ওমানের মধ্যস্থতায় দেশটির রাজধানী মাসকটে স্থানীয় সময় শুক্রবার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের আলোচনা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পর তেহরানের তেল রপ্তানির ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ওয়াশিংটন। সূত্র: এএফপি
নিষেধাজ্ঞায় বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রপ্তানি নিয়ন্ত্রণে আনতে দেশটির তেল পরিবহন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের বিরুদ্ধে নতুন ব্যবস্থা নিচ্ছে। তবে এ পদক্ষেপ ওমানে হওয়া আলোচনার সঙ্গে যুক্ত কি না, তা স্পষ্ট নয়।
ওমানে ইরান ইস্যুতে হওয়া আলোচনাকে ‘খুব ভালো’ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দুই পক্ষের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা শেষে তিনি শুক্রবার এ মন্তব্য করেন।
ইরানও ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনায় ইতিবাচক পরিবেশের প্রশংসা করেছে এবং ভবিষ্যতে আরও আলোচনা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে।
কয়েক দিন আগে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র বিশাল নৌবহর মোতায়েন করেছিল। নৌবহরটি এখনও ইরানের জলসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। উত্তেজনা হ্রাসে ওমানের মধ্যস্থতায় মাসকটে দুই দেশের প্রতিনিধিদল আলোচনা করেছে, যদিও তারা সরাসরি মুখোমুখি হয়নি।
গত বছরের জুনে ইসরায়েল ও ইরানের ১২ দিনের সংঘাতের সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়। ওই ঘটনায় এটি দুই দেশের মধ্যে প্রথম আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়।
ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো রিসোর্টে যাওয়ার পথে এয়ারফোর্স ওয়ানে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইরান ইস্যুতেও আমাদের খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। আগামী সপ্তাহের শুরুতেই আমরা আবার বৈঠকে বসব।’ যদিও এর আগে তিনি সতর্ক করেছিলেন, ‘ইরান যদি কোনো চুক্তি না করে, পরিণতি কঠোর হবে।’
সপ্তাহজুড়ে বাড়তে থাকা উত্তেজনা এবং সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের মধ্যে শুক্রবার ওমানে দুই দেশের কর্মকর্তাদের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি মাসকটে যান, আর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের উপদেষ্টা স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনার অংশ নেন।

