন। গত বছরের কাজকর্ম বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই নীতি বাস্তবায়নের ফলে তারা শুধু নিজেদের দুর্বলই করছেন, বিশ্বের শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান সংকুচিত হচ্ছে।

    সংখ্যা ও ঘটনাবলি দেখলে বোঝা যায়, যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে নানা ক্ষেত্রে দুর্বল করছে:

    • গণতন্ত্র ও আইনের শাসন বিপন্ন করা।
    • রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মতো স্বৈরশাসকদের সঙ্গে নতুন করে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গঠন।
    • শুধু সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তির ওপর নির্ভর করে বিশ্বব্যবস্থা তৈরি, যেখানে নিয়ম বা বহুপক্ষীয় প্রতিষ্ঠান নেই।

    এই নীতি দীর্ঘদিন ধরে থাকা জোট ও বাণিজ্য সম্পর্ককে দুর্বল করছে এবং বহু আন্তর্জাতিক চুক্তি ও নীতি বিপন্ন করছে।

    যেটি আমেরিকাকে অন্য দেশ থেকে আলাদা করেছে, তা হলো দেশের গভীর নীতি ও আলোকিত চিন্তাধারা। প্রতিষ্ঠাতারা পশ্চিমা মানবতাবাদ ও সংবিধানের নীতির প্রতি অটল ছিলেন। সংবিধানে লেখা আছে, “আমরা, জনগণ”, যা জনগণের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। এর মাধ্যমে তখনকার স্বৈরশাসকদের শাসনের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী চ্যালেঞ্জ স্থাপন করা হয়েছিল।

    তবে ইতিহাস জুড়ে আমেরিকা দ্বৈত চরিত্রের। একদিকে এটি সাম্রাজ্যবাদী শক্তি, অন্যদিকে আলোকিত গণতন্ত্রের দেশ। দক্ষিণের অঙ্গরাজ্যে গোড়ার দিকে দাসপ্রথা ছিল, যা সংবিধানে ঘোষিত সমতার অধিকার ও স্বাধীনতার সঙ্গে বিরোধপূর্ণ।

    যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৪০তম বার্ষিকী আসতে চলেছে। বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো গণতন্ত্র এখন এক ব্যক্তির কারণে অস্তিত্বের সংকটে পড়েছে। ট্রাম্প স্বৈরশাসন প্রবর্তনে বিশ্বাসী। এতে পুরো প্রজাতন্ত্রের জন্য হুমকি তৈরি হচ্ছে।

    দেশে ধনী ও ক্ষমতাধর এক অলিগার্ক গোষ্ঠীর ক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যারা বিশ্বজয়, দূরগ্রহে উপনিবেশ স্থাপন এবং অমরত্ব অর্জনের স্বপ্ন দেখছে।

    সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষিত নাগরিক অধিকার এখন বৃহৎ নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে প্রতিস্থাপিত হচ্ছে। প্রতিবাদকারী বা প্রতিরোধকারী নাগরিকরা ঝুঁকির মুখে পড়ছেন। ফেডারেল এজেন্টদের হাতে মৃত্যুর আশঙ্কা বেড়েছে, যা প্রায় আইনি বিচারের বাইরে।

    বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠান আর্থিক চাপে পড়ছে, এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এখন শুধু ক্ষমতাশালীদের জন্যই সীমিত। ভ্রমণকারীদের চোখে যুক্তরাষ্ট্র এখন সাবেক পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলোর মতো মনে হচ্ছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বিশ্বস্ত সহযোগী দেশগুলো (যেমন ডেনমার্ক) বর্তমানে বিপক্ষের মতো আচরণ করছে। তারা নিজেদের সার্বভৌম ভূখণ্ডে সাম্রাজ্যবাদী দাবির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করছে। ট্রাম্প ও তার মহলের কাছে পুতিনের মতো আগ্রাসী নেতা সমস্যা নয়; সমস্যা হলো ইউরোপীয়রা, বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

    যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মহানত্বের মূল ছিল:

    • শক্তি বিভাজন বজায় রাখা,

    • উন্মুক্ত শ্রমবাজার,

    • বিশ্বের সেরা মেধা আকৃষ্ট করা বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থা,

    • সহনশীলতা, যুক্তি ও সর্বজনীন অধিকার।

    এ সবকিছু ভেঙে ফেলছেন ট্রাম্প। তাঁর “মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন” আন্দোলন কেবল ট্রান্স-আটলান্টিক পশ্চিমকে নয়, যুক্তরাষ্ট্রের শক্তির মূল ভিত্তিকেও ক্ষতি করছে।

    চলতি বছরেও এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে, যুক্তরাষ্ট্রের নিজের জন্যই এটি একটি বড় হুমকি হয়ে উঠবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ইরাক উপকূলে তেলবাহী ট্যাঙ্কারে ইরানের হামলায় ভারতীয় ক্রু নিহত

    মার্চ 12, 2026
    মতামত

    ইরান–ইসরায়েল সংঘাতে উপসাগরীয় দেশগুলোর কৌশলগত নীরবতা

    মার্চ 12, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরানি হামলার মাঝেই উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইন্টারসেপ্টর সংকট

    মার্চ 12, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.